ধ্বংসস্তূপ থেকে স্বাস্থ্য খাতের অগ্রযাত্রা,তবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের তাগিদ রাষ্ট্রপতির
দেশের স্বাস্থ্য খাতকে আরও কার্যকর, আধুনিক ও জনবান্ধব করে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার ধ্বংসস্তূপ থেকে কাজ শুরু করেছে। সেই বিবেচনায় স্বাস্থ্য খাতের অগ্রযাত্রা ইতিবাচক হলেও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠা জরুরি। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীতে বাংলাদেশ সোসাইটি অব কোলন অ্যান্ড রেক্টাল সার্জনস (বিএসসিআরএস) আয়োজিত ‘বিএসসিআরএস কংগ্রেস ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, অতীতে অপরিকল্পিত উদ্যোগ ও দুর্নীতির কারণে দেশের স্বাস্থ্য খাত প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে শুধু সাময়িক পদক্ষেপ নিলে হবে না; বরং স্বাস্থ্য খাতের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দীর্ঘমেয়াদি ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা পরিচালনা ও সরকারি অর্থ ব্যয়ের প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে বরাদ্দ দিয়েছে। তবে শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত হবে না। বরাদ্দ করা অর্থের যথাযথ ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ সরকারি স্বাস্থ্যসেবা থেকে প্রকৃত সুফল পান। অর্থের অভাবে চিকিৎসাবঞ্চিত হওয়া চলবে না রাষ্ট্রপতি বলেন, আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কোনো মানুষ যেন প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। চিকিৎসা মানুষের মৌলিক প্রয়োজনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে কাউকে চিকিৎসা না পেয়ে দুর্ভোগের শিকার হতে দেওয়া উচিত নয়। তিনি মনে করেন, স্বাস্থ্যসেবাকে প্রকৃত অর্থে জনমুখী করতে হলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাপ্রাপ্তির সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি সেবার মান উন্নত করতে হবে। বিশেষ করে দরিদ্র ও অসচ্ছল মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহজলভ্য করার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। বিদেশমুখী চিকিৎসা কমাতে সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের মানুষকে যেন অপ্রয়োজনীয়ভাবে বিদেশে যেতে না হয়, সে লক্ষ্যে দেশীয় চিকিৎসাব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। এ জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসার অবকাঠামো উন্নয়ন, দক্ষ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী তৈরি এবং আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতির প্রসার ঘটানো প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। রাষ্ট্রপতির মতে, দেশের হাসপাতালগুলোতে আধুনিক চিকিৎসাসুবিধা সম্প্রসারণ এবং বিশেষায়িত চিকিৎসায় দক্ষ জনবল গড়ে তোলা গেলে দেশের ভেতরেই আরও উন্নত সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। এতে রোগীদের বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার প্রয়োজন কমানোর পাশাপাশি দেশের চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থাও বাড়বে। বিশেষায়িত সার্জারিতে দক্ষ জনবল তৈরির ওপর গুরুত্ব কোলন ও রেক্টাল সার্জারিসহ বিশেষায়িত চিকিৎসাক্ষেত্রে দক্ষ চিকিৎসক তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন প্রজন্মের সার্জন ও চিকিৎসকেরা আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের জ্ঞান, প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন। তিনি বলেন, চিকিৎসাবিজ্ঞানের দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চিকিৎসকদের নিয়মিত জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়ানো প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্মেলন, বৈজ্ঞানিক আলোচনা এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে সম্মেলনের গুরুত্ব বাংলাদেশ সোসাইটি অব কোলন অ্যান্ড রেক্টাল সার্জনসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিএসসিআরএস কংগ্রেস ২০২৬ চিকিৎসকদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশাগত আয়োজন। সংগঠনটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সম্মেলনে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে কোলন ও রেক্টাল সার্জারির সাম্প্রতিক অগ্রগতি, আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতি এবং দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষায়িত চিকিৎসার প্রসারে এ ধরনের আয়োজন দেশের চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করতে পারে। সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে অর্থ বরাদ্দের পাশাপাশি তার কার্যকর ব্যবহার, সুশাসন, দক্ষ জনবল তৈরি এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল মানুষের চিকিৎসার অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। এসব ক্ষেত্রে পরিকল্পিত উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও আধুনিক, কার্যকর ও জনবান্ধব করে তোলা সম্ভব হবে।
যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের ঢল,প্রধান অতিথি রুহুল কবির রিজভী
