ঢাকা   মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
ইছামতি
সর্বশেষ

জাতীয় সংসদের বিদ্যমান সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়ন ও প্রতিস্থাপনের লক্ষ্যে উচ্চপর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত সমাধান উপস্থাপন করা হয়। / জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নে উচ্চপর্যায়ের সভা

সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বিএনপি চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা জনাব তারেক রহমান, এমপির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় জাতীয় সংসদের সাউন্ড ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, কার্যকর ও সময়োপযোগী করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।সভায় জাতীয় সংসদের বর্তমান সাউন্ড সিস্টেমের আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর সাউন্ড সিস্টেমের ওপর একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা দেওয়া হয়। এ সময় গণপূর্ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত বিকল্প, বিদ্যমান অবকাঠামোর সঙ্গে নতুন প্রযুক্তির সমন্বয়, কারিগরি সক্ষমতা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাব্য পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।উপস্থাপনায় আধুনিক সাউন্ড সিস্টেমের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, শব্দের স্বচ্ছতা, নিরবচ্ছিন্ন কার্যকারিতা এবং সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনায় এর ব্যবহারিক সুবিধাগুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি জাতীয় সংসদের অধিবেশন, গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমে সর্বোচ্চ মানের শব্দ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কী ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা যেতে পারে, তা নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।সভায় সংশ্লিষ্ট অতিথিরা উপস্থাপিত বিভিন্ন প্রযুক্তিগত বিকল্প পর্যালোচনা করে তাঁদের মতামত দেন। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদের প্রয়োজনীয়তা, ভবিষ্যৎ চাহিদা এবং কারিগরি সক্ষমতার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত সাউন্ড সিস্টেম নির্বাচন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।সভায় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও জাতীয় সংসদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সভায় জাতীয় সংসদের কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে সাউন্ড সিস্টেমের উন্নয়ন ও প্রতিস্থাপনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তির সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন করা হলে সংসদীয় কার্যক্রমে শব্দের মান ও শ্রবণযোগ্যতা আরও উন্নত হবে এবং অধিবেশন পরিচালনায় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়বে।

রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক দায়মুক্তি রয়েছে, আদালতে মামলা গ্রহণযোগ্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরে সরাসরি আত্মসমর্পণের কোনো আইনি সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে পা রাখা মাত্রই দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা হবে।আজ (১৬ জুলাই) রাজধানী ঢাকায় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “যেহেতু তিনি (শেখ হাসিনা) আদালতের মাধ্যমে ইতিমধ্যে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা রয়েছে, তাই দেশে ফিরে তার সরাসরি বা সাধারণ উপায়ে আত্মসমর্পণের কোনো আইনি পথ খোলা নেই। আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে এবং দেশে ফিরলেই তাকে আইনের আওতায় নিয়ে গ্রেপ্তার করা হবে।”শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ ইসলাম উল্লেখ করেন, তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে বর্তমান সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারভাবে চলমান রয়েছে। তবে এ বিষয়ে ভারতের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।নয়া দিল্লির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানের বিষয়টি ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার বহুমাত্রিক সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। তিনি বলেন, “আমি মনে করি না শেখ হাসিনার এই ইস্যুটি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে ব্যাহত করবে। দুই দেশের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও বহুমাত্রিক, যা যথানিয়মে অব্যাহত থাকবে।”পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ এবং সংলাপের ধারা স্বাভাবিক রয়েছে। আঞ্চলিক সহযোগিতার উদাহরণ হিসেবে তিনি চলমান বিমসটেক (BIMSTEC) কার্যক্রমে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করেন।উল্লেখ্য, এর আগেও একাধিক বক্তব্যে শামা ওবায়েদ ইসলাম স্পষ্ট করেছিলেন যে, দেশের মাটিতে সংঘটিত হওয়া খুন, গুম ও দুর্নীতির প্রতিটি ঘটনার একটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ বিচার নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য এবং দেশের জনগণও তাই প্রত্যাশা করে।

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে আনসারের তণ্ডব: অসুস্থ স্ত্রীর সামনেই স্বামী ও ১৩ মাসের শিশুকে মারধরের অভিযোগ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরে সরাসরি আত্মসমর্পণের কোনো আইনি সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে পা রাখা মাত্রই দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা হবে।আজ (১৬ জুলাই) রাজধানী ঢাকায় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “যেহেতু তিনি (শেখ হাসিনা) আদালতের মাধ্যমে ইতিমধ্যে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা রয়েছে, তাই দেশে ফিরে তার সরাসরি বা সাধারণ উপায়ে আত্মসমর্পণের কোনো আইনি পথ খোলা নেই। আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে এবং দেশে ফিরলেই তাকে আইনের আওতায় নিয়ে গ্রেপ্তার করা হবে।”শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ ইসলাম উল্লেখ করেন, তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে বর্তমান সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারভাবে চলমান রয়েছে। তবে এ বিষয়ে ভারতের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।নয়া দিল্লির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানের বিষয়টি ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার বহুমাত্রিক সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। তিনি বলেন, “আমি মনে করি না শেখ হাসিনার এই ইস্যুটি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে ব্যাহত করবে। দুই দেশের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও বহুমাত্রিক, যা যথানিয়মে অব্যাহত থাকবে।”পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ এবং সংলাপের ধারা স্বাভাবিক রয়েছে। আঞ্চলিক সহযোগিতার উদাহরণ হিসেবে তিনি চলমান বিমসটেক (BIMSTEC) কার্যক্রমে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করেন।উল্লেখ্য, এর আগেও একাধিক বক্তব্যে শামা ওবায়েদ ইসলাম স্পষ্ট করেছিলেন যে, দেশের মাটিতে সংঘটিত হওয়া খুন, গুম ও দুর্নীতির প্রতিটি ঘটনার একটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ বিচার নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য এবং দেশের জনগণও তাই প্রত্যাশা করে।

