ঢাকা   শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
English
ই-পেপার
ইছামতি

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে লোডশেডিং এবং বিদ্যুৎ সংকটের পরিস্থিতিতে স্পষ্ট সুফল দেখা যাবে



আগামী ১৫ দিনের মধ্যে লোডশেডিং এবং বিদ্যুৎ সংকটের পরিস্থিতিতে স্পষ্ট সুফল দেখা যাবে
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সংসদে ছবি

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বুধবার জাতীয় সংসদের বৈঠকে বিরোধী দলের সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুলের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। বিকেল সাড়ে ৩টায় স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সাময়িক সংকটের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, আগস্ট মাসে জনগণকে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিয়ে যে কষ্ট পোহাতে হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে যেন তার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে লক্ষ্যে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী সংসদে জানান, দীর্ঘদিনের ভুল নীতি, সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে এই সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে।দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১২ হাজার মেগাওয়াট, যার জন্য প্রতিদিন ১,৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন। তবে শিল্প, আবাসিক ও বিদ্যুতের মাঝে ভারসাম্য রাখতে গিয়ে গ্যাস সরবরাহ সীমিত রাখতে হচ্ছে। পায়রা ও মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৬১৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি করে ইউনিট যথাক্রমে কারিগরি ত্রুটি ও রক্ষণাবেক্ষণের কারণে বন্ধ রয়েছে। ভারতের আদানি গ্রুপ থেকে চুক্তিকৃত ১,৬০০ মেগাওয়াটের বিপরীতে বর্তমানে দিনে প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট ও সন্ধ্যায় ১,১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। গত ২১ জুলাই ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) ত্রুটি দেখা দেয়, যা মেরামতে ২১-২২ দিন সময় লাগে। তবে বর্তমানে এই সংকটের প্রায় ৮৮ শতাংশ সমাধান সম্পন্ন হয়েছে।

 পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত বন্ধ থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিটগুলো পুনরায় চালুর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া আগামী গ্রীষ্মে সংকট এড়াতে রুফটপ সোলার নীতিসহ বেশ কিছু দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণ করছে সরকার। জনগণের কাছে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে বিদ্যুৎ খাতের ভুল বোঝাবুঝি দূর করার আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন

ইছামতি

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আগামী ১৫ দিনের মধ্যে লোডশেডিং এবং বিদ্যুৎ সংকটের পরিস্থিতিতে স্পষ্ট সুফল দেখা যাবে

প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বুধবার জাতীয় সংসদের বৈঠকে বিরোধী দলের সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুলের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। বিকেল সাড়ে ৩টায় স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সাময়িক সংকটের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, আগস্ট মাসে জনগণকে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিয়ে যে কষ্ট পোহাতে হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে যেন তার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে লক্ষ্যে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী সংসদে জানান, দীর্ঘদিনের ভুল নীতি, সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে এই সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে।দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১২ হাজার মেগাওয়াট, যার জন্য প্রতিদিন ১,৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন। তবে শিল্প, আবাসিক ও বিদ্যুতের মাঝে ভারসাম্য রাখতে গিয়ে গ্যাস সরবরাহ সীমিত রাখতে হচ্ছে। পায়রা ও মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৬১৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি করে ইউনিট যথাক্রমে কারিগরি ত্রুটি ও রক্ষণাবেক্ষণের কারণে বন্ধ রয়েছে। ভারতের আদানি গ্রুপ থেকে চুক্তিকৃত ১,৬০০ মেগাওয়াটের বিপরীতে বর্তমানে দিনে প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট ও সন্ধ্যায় ১,১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। গত ২১ জুলাই ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) ত্রুটি দেখা দেয়, যা মেরামতে ২১-২২ দিন সময় লাগে। তবে বর্তমানে এই সংকটের প্রায় ৮৮ শতাংশ সমাধান সম্পন্ন হয়েছে।

 পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত বন্ধ থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিটগুলো পুনরায় চালুর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া আগামী গ্রীষ্মে সংকট এড়াতে রুফটপ সোলার নীতিসহ বেশ কিছু দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণ করছে সরকার। জনগণের কাছে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে বিদ্যুৎ খাতের ভুল বোঝাবুঝি দূর করার আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী।


ইছামতি

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আরমান চৌধুরী
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ইছামতি