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে সরকারি সফরে টোকিওর উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চার দিনের এ সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন সহযোগিতা আরও গতিশীল করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রীর জাপানের উদ্দেশে যাত্রা করার কথা রয়েছে। সফরে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, রাজনীতিক এবং প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা। সফরসূচি অনুযায়ী, টোকিওতে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতা এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিভিন্ন বৈঠকে অংশ নেবেন। এসব বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি, প্রযুক্তি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্পায়নে জাপানের সহযোগিতা দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে অবকাঠামো নির্মাণ, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এবারের সফরে এসব খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাংলাদেশে নতুন জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণের বিষয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাপানের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। বাংলাদেশে শিল্পকারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়গুলোও আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে। এ ছাড়া জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) এবং দেশটির বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। এসব আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। সফরের শেষ পর্যায়ে জাপানের নাগোয়া শহরে যাওয়ার কর্মসূচিও রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সেখানে টয়োটা মোটর করপোরেশনের একটি কারখানা এবং শিল্প ও প্রযুক্তিবিষয়ক জাদুঘর পরিদর্শনের কথা রয়েছে। এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে জাপানের শিল্পায়ন, আধুনিক উৎপাদনব্যবস্থা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হবে। কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তারেক রহমানের এই সফরকে বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক আরও গভীর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টিতে সফরটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।চার দিনের সরকারি সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশে ফেরার কথা রয়েছে ২৯ অক্টোবর। সফরে আলোচনার ভিত্তিতে কোনো সমঝোতা, চুক্তি বা নতুন সহযোগিতা উদ্যোগ গৃহীত হলে তা দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
মেঘনাঘাট–হরিপুর জাতীয় গ্রিডে ত্রুটি,ভোগান্তিতে বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা / ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় হঠাৎ বিদ্যুৎ বিপর্যয়,কারণ জানাল পিডিবি
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে সরকারি সফরে টোকিওর উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চার দিনের এ সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন সহযোগিতা আরও গতিশীল করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রীর জাপানের উদ্দেশে যাত্রা করার কথা রয়েছে। সফরে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, রাজনীতিক এবং প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা। সফরসূচি অনুযায়ী, টোকিওতে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতা এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিভিন্ন বৈঠকে অংশ নেবেন। এসব বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি, প্রযুক্তি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্পায়নে জাপানের সহযোগিতা দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে অবকাঠামো নির্মাণ, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এবারের সফরে এসব খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাংলাদেশে নতুন জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণের বিষয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাপানের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। বাংলাদেশে শিল্পকারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়গুলোও আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে। এ ছাড়া জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) এবং দেশটির বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। এসব আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। সফরের শেষ পর্যায়ে জাপানের নাগোয়া শহরে যাওয়ার কর্মসূচিও রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সেখানে টয়োটা মোটর করপোরেশনের একটি কারখানা এবং শিল্প ও প্রযুক্তিবিষয়ক জাদুঘর পরিদর্শনের কথা রয়েছে। এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে জাপানের শিল্পায়ন, আধুনিক উৎপাদনব্যবস্থা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হবে। কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তারেক রহমানের এই সফরকে বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক আরও গভীর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টিতে সফরটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।চার দিনের সরকারি সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশে ফেরার কথা রয়েছে ২৯ অক্টোবর। সফরে আলোচনার ভিত্তিতে কোনো সমঝোতা, চুক্তি বা নতুন সহযোগিতা উদ্যোগ গৃহীত হলে তা দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সাদমা টেক্সটাইলে ভাঙচুর,দুই পাশে দীর্ঘ যানজট;পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের চেষ্টা / বেতন-ভাতা ও বোনাস বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ,ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে সরকারি সফরে টোকিওর উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চার দিনের এ সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন সহযোগিতা আরও গতিশীল করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রীর জাপানের উদ্দেশে যাত্রা করার কথা রয়েছে। সফরে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, রাজনীতিক এবং প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা। সফরসূচি অনুযায়ী, টোকিওতে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতা এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিভিন্ন বৈঠকে অংশ নেবেন। এসব বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি, প্রযুক্তি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্পায়নে