এআই-রোবোটিক্স ও সেমিকন্ডাক্টরে সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরে সরাসরি আত্মসমর্পণের কোনো আইনি সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে পা রাখা মাত্রই দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা হবে।আজ (১৬ জুলাই) রাজধানী ঢাকায় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “যেহেতু তিনি (শেখ হাসিনা) আদালতের মাধ্যমে ইতিমধ্যে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা রয়েছে, তাই দেশে ফিরে তার সরাসরি বা সাধারণ উপায়ে আত্মসমর্পণের কোনো আইনি পথ খোলা নেই। আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে এবং দেশে ফিরলেই তাকে আইনের আওতায় নিয়ে গ্রেপ্তার করা হবে।”শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ ইসলাম উল্লেখ করেন, তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে বর্তমান সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারভাবে চলমান রয়েছে। তবে এ বিষয়ে ভারতের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।নয়া দিল্লির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানের বিষয়টি ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার বহুমাত্রিক সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। তিনি বলেন, “আমি মনে করি না শেখ হাসিনার এই ইস্যুটি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে ব্যাহত করবে। দুই দেশের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও বহুমাত্রিক, যা যথানিয়মে অব্যাহত থাকবে।”পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ এবং সংলাপের ধারা স্বাভাবিক রয়েছে। আঞ্চলিক সহযোগিতার উদাহরণ হিসেবে তিনি চলমান বিমসটেক (BIMSTEC) কার্যক্রমে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করেন।উল্লেখ্য, এর আগেও একাধিক বক্তব্যে শামা ওবায়েদ ইসলাম স্পষ্ট করেছিলেন যে, দেশের মাটিতে সংঘটিত হওয়া খুন, গুম ও দুর্নীতির প্রতিটি ঘটনার একটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ বিচার নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য এবং দেশের জনগণও তাই প্রত্যাশা করে।

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
চামড়া সংরক্ষণে  বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

সাগরপথে ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসন বন্ধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর

সাগরপথে ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসন বন্ধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!

অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সাংবাদিকদের দাবি সমাবেশ

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সাংবাদিকদের দাবি সমাবেশ

চাচা-ভাতিজির অনৈতিক সম্পর্কে ভাতিজির বিবাহ বিচ্ছেদ, এলাকায় তোলপাড়

চাচা-ভাতিজির অনৈতিক সম্পর্কে ভাতিজির বিবাহ বিচ্ছেদ, এলাকায় তোলপাড়

লালবাগ রাজস্ব সার্কেলে জনবান্ধব সেবার নতুন দিগন্ত

লালবাগ রাজস্ব সার্কেলে জনবান্ধব সেবার নতুন দিগন্ত

সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েরা কেন বেশি বিপর্যস্ত, কী বলছে গবেষণা?

সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েরা কেন বেশি বিপর্যস্ত, কী বলছে গবেষণা?

ভালুকার কাচিনা ভূমি অফিস এখন ‘ঘুষের স্বর্গরাজ্য’: নায়েব মুফিজুলের হাতে জিম্মি সেবাগ্রহীতারা

ভালুকার কাচিনা ভূমি অফিস এখন ‘ঘুষের স্বর্গরাজ্য’: নায়েব মুফিজুলের হাতে জিম্মি সেবাগ্রহীতারা

অপহরণের ১২ দিনেও উদ্ধার হয়নি স্কুলছাত্রী

অপহরণের ১২ দিনেও উদ্ধার হয়নি স্কুলছাত্রী

জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নে উচ্চপর্যায়ের সভা

জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নে উচ্চপর্যায়ের সভা

চা শিল্পের সংকট সমাধানে বড় উদ্যোগ, বিশেষ কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

চা শিল্পের সংকট সমাধানে বড় উদ্যোগ, বিশেষ কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা: যোগ্যতাই হোক পদোন্নতির মাপকাঠি

সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা: যোগ্যতাই হোক পদোন্নতির মাপকাঠি

রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক দায়মুক্তি রয়েছে, আদালতে মামলা গ্রহণযোগ্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক দায়মুক্তি রয়েছে, আদালতে মামলা গ্রহণযোগ্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে আনসারের তণ্ডব: অসুস্থ স্ত্রীর সামনেই স্বামী ও ১৩ মাসের শিশুকে মারধরের অভিযোগ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে আনসারের তণ্ডব: অসুস্থ স্ত্রীর সামনেই স্বামী ও ১৩ মাসের শিশুকে মারধরের অভিযোগ

এআই-রোবোটিক্স ও সেমিকন্ডাক্টরে সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে: প্রধানমন্ত্রী

এআই-রোবোটিক্স ও সেমিকন্ডাক্টরে সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে: প্রধানমন্ত্রী

 রাষ্ট্রপতি হলেন হাফিজ উদ্দিন

রাষ্ট্রপতি হলেন হাফিজ উদ্দিন

অবশেষে পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, বললেন ‘আই অ্যাম সিক’

অবশেষে পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, বললেন ‘আই অ্যাম সিক’

সরকারি সফরে তুরস্কে গেলেন সেনাপ্রধান

সরকারি সফরে তুরস্কে গেলেন সেনাপ্রধান

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জন্য বড় উপহার, চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জন্য বড় উপহার, চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’

জাতীয় সংসদের বিদ্যমান সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়ন ও প্রতিস্থাপনের লক্ষ্যে উচ্চপর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত সমাধান উপস্থাপন করা হয়। / জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নে উচ্চপর্যায়ের সভা

সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বিএনপি চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা জনাব তারেক রহমান, এমপির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় জাতীয় সংসদের সাউন্ড ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, কার্যকর ও সময়োপযোগী করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।সভায় জাতীয় সংসদের বর্তমান সাউন্ড সিস্টেমের আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর সাউন্ড সিস্টেমের ওপর একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা দেওয়া হয়। এ সময় গণপূর্ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত বিকল্প, বিদ্যমান অবকাঠামোর সঙ্গে নতুন প্রযুক্তির সমন্বয়, কারিগরি সক্ষমতা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাব্য পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।উপস্থাপনায় আধুনিক সাউন্ড সিস্টেমের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, শব্দের স্বচ্ছতা, নিরবচ্ছিন্ন কার্যকারিতা এবং সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনায় এর ব্যবহারিক সুবিধাগুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি জাতীয় সংসদের অধিবেশন, গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমে সর্বোচ্চ মানের শব্দ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কী ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা যেতে পারে, তা নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।সভায় সংশ্লিষ্ট অতিথিরা উপস্থাপিত বিভিন্ন প্রযুক্তিগত বিকল্প পর্যালোচনা করে তাঁদের মতামত দেন। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদের প্রয়োজনীয়তা, ভবিষ্যৎ চাহিদা এবং কারিগরি সক্ষমতার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে উপযুক্ত সাউন্ড সিস্টেম নির্বাচন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।সভায় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও জাতীয় সংসদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সভায় জাতীয় সংসদের কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে সাউন্ড সিস্টেমের উন্নয়ন ও প্রতিস্থাপনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তির সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন করা হলে সংসদীয় কার্যক্রমে শব্দের মান ও শ্রবণযোগ্যতা আরও উন্নত হবে এবং অধিবেশন পরিচালনায় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়বে।

সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা: যোগ্যতাই হোক পদোন্নতির মাপকাঠি

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ ২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। এ সময় তিনি একটি আধুনিক, দক্ষ ও পেশাদার সেনাবাহিনী গঠনে পদোন্নতির ক্ষেত্রে মেধা, যোগ্যতা, সততা ও নেতৃত্বের গুণাবলিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন।রোববার (২৬ জুলাই ২০২৬) সকালে ঢাকায় সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নির্বাচনী পর্ষদের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে একটি নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও পুনর্গঠনে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশের জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে শাহাদাতবরণকারী সেনাসদস্যদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি দক্ষ, আধুনিক ও পেশাদার সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে যোগ্য কর্মকর্তাদের যথাযথ মূল্যায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ বা কোনো ধরনের রাজনৈতিক বিবেচনা যেন প্রাধান্য না পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। বরং পদোন্নতির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মেধা, পেশাগত দক্ষতা, সততা, চারিত্রিক দৃঢ়তা, নেতৃত্বের সক্ষমতা এবং শৃঙ্খলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে। দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বেসামরিক প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রেও সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।দেশের স্বার্থে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী সেনাপ্রধানসহ বাহিনীর সব পর্যায়ের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।অনুষ্ঠানের শুরুতে সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান এবং চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস)। প্রধানমন্ত্রী সেনাসদরে উপস্থিত হয়ে ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ ২০২৬’-এর কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করায় সেনাপ্রধান তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।পরে প্রধানমন্ত্রী সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন। অনুষ্ঠান শেষে তিনি সেনাবাহিনীর পরিদর্শক বইয়ে নিজের মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ও নির্দেশনামূলক বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব নির্বাচন ও পেশাগত উৎকর্ষের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, দক্ষতা, সততা ও নেতৃত্বের গুণাবলিকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি আবারও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে।

রাজনীতি

সব বিভাগের খবর

সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা: যোগ্যতাই হোক পদোন্নতির মাপকাঠি

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ ২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। এ সময় তিনি একটি আধুনিক, দক্ষ ও পেশাদার সেনাবাহিনী গঠনে পদোন্নতির ক্ষেত্রে মেধা, যোগ্যতা, সততা ও নেতৃত্বের গুণাবলিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন।রোববার (২৬ জুলাই ২০২৬) সকালে ঢাকায় সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নির্বাচনী পর্ষদের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে একটি নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও পুনর্গঠনে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশের জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে শাহাদাতবরণকারী সেনাসদস্যদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি দক্ষ, আধুনিক ও পেশাদার সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে যোগ্য কর্মকর্তাদের যথাযথ মূল্যায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ বা কোনো ধরনের রাজনৈতিক বিবেচনা যেন প্রাধান্য না পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। বরং পদোন্নতির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মেধা, পেশাগত দক্ষতা, সততা, চারিত্রিক দৃঢ়তা, নেতৃত্বের সক্ষমতা এবং শৃঙ্খলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে। দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বেসামরিক প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রেও সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।দেশের স্বার্থে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী সেনাপ্রধানসহ বাহিনীর সব পর্যায়ের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।অনুষ্ঠানের শুরুতে সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান এবং চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস)। প্রধানমন্ত্রী সেনাসদরে উপস্থিত হয়ে ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ ২০২৬’-এর কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করায় সেনাপ্রধান তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।পরে প্রধানমন্ত্রী সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন। অনুষ্ঠান শেষে তিনি সেনাবাহিনীর পরিদর্শক বইয়ে নিজের মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ও নির্দেশনামূলক বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব নির্বাচন ও পেশাগত উৎকর্ষের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, দক্ষতা, সততা ও নেতৃত্বের গুণাবলিকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি আবারও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে।

এআই-রোবোটিক্স ও সেমিকন্ডাক্টরে সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে: প্রধানমন্ত্রী

দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উচ্চমূল্য সংযোজনভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে অন্যতম প্রধান খাত হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।তিনি বলেছেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং বিশ্ব প্রযুক্তি বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে সেমিকন্ডাক্টরসহ বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও রোবোটিক্স খাতের বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ নভোথিয়েটারে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম এবং বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স, এআই ও রোবোটিক্স (BEAR) সামিট ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী এ সামিটের আয়োজন করা হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প শুধু প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির বিকাশেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে না, বরং এ খাত দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য উচ্চ দক্ষতাভিত্তিক ও উচ্চমূল্য সংযোজনসম্পন্ন কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি ও সরবরাহ শৃঙ্খলে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আরও জোরদার হবে।তিনি জানান, দেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বিকাশে সরকার বিনিয়োগবান্ধব নীতি প্রণয়ন, কর ও শুল্ক সুবিধা প্রদান, স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী উদ্যোগে সহায়তা, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করছে। এ খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার পাশাপাশি গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্ব অর্থনীতিতে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশকে শুধু প্রযুক্তির ব্যবহারকারী হিসেবে নয়, বরং প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও উৎপাদনের সক্ষমতাসম্পন্ন দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গবেষক ও তরুণ উদ্যোক্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই দিনব্যাপী ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম এবং BEAR সামিট ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।পরে তিনি সামিটে স্থাপিত বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। এ সময় আধুনিক সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি, বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও রোবোটিক্সের সর্বশেষ উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা, প্রযুক্তিবিদ ও অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।আয়োজকরা জানান, সামিটে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের সম্ভাবনা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, বিনিয়োগের সুযোগ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, সেমিকন্ডাক্টর, এআই, রোবোটিক্স, ইলেকট্রনিক্স ও বায়োটেকনোলজির মতো উদীয়মান প্রযুক্তিখাতে বিনিয়োগ ও দক্ষতা উন্নয়নে জোর দেওয়া গেলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে পারে। একই সঙ্গে তরুণদের জন্য তৈরি হতে পারে বৈশ্বিক শ্রমবাজারের উপযোগী উচ্চ দক্ষতার কর্মসংস্থান।

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জন্য বড় উপহার, চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’

সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য চালু হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘প্রবাসী কার্ড’। আগামী আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে পরীক্ষামূলকভাবে এ কার্ডের কার্যক্রম উদ্বোধনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করা থেকে শুরু করে বিমানবন্দর, স্বাস্থ্যসেবা, পুনর্বাসন ও সরকারি বিভিন্ন সেবায় অগ্রাধিকারসহ অন্তত ১০টি বিশেষ সুবিধা পাবেন কার্ডধারীরা।শনিবার (১৮ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চামেলী হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসীদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক মানের ব্যাংকিং সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যেই চালু হচ্ছে এই কার্ড। ডুয়াল কারেন্সি সুবিধাসম্পন্ন এ কার্ডের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ও আর্থিক লেনদেন আরও সহজ হবে। এর আগে সরকারের উদ্যোগে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ক্রীড়া কার্ড বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার যুক্ত হচ্ছে প্রবাসী কার্ড।প্রবাসী কার্ডধারীরা দেশে ও বিদেশে কমপ্লিমেন্টারি এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ ব্যবহারের সুযোগ, বিশেষ ইমিগ্রেশন বুথের মাধ্যমে দ্রুত সেবা, বিমানবন্দরে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ সুবিধা, বিমান টিকিট ও হোটেল বুকিংয়ে বিশেষ ছাড় এবং সিগনেচার কার্ডধারীদের জন্য এয়ারপোর্ট পিক-অ্যান্ড-ড্রপ সুবিধা পাবেন।এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালে প্রবাসী সেবা বুথ, বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসায় বিশেষ ছাড়, কার্ডধারীর মৃত্যু হলে বিনা খরচে মরদেহ দেশে আনা, প্রবাসফেরতদের পুনর্বাসন ও বীমা সুবিধা, জমি রেজিস্ট্রেশন, নামজারি ও ইউটিলিটি সংযোগে অগ্রাধিকার, রেমিট্যান্স রিওয়ার্ড পয়েন্ট, ঋণ সুবিধা এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), পাসপোর্ট ও কনস্যুলার সেবায় বিশেষ অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা হবে।সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী ডেবিট কার্ড ইস্যু করা হবে। আগামী ডিসেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে ৫০ হাজার এবং ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে দুই লাখ প্রবাসীর হাতে এ কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক কার্ডটির সব কার্যক্রম পরিচালনা করবে।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়ে বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত সব বাংলাদেশি প্রবাসী যেন পর্যায়ক্রমে এই সুবিধার আওতায় আসতে পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী করে গড়ে তোলার নির্দেশও দেন তিনি।বৈঠকে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ ও মাহ্দী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিন ধাপের মহাপরিকল্পনা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর / ঋণনির্ভরতা থেকে উৎপাদনমুখী অর্থনীতির পথে

নিজস্ব প্রতিবেদক:দেশের অর্থনীতিকে নতুন ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে পুনরুদ্ধার, উত্তরণ ও পুনর্গঠন—এই তিন ধাপের মহাপরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে তিনি জানান, সরকারের লক্ষ্য একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরের বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি দেশের অর্থনীতিকে দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী করার একটি রূপরেখা। তিনি বাজেটকে ‘জীবনবান্ধব’ উল্লেখ করে জানান, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬১টি পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে বাজেট-পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়েনি এবং জনগণ কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে।সংসদীয় আলোচনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও সংসদ জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, অতীতের চেয়ে ভবিষ্যৎ নিয়েই বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন, কারণ দেশের মানুষ উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রত্যাশায় তাদের জনপ্রতিনিধিদের সংসদে পাঠিয়েছে।বিগত সরকারের কঠোর সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের নামে বিপুল পরিমাণ বিদেশি ঋণের বোঝা দেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার সেই অস্থিতিশীল অর্থনীতিকে শৃঙ্খলার মধ্যে এনে টেকসই ভিত্তি গড়ে তোলার চেষ্টা করছে বলেও উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, নতুন বাজেটের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, উৎপাদন সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি। সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে উন্নয়ন বাজেট ৫০ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে।ভাষণের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন,“আমরা ঋণনির্ভর নয়, উৎপাদন ও বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে চাই। এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে তরুণরা নিজেরাই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং জনগণের অর্থ কেবল জনগণের কল্যাণেই ব্যয় হবে।”

বিপ্লবী বীরদের স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন / চীনের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময়

চীনে সরকারি সফরের দ্বিতীয় দিনে শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপল-এ চীনের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এর আগে প্রধানমন্ত্রী বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক তিয়েনআনমেন স্কয়ার-এ অবস্থিত ‘মনুমেন্ট টু দ্য পিপলস হিরোজ’ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে চীনের বিপ্লবী বীরদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় বাংলাদেশ ও চীনের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। একই সঙ্গে বিউগলে বাজানো হয় সম্মানসূচক শ্রদ্ধার সুর। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে শহীদ বিপ্লবী বীরদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানান।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।চীনে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে বাংলাদেশ-চীন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাণিজ্য-বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনা, বেইজিংয়ে মুখোমুখি দুই প্রধানমন্ত্রী

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক Great Hall of the People-এ অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী Li Qiang বৈঠকে নেতৃত্ব দেন।বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় শুরু হওয়া এই বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বাগত জানায় চীন। অভিবাদন মঞ্চে চীনের সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পাশাপাশি তোপধ্বনির মাধ্যমে সম্মান জানানো হয় বাংলাদেশ সরকারপ্রধানকে। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী সামরিক কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং উভয় দেশের প্রতিনিধিদলের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ হাসান আল মাহমুদ তিতুমীর এবং শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে তিয়ানআনমেন স্কয়ার সংলগ্ন গ্রেট হল অব দ্য পিপল ও আশপাশের সড়ক বাংলাদেশ ও চীনের জাতীয় পতাকায় সজ্জিত করা হয়, যা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।এ সফরের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত World Economic Forum Annual Meeting of the New Champions-এ অংশ নেন। সেখানে বিভিন্ন কর্মসূচি শেষ করে তিনি বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছান।প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর। তবে চীনের সঙ্গে তার পরিচয়ের ইতিহাস দীর্ঘদিনের। ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী Khaleda Zia-এর সফরসঙ্গী হিসেবে তিনি চীন সফর করেছিলেন এবং একই গ্রেট হলে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনায় উপস্থিত ছিলেন।কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতায় আরও শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করবে।

ফাইনালে ওঠার রাতে দ্বিমুকুট: স্পেনকে টপকে ফের ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে আর্জেন্টিনা

ফাইনালে ওঠার রাতে দ্বিমুকুট: স্পেনকে টপকে ফের ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে আর্জেন্টিনা