জাপানের সহযোগিতা দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে অবকাঠামো নির্মাণ, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এবারের সফরে এসব খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাংলাদেশে নতুন জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণের বিষয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাপানের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। বাংলাদেশে শিল্পকারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়গুলোও আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে। এ ছাড়া জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) এবং দেশটির বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। এসব আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। সফরের শেষ পর্যায়ে জাপানের নাগোয়া শহরে যাওয়ার কর্মসূচিও রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সেখানে টয়োটা মোটর করপোরেশনের একটি কারখানা এবং শিল্প ও প্রযুক্তিবিষয়ক জাদুঘর পরিদর্শনের কথা রয়েছে। এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে জাপানের শিল্পায়ন, আধুনিক উৎপাদনব্যবস্থা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হবে। কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তারেক রহমানের এই সফরকে বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক আরও গভীর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টিতে সফরটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।চার দিনের সরকারি সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশে ফেরার কথা রয়েছে ২৯ অক্টোবর। সফরে আলোচনার ভিত্তিতে কোনো সমঝোতা, চুক্তি বা নতুন সহযোগিতা উদ্যোগ গৃহীত হলে তা দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
কড়াইলে রাজকীয় বাড়ি ও বনানীতে চাঁদাবাজি: বিতর্কে যুবদলের সাবেক নেতা শাহজাহান
মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে ২৫ বাংলাদেশি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ; উন্মুক্ত শ্রমবাজারের দাবিতে অনিশ্চয়তা
চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার
যাত্রাশিল্প উন্নয়ন পরিষদের মতবিনিময় সভা
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬
পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার
সাগরপথে ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসন বন্ধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সাংবাদিকদের দাবি সমাবেশ
চাচা-ভাতিজির অনৈতিক সম্পর্কে ভাতিজির বিবাহ বিচ্ছেদ, এলাকায় তোলপাড়
যাত্রাজগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র আনসার উল্লাহর মৃত্যুতে বাংলাদেশ যাত্রাশিল্পী কল্যাণ পরিষদের গভীর শোক
সংস্কার বাস্তবায়ন থেকে আইনশৃঙ্খলা—বিভিন্ন ইস্যুতে ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক
ধ্বংসস্তূপ থেকে স্বাস্থ্য খাতের অগ্রযাত্রা,তবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের তাগিদ রাষ্ট্রপতির
বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক জোরদারে নতুন প্রত্যাশা,দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে যৌথ ব্রিফিংয়ে তারেক রহমান
যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের ঢল,প্রধান অতিথি রুহুল কবির রিজভী
ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় হঠাৎ বিদ্যুৎ বিপর্যয়,কারণ জানাল পিডিবি
বেতন-ভাতা ও বোনাস বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ,ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ
আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ বক্তব্যে তোলপাড়,দেশে ফিরে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: ডা. জাহেদ উর রহমান
রাজধানীতে বাংলাদেশ যাত্রাশিল্প মালিক সমিতির ত্রিবার্ষিক নির্বাচন,ভোট গ্রহণ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত
বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক জোরদারে তারেক রহমান-সানায়ে তাকাইচি বৈঠক,গুরুত্ব পাচ্ছে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ
মহেশপুর যুবসমাজের উদ্যোগে শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্ট, প্রধান অতিথি মেহেদী হাসান রনি
ধ্বংসস্তূপ থেকে স্বাস্থ্য খাতের অগ্রযাত্রা,তবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের তাগিদ রাষ্ট্রপতির
দেশের স্বাস্থ্য খাতকে আরও কার্যকর, আধুনিক ও জনবান্ধব করে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার ধ্বংসস্তূপ থেকে কাজ শুরু করেছে। সেই বিবেচনায় স্বাস্থ্য খাতের অগ্রযাত্রা ইতিবাচক হলেও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠা জরুরি। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীতে বাংলাদেশ সোসাইটি অব কোলন অ্যান্ড রেক্টাল সার্জনস (বিএসসিআরএস) আয়োজিত ‘বিএসসিআরএস কংগ্রেস ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, অতীতে অপরিকল্পিত উদ্যোগ ও দুর্নীতির কারণে দেশের স্বাস্থ্য খাত প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে শুধু সাময়িক পদক্ষেপ নিলে হবে না; বরং স্বাস্থ্য খাতের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দীর্ঘমেয়াদি ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা পরিচালনা ও সরকারি অর্থ ব্যয়ের প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে বরাদ্দ দিয়েছে। তবে শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত হবে না। বরাদ্দ করা অর্থের যথাযথ ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ সরকারি স্বাস্থ্যসেবা থেকে প্রকৃত সুফল পান। অর্থের অভাবে চিকিৎসাবঞ্চিত হওয়া চলবে না রাষ্ট্রপতি বলেন, আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কোনো মানুষ যেন প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। চিকিৎসা মানুষের মৌলিক প্রয়োজনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে কাউকে চিকিৎসা না পেয়ে দুর্ভোগের শিকার হতে দেওয়া উচিত নয়। তিনি মনে করেন, স্বাস্থ্যসেবাকে প্রকৃত অর্থে জনমুখী করতে হলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাপ্রাপ্তির সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি সেবার মান উন্নত করতে হবে। বিশেষ করে দরিদ্র ও অসচ্ছল মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহজলভ্য করার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। বিদেশমুখী চিকিৎসা কমাতে সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের মানুষকে যেন অপ্রয়োজনীয়ভাবে বিদেশে যেতে না হয়, সে লক্ষ্যে দেশীয় চিকিৎসাব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। এ জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসার অবকাঠামো উন্নয়ন, দক্ষ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী তৈরি এবং আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতির প্রসার ঘটানো প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। রাষ্ট্রপতির মতে, দেশের হাসপাতালগুলোতে আধুনিক চিকিৎসাসুবিধা সম্প্রসারণ এবং বিশেষায়িত চিকিৎসায় দক্ষ জনবল গড়ে তোলা গেলে দেশের ভেতরেই আরও উন্নত সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। এতে রোগীদের বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার প্রয়োজন কমানোর পাশাপাশি দেশের চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থাও বাড়বে। বিশেষায়িত সার্জারিতে দক্ষ জনবল তৈরির ওপর গুরুত্ব কোলন ও রেক্টাল সার্জারিসহ বিশেষায়িত চিকিৎসাক্ষেত্রে দক্ষ চিকিৎসক তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন প্রজন্মের সার্জন ও চিকিৎসকেরা আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের জ্ঞান, প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন। তিনি বলেন, চিকিৎসাবিজ্ঞানের দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চিকিৎসকদের নিয়মিত জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়ানো প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্মেলন, বৈজ্ঞানিক আলোচনা এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে সম্মেলনের গুরুত্ব বাংলাদেশ সোসাইটি অব কোলন অ্যান্ড রেক্টাল সার্জনসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিএসসিআরএস কংগ্রেস ২০২৬ চিকিৎসকদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশাগত আয়োজন। সংগঠনটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সম্মেলনে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে কোলন ও রেক্টাল সার্জারির সাম্প্রতিক অগ্রগতি, আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতি এবং দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষায়িত চিকিৎসার প্রসারে এ ধরনের আয়োজন দেশের চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করতে পারে। সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে অর্থ বরাদ্দের পাশাপাশি তার কার্যকর ব্যবহার, সুশাসন, দক্ষ জনবল তৈরি এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল মানুষের চিকিৎসার অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। এসব ক্ষেত্রে পরিকল্পিত উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও আধুনিক, কার্যকর ও জনবান্ধব করে তোলা সম্ভব হবে।
দুই দিন বন্ধ থাকবে সারা দেশের এলপিজি গ্যাসের দোকান, ১৫ ও ১৬ অক্টোবর কর্মবিরতির ঘোষণা
দুই দিন বন্ধ থাকবে সারা দেশের এলপিজি গ্যাসের দোকান, ১৫ ও ১৬ অক্টোবর কর্মবিরতির ঘোষণা
প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনায় বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার
প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনায় বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার
খানসামায় দৈনিক করতোয়ার ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
খানসামায় দৈনিক করতোয়ার ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
ধ্বংসস্তূপ থেকে স্বাস্থ্য খাতের অগ্রযাত্রা,তবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের তাগিদ রাষ্ট্রপতির
ধ্বংসস্তূপ থেকে স্বাস্থ্য খাতের অগ্রযাত্রা,তবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের তাগিদ রাষ্ট্রপতির
বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক জোরদারে নতুন প্রত্যাশা,দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে যৌথ ব্রিফিংয়ে তারেক রহমান
বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক জোরদারে নতুন প্রত্যাশা,দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে যৌথ ব্রিফিংয়ে তারেক রহমান
সংস্কার বাস্তবায়ন থেকে আইনশৃঙ্খলা—বিভিন্ন ইস্যুতে ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক
ধ্বংসস্তূপ থেকে স্বাস্থ্য খাতের অগ্রযাত্রা,তবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের তাগিদ রাষ্ট্রপতির
বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক জোরদারে নতুন প্রত্যাশা,দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে যৌথ ব্রিফিংয়ে তারেক রহমান
যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের ঢল,প্রধান অতিথি রুহুল কবির রিজভী
বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক জোরদারে নতুন প্রত্যাশা,দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে যৌথ ব্রিফিংয়ে তারেক রহমান
বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক জোরদারে তারেক রহমান-সানায়ে তাকাইচি বৈঠক,গুরুত্ব পাচ্ছে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য,প্রযুক্তি হস্তান্তর ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদারের আলোচনা / তারেক রহমানের সঙ্গে তারো আসোর সৌজন্য সাক্ষাৎ,জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্বারোপ
জাপানের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্ব