মাঠের পারফরম্যান্সে যেমন অপ্রতিরোধ্য, মাঠের বাইরের কাগজ-কলমের লড়াইয়েও আবারও সেরা প্রমাণিত হলো আলবিসেলেস্তেরা। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার পাশাপাশি ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর সিংহাসন পুনরুদ্ধার করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।বুধবার (১৫ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে পরাজিত করে ফাইনাল নিশ্চিত করে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। আর এই জয়েই এসেছে ডাবল বোনাস—শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার।২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার সময়ও ১ হাজার ৮৭৪.৮১ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে এক নম্বরেই ছিল আর্জেন্টিনা। তবে টুর্নামেন্ট চলাকালীন গত ২ জুলাই প্রকাশিত লাইভ র‌্যাঙ্কিংয়ের হালনাগাদে ১ হাজার ৯১৬.২৪ পয়েন্ট নিয়ে আর্জেন্টিনাকে টপকে শীর্ষে উঠে গিয়েছিল ফ্রান্স। ফরাসিরা বিশ্বকাপ শুরুর আগে তৃতীয় স্থানে থাকলেও সেমিফাইনাল পর্যন্ত নিজেদের দাপট বজায় রেখে এক নম্বর স্থানটি ধরে রাখে।তবে ভাগ্য বদলায় সেমিফাইনালে। অপর সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে যাওয়ায় শীর্ষস্থান থেকে ছিটকে যায় দিদিয়ের দেশমের ফ্রান্স। অপরদিকে, শক্তিশালী ইংল্যান্ডকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা পায় মূল্যবান ২৬.৯০ রেটিং পয়েন্ট। ফলে মোট ১ হাজার ৯৭০.৩৭ পয়েন্ট নিয়ে আবারও টেবিলের সবার উপরে জায়গা করে নেয় আর্জেন্টিনা।ফ্রান্সকে বিদায় করে ফাইনালে পা রাখা স্পেনও র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ দিয়েছে। সেমিফাইনালে জয়ের সুবাদে তারা ৩০.৮২ রেটিং পয়েন্ট অর্জন করে মোট ১ হাজার ৯৬৫.৬১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ফলে ফাইনালে কেবল ট্রফির লড়াই-ই হচ্ছে না, এটি মূলত র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দুই দলের মধ্যকার শ্রেষ্ঠত্বের মহালড়াই হতে যাচ্ছে।মেসির চোট ও দলের ফর্ম নিয়ে বিশ্বকাপের শুরুতে বেশ কিছু শঙ্কা থাকলেও, নকআউট পর্বের ধারাবাহিকতা প্রমাণ করেছে কেন এই দলটি বিশ্বসেরা। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি আলবিসেলেস্তে সমর্থকরা এখন দ্বিগুণ উৎসাহে মেগা ফাইনালের অপেক্ষা করছেন, যেখানে ট্রফি ধরে রাখার পাশাপাশি র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি আরও মজবুত করার মিশন নিয়ে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা

ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর, পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে নতুন ইতিহাস

ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর, পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে নতুন ইতিহাস

দেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো শক্তিশালী পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জয় এবং ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২০ মে) এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা জানান।বুধবার সিলেটে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করে টাইগাররা। এর আগে মিরপুরে প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ ১০৪ রানের জয় তুলে নেয়। ফলে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ।এই ঐতিহাসিক জয়ের ফলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় ভারতকে পেছনে ফেলে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের অর্জন ৫৮.৩৩ শতাংশ পয়েন্ট, যেখানে ভারতের রয়েছে ৪৮.১৫ শতাংশ পয়েন্ট।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের এই সাফল্য ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং দেশের তরুণ প্রজন্ম খেলাধুলার প্রতি আরও বেশি উৎসাহিত হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দলীয় ঐক্য, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস ধরে রেখে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বিশ্বমঞ্চে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে।তিনি খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ 

প্রিমিয়ার লিগেও সেরার মুকুট পরলেন সালাহ

প্রিমিয়ার লিগেও সেরার মুকুট পরলেন সালাহ

লিভারপুলের শিরোপা জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রেখে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের চলতি মৌসুমের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হলেন মোহামেদ সালাহ। এর আগে ফুটবল রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভোটে ইংলিশ ফুটবলের বর্ষসেরা নির্বাচিত হয়েছেন এই মিসরীয় ফরোয়ার্ড।২০২৪-২৫ প্রিমিয়ার লিগের এখনো শেষ রাউন্ড বাকি। তবে এর আগেই শনিবার (২৪ মে) মৌসুমের সেরা খেলোয়াড় হিসাবে সালাহর নাম জানিয়ে দিল লিগ কর্তৃপক্ষ।নতুন কোচ আর্নে স্লটের অধীনে এবার চার ম্যাচ বাকি থাকতে প্রিমিয়ার লিগের রাজত্ব পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করে লিভারপুল। দলের সাফল্যে নিয়মিত গোল করে এবং করিয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন সালাহ। এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২৮ গোল করার পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি ১৮টি গোল বানিয়ে দিয়েছেন তিনি।রোববার (২৫ মে) মৌসুমের শেষ ম্যাচে ঘরের মাঠে ক্রিস্টাল প্যালেসের মুখোমুখি হবে লিভারপুল। শেষ রাউন্ডে নাটকীয় কিছু না হলে চতুর্থবার গোল্ডেন বুট জিতে আর্সেনাল কিংবদন্তি থিয়েরি অঁরির রেকর্ড স্পর্শ করবেন সালাহ।

এআই-রোবোটিক্স ও সেমিকন্ডাক্টরে সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে: প্রধানমন্ত্রী

দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উচ্চমূল্য সংযোজনভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে অন্যতম প্রধান খাত হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।তিনি বলেছেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং বিশ্ব প্রযুক্তি বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে সেমিকন্ডাক্টরসহ বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও রোবোটিক্স খাতের বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ নভোথিয়েটারে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম এবং বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স, এআই ও রোবোটিক্স (BEAR) সামিট ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী এ সামিটের আয়োজন করা হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প শুধু প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির বিকাশেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে না, বরং এ খাত দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য উচ্চ দক্ষতাভিত্তিক ও উচ্চমূল্য সংযোজনসম্পন্ন কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি ও সরবরাহ শৃঙ্খলে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আরও জোরদার হবে।তিনি জানান, দেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বিকাশে সরকার বিনিয়োগবান্ধব নীতি প্রণয়ন, কর ও শুল্ক সুবিধা প্রদান, স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী উদ্যোগে সহায়তা, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করছে। এ খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার পাশাপাশি গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্ব অর্থনীতিতে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশকে শুধু প্রযুক্তির ব্যবহারকারী হিসেবে নয়, বরং প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও উৎপাদনের সক্ষমতাসম্পন্ন দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গবেষক ও তরুণ উদ্যোক্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই দিনব্যাপী ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম এবং BEAR সামিট ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।পরে তিনি সামিটে স্থাপিত বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। এ সময় আধুনিক সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি, বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও রোবোটিক্সের সর্বশেষ উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা, প্রযুক্তিবিদ ও অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।আয়োজকরা জানান, সামিটে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের সম্ভাবনা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, বিনিয়োগের সুযোগ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, সেমিকন্ডাক্টর, এআই, রোবোটিক্স, ইলেকট্রনিক্স ও বায়োটেকনোলজির মতো উদীয়মান প্রযুক্তিখাতে বিনিয়োগ ও দক্ষতা উন্নয়নে জোর দেওয়া গেলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে পারে। একই সঙ্গে তরুণদের জন্য তৈরি হতে পারে বৈশ্বিক শ্রমবাজারের উপযোগী উচ্চ দক্ষতার কর্মসংস্থান।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ (Ministry of Water Resources MOWR Job Circular 2026) পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইটে ১৪ মে ২০২৬ ইং প্রকাশিত হয়েছে।MOWR Job Circular 2026 এর স্নারক নম্বর: ৪২.০০.০০০০.০০০.০৩২.১১.০০১৩.২৬.৭৪, তারিখ ১৩ মে ২০২৬ ইং।পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এই জব সার্কুলারের মাধ্যমে মোট ৩৭ জন যোগ্যতা সম্পন্ন নারী ও পুরুষকে ০৪টি চাকরির ক্যাটাগরিতে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ দিবে। নির্বাচিত প্রার্থীদের ১৩, ১৬ ও ২০তম বেতন গ্রেড প্রদান করা হবে।নিচে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ বা MOWR Job Circular 2026 এর পদবিবরণ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, বেতন স্কেল ও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সার্কুলারের গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচিবিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ১২ মে ২০২৬ ইং।বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন: ১৪ মে ২০২৬ ইং।আবেদন শুরুর দিন: ১৯ মে ২০২৬ ইং, সকাল ১০:০০ ঘটিকা।আবেদনের শেষ দিন: ০৮ জুন ২০২৬ ইং, বিকেল ৫:০০ ঘটিকায়।১সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর (গ্রেড-১৩)১০ জন১১,০০০ – ২৬,৫৯০/-২কম্পিউটার অপারেটর (গ্রেড-১৩)০২ জন১১,০০০ – ২৬,৫৯০/-৩অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (গ্রেড-১৬)০৯ জন৯,৩০০ – ২২,৪৯০/-৪অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০)১৬ জন৮,২৫০ – ২০,০১০/-০১সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটরস্নাতক বা সমমান।কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সাঁটলিপিতে ইংরেজিতে ৭০ ও বাংলায় ৪৫ শব্দ/মিনিট; কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে ইংরেজিতে ৩০ ও বাংলায় ২৫ শব্দ/মিনিট; Word Processing, ই-মেইল ও ফ্যাক্স পরিচালনায় দক্ষতা০২কম্পিউটার অপারেটর বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক (সম্মান) বা সমমান।কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে বাংলায় ২৫ ও ইংরেজিতে ৩০ শব্দ/মিনিট; Standard Aptitude Test-এ উত্তীর্ণ০৩অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিকস্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক বা সমমান।কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত; মুদ্রাক্ষরে বাংলায় ২০ ও ইংরেজিতে ২০ শব্দ/মিনিট; Word Processing, ই-মেইল ও ফ্যাক্স পরিচালনায় দক্ষতা থাকা লাগবে।০৪অফিস সহায়কমাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমান পাস।কোন অভিজ্ঞতা প্রয়োজন নেই।পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬নিদিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে ০৪টি জব ক্যাটাগরিতে ৩৭ জন নারী ও পুরুষকে নিয়োগের জন্য বাংলাদেশের নির্দিষ্ট জেলার নাগরিককে চাকরিতে আবেদন করার জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় আহ্বান করেছে।পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরিতে আবেদন করার গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হচ্ছে আপনাকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে ও পদের প্রয়োজনে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়োগ ২০২৬ এ শুধুমাত্র ০১ মে ২০২৬ ইং তারিখে বাংলাদেশী ১৮ (আঠারো) বৎসরের ঊর্ধ্বে  ও ৩২ (বত্রিশ) বৎসরের মধ্যে নারী ও পুরুষ (Female & Male)  শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পদের অজ্ঞিতা অনুযায়ী আবেদন করতে পারবে।পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরির আবেদনের ক্ষেত্রে কিছু পদের জন্য অভিজ্ঞতা (Experience) প্রয়োজন রয়েছে আবার কিছু পদের জন্য অভিজ্ঞতার কোন প্রয়োজন নেই।পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়োগ ২০২৬কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসারে, এই পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরির আবেদন শুধুমাত্র অনলাইনে গ্রহণ করবে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরির অনলাইন আবেদন নির্দিষ্ট সময় ব্যাপী চলমান থাকবে।এই সময়ের ভিতরেই https://mowr.teletalk.com.bd প্রবেশ করে সকল শিক্ষাগত সার্টিফিকেটের তথ্য, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, রঙিন ছবি, (Passport Size Photo) স্বাক্ষরের ছবি দিয়ে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরির আবেদন সম্পূর্ণ করার জন্য টেলিটক প্রিপেইড (Teletalk Pre-Paid) মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে ০২টি এসএমএস (SMS) এর মাধ্যমে পদ অনুযায়ী নিচের আবেদন ফি জমা দিতে হবে।পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরির আবেদন ফরম জমা দেওয়ার পর ৭২ ঘণ্টার চাকরির আবেদন ফি জমা দিতে হবে। তা না হলে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরির আবেদন অটোমেটিক বাতিল হয়ে যাবে।পদ অনুযায়ী পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরির আবেদন ফি পদ সংখ্যা / গ্রুপমূল ফিসার্ভিস চার্জমোট ফি১ – ৩ নং পদ১০০/-+ ১২/-১১২/-৪ নং পদ৫০/-+ ৬/-৫৬/-প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও তৃতীয় লিঙ্গ৫০/-০৬/-৫৬/-নিচের টেবিলে ‍MOWR সার্কুলারের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো ধাপে ধাপে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানার জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় জব সার্কুলার 2026 এর নিচের টেবিল মনোযোগ দিয়ে দেখুন।বিষয়গুরুত্বপূর্ণ তথ্যনিয়োগকর্তার নামপানি সম্পদ মন্ত্রণালয়।সংস্থার ধরনসরকারি।চাকরির ধরনসরকারি চাকরি।চাকরিরর সময়ফুল-টাইম।মোট পদ ক্যাটাগরি০৪টি।মোট নিয়োগ সংখ্যা৩৭ জন।জাতীয়তাবাংলাদেশি নাগরিক।জেন্ডারনারী ও পুরষ।শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি/সমমান পাশ, এইচএসসি/সমমান পাশ, স্নাতক বা সমমান পাশ লাগবে চাকরির পদ অনুযায়ী।অভিজ্ঞতানতুনরা ও অভিজ্ঞতা যাদের আছে উভয় আবেদন করতে পারবে, চাকরির পদ অনুযায়ী।বয়সসীমা০১ মে ২০২৬ ইং হিসাব করে, সাধারণ প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩২ বৎসর লাগবে।বেতন স্কেল৮,২৫০/- থেকে ২৬,৫৯০/- টাকা।অতিরিক্ত সুবিধাসরকারি ভাতা, উৎসব বোনাস, পেনশন সুবিধা।আবেদনের পদ্ধতিঅনলাইনে করতে হবে।আবেদনের লিংকhttps://mowr.teletalk.com.bd।আবেদন ফি৫৬ ও ১১২/- টাকা, পদ অনুযায়ী।ফি জমার পদ্ধতিটেলিটক প্রিপেইড (Teletalk Pre-Paid) মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে ‍SMS এর মাধ্যমে।ফি জমার সময়সীমাআবেদনের পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে।পরীক্ষার ধরনলিখিত, মৌখিক ও কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা পরীক্ষা। (পদ অনুযায়ী)প্রবেশপত্রএসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে।জারির দিন১৩ মে ২০২৬।বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ১৪ মে ২০২৬।আবেদন শুরু১৯ মে ২০২৬, সকাল ১০:০০টা।আবেদনের শেষ তারিখ০৮ জুন ২০২৬, বিকেল ৫:০০টা।অফিশিয়াল ওয়েবসাইটhttps://mowr.gov.bd/ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ অফিসিয়াল ইমেজ/PDFপানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরির বিজ্ঞপ্তির সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানার জন্য অফিশিয়াল চাকরি সার্কুলার ইমেজ অবশ্যই পড়া লাগবে।আপনি খুব সহজেই পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় শূন্য পদের নাম, শূন্য পদের সংখ্যা চাকরির বেতন, আবেদনের শিক্ষাগত যোগ্যতা, আবেদন করার বয়স, অভিজ্ঞতা, আবেদন করার নিয়মসহ, সকল প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিচের সংযুক্ত করা অফিশিয়াল সার্কুলার ইমেজ থেকে জানতে পারবেন।আমরা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরিপ্রার্থীদের সুবিধার্থে নিচে অফিসিয়াল জব সার্কুলার ইমেজ সংযুক্ত করে দিয়েছি, যাতে করে একজন চাকরিপ্রার্থী এখান থেকে তার চাকরির সম্পর্কিত সকল প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে আবেদন করতে পারে।

মোট ১৮ ঘণ্টা ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে

মোট ১৮ ঘণ্টা ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে

গ্যাস পাইপলাইন প্রতিস্থাপন কাজের জন্য আগামী রোববার (১৭ মে) রাত ১১টা থেকে ১৮ মে (সোমবার) বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ১৮ ঘণ্টা ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।শনিবার (১৬ মে) দুপুরে তিতাস গ্যাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।তিতাস জানায়, এ সময় আমিনবাজার ডিআরএস (ডিস্ট্রিক্ট রেগুলেটিং স্টেশন) থেকে নবীনগর পর্যন্ত মহাসড়কের উভয় পাশের এলাকা, বলিয়ারপুর, হেমায়েতপুর, চামড়া শিল্পনগরী, সিংগাইর রোড, ফুলবাড়িয়া, নবীনগর, সাভার পৌর এলাকা, সাভার ক্যান্টনমেন্ট, আশুলিয়া বাজার, গৌরীপুর, কুমকুমারী, রাজাশন, কলমা ও তৎসংলগ্ন এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।এছাড়াও আশপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে। সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

হাবিব-কায়া কই রইলা রে, সঙ্গে চমক মুজা আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রকাশ পেতে যাচ্ছে

২২ বছর পর / হাবিব-কায়া কই রইলা রে, সঙ্গে চমক মুজা আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রকাশ পেতে যাচ্ছে

২০০৩ সালে পপ ও লোকগানের ফিউশন নিয়ে প্রকাশ পেয়েছিল কালজয়ী অ্যালবাম 'কৃষ্ণ'। সে সময় হাবিব ওয়াহিদ এবং কায়ার সেই যুগলবন্দী দেশের তরুণ শ্রোতাদের মাঝে রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। দীর্ঘ প্রায় ২২ বছর পর আবারও একসঙ্গে মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়ালেন তিন প্রজন্মের তিন তারকা—হাবিব ওয়াহিদ, কায়া এবং 'নয়া দামান' খ্যাত তরুণ সংগীতশিল্পী মুজা।​আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রকাশ পেতে যাচ্ছে তাদের নতুন গান 'কই রইলা রে'। আজ, ২৭ মে ২০২৬ (বুধবার), হাবিব ওয়াহিদের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে গানটি অবমুক্ত করা হচ্ছে।​পর্দার পেছনের গল্প​জানা গেছে, 'কই রইলা রে' গানটির মূল রেকর্ডিং আজ থেকে প্রায় ১৭ বছর আগে, অর্থাৎ ২০০৯ সালে করা হয়েছিল। কায়াকে নিয়ে হাবিব গানটির কাজ শুরু করলেও নানা কারণে তা আর আলোর মুখ দেখেনি। এত বছর ধরে গানটি বিভিন্ন হার্ড ড্রাইভে সংরক্ষিত ছিল। গানটির মূল গীতিকার ও সুরকার সৈয়দ দুলাল, যিনি বর্তমানে ইংল্যান্ডে বসবাস করছেন।​আধুনিক ছোঁয়া ও আধ্যাত্মিক ভাবধারা​মূল গানটি রিমেক করা হলেও বর্তমান সময়ের শ্রোতাদের রুচি বিবেচনা করে এর মিউজিক কম্পোজিশন ও অ্যারেঞ্জমেন্টে নতুন স্টাইল ও অ্যাপ্রোচ ব্যবহার করেছেন হাবিব। একই সঙ্গে হাবিব ও মুজার অংশের জন্য কিছু নতুন বাংলা ও ইংরেজি কথা যোগ করা হয়েছে, যার লিরিক লিখেছেন বাঁধন ও মুজা। এটি মূলত একটি আধ্যাত্মিক ঘরানার গান, যেখানে জীবনের ছোট ছোট সুন্দর মুহূর্তগুলোর মাঝে স্রষ্টার অস্তিত্ব বা মানসিক প্রশান্তি খুঁজে পাওয়ার কথা বলা হয়েছে।​​গানটি নিয়ে ভীষণ রোমাঞ্চিত হাবিব ওয়াহিদ। তিনি জানান:​"কায়া ভাইয়ের মাধ্যমে সিলেটি গান দিয়ে আমার ক্যারিয়ারের শুরুটা হয়েছিল। আর মুজাও সিলেটের ছেলে, সে ছোটবেলা থেকেই আমাদের 'কৃষ্ণ', 'মায়া' অ্যালবাম শুনে বড় হয়েছে। তিন প্রজন্মের এই মেলবন্ধন আমাদের জন্য একটি দারুণ স্মৃতি হয়ে থাকবে।"​গানটির মিউজিক ভিডিও পরিচালনা করেছেন মীর আব্দুল্লাহ আল মাক্কী। দুই দশক পর হাবিব-কায়াকে একসঙ্গে দেখার পাশাপাশি মুজার উপস্থিতি শ্রোতাদের জন্য এবারের ঈদে এক বড় চমক হতে যাচ্ছে বলে আশা করা হচ্ছে।

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে আনসারের তণ্ডব: অসুস্থ স্ত্রীর সামনেই স্বামী ও ১৩ মাসের শিশুকে মারধরের অভিযোগ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে আনসারের তণ্ডব: অসুস্থ স্ত্রীর সামনেই স্বামী ও ১৩ মাসের শিশুকে মারধরের অভিযোগ

রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে গিয়ে চরম হেনস্তা, মানসিক নির্যাতন ও শারীরিক হামলার শিকার হয়েছেন এক মানবাধিকার কর্মী ও তাঁর পরিবার। গত ২১ জুলাই (মঙ্গলবার) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এই ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে। এমনকি মায়ের কোলে থাকা মাত্র ১৩ মাস বয়সী এক শিশুর গায়েও হাত তোলার অভিযোগ উঠেছে সেখানে দায়িত্বরত এক আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে। এই নির্মম ঘটনায় সাধারণ রোগী ও পথচারীদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।​ভুক্তভোগী মানবাধিকার কর্মী ওমর ফারুক মিল্লাত জানান, গত মঙ্গলবার দুপুরে তিনি তাঁর স্ত্রী ও ১৩ মাস বয়সী অসুস্থ শিশুকে নিয়ে কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান। ডাক্তার দেখানো শেষে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর স্ত্রী হঠাৎ প্রচণ্ড ক্লান্তি ও অসুস্থতা বোধ করেন। হাঁটার শক্তি হারিয়ে ফেলায় তিনি পাশে থাকা একটি খালি চেয়ারে সামান্য সময়ের জন্য বসার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেখানে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা তাঁকে বসার অনুমতি না দিয়ে অত্যন্ত অমানবিক আচরণ করে বাধা প্রদান করে।​এ সময় ওমর ফারুক তাঁর স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা ও মানবিক দিক বিবেচনা করে মাত্র কয়েক মিনিট বসার জন্য আকুল মিনতি ও বারবার অনুরোধ করেন। কিন্তু এতে বিন্দুমাত্র দয়া না দেখিয়ে উল্টো তীব্র ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে দায়িত্বরত আনসার সদস্য রহিদুল। ​বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে আনসার সদস্য রহিদুল সম্পূর্ণ বেপরোয়া হয়ে ওঠে। সে মানবাধিকার কর্মী ওমর ফারুকের কোলে থাকা  ১৩ মাসের নিষ্পাপ শিশুটির ওপর চড়াও হয় এবং শিশুসহ বাবার গায়ে সজোরে থাপ্পড় মারে। শুধু তা-ই নয়, অসুস্থ স্ত্রীর সামনেই ওমর ফারুকের জামার কলার ধরে হিঁচড়ে ও ধাক্কাধাক্কি করে একটি বন্ধ কামরায় নিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা চালায়। ​এ সময় শিশুর আর্তচিৎকার ও বাবার আকুতিতে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আশপাশে থাকা সাধারণ রোগী, স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা দ্রুত এগিয়ে এসে আনসারের অমানবিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানান এবং ভুক্ত ভোগী পরিবারটিকে উদ্ধার করেন। ​ঘটনার সময় উপস্থিত সচেতন সাধারণ মানুষ পুরো ন্যক্কারজনক দৃশ্যটি নিজেদের মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। পরবর্তীতে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে নেটিজেনদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় ওঠে। ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে চ্যানেল আই নিউজসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় একাধিক জাতীয় গণমাধ্যম ও অনলাইন পোর্টালে প্রচারিত ও প্রকাশিত হয়।​ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি উত্তরা পূর্ব থানা পুলিশের নজরে আসে। উত্তরা পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অনতিবিলম্বে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে থানায় ডেকে পাঠান। ভুক্তভোগী ওমর ফারুক থানায় উপস্থিত হয়ে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ ও লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন। ওসি বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক ও নজিরবিহীন আখ্যা দিয়ে আশ্বস্ত করেন যে, অপরাধী আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।​তবে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, ঘটনার পর থানা পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা বিষয়টি সম্পূর্ণ এড়িয়ে যায়। প্রশাসনিকভাবে কোনো ধরনের সহযোগিতা তো দূরে থাক, উল্টো ঘটনার গুরুত্ব অনুধাবন না করে পুরো বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।​সরকারি একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে এমন নির্মম নির্যাতন ও অবোধ শিশুর ওপর হামলার ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। সাধারণ সেবাপ্রার্থীরা প্রশ্ন তুলেছেন—সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ও সেবার নামে যদি এভাবে সাধারণ মানুষকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়, তবে মানুষ যাবে কোথায় ভুক্তভোগী পরিবার এবং সচেতন নাগরিক সমাজ অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষী আনসার সদস্য রহিদুলসহ সংশ্লিষ্টদের চাকরিচ্যুত করা এবং কঠোর আইনগত শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন।

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে আনসারের তণ্ডব: অসুস্থ স্ত্রীর সামনেই স্বামী ও ১৩ মাসের শিশুকে মারধরের অভিযোগ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে আনসারের তণ্ডব: অসুস্থ স্ত্রীর সামনেই স্বামী ও ১৩ মাসের শিশুকে মারধরের অভিযোগ

রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে গিয়ে চরম হেনস্তা, মানসিক নির্যাতন ও শারীরিক হামলার শিকার হয়েছেন এক মানবাধিকার কর্মী ও তাঁর পরিবার। গত ২১ জুলাই (মঙ্গলবার) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এই ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে। এমনকি মায়ের কোলে থাকা মাত্র ১৩ মাস বয়সী এক শিশুর গায়েও হাত তোলার অভিযোগ উঠেছে সেখানে দায়িত্বরত এক আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে। এই নির্মম ঘটনায় সাধারণ রোগী ও পথচারীদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।​ভুক্তভোগী মানবাধিকার কর্মী ওমর ফারুক মিল্লাত জানান, গত মঙ্গলবার দুপুরে তিনি তাঁর স্ত্রী ও ১৩ মাস বয়সী অসুস্থ শিশুকে নিয়ে কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান। ডাক্তার দেখানো শেষে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর স্ত্রী হঠাৎ প্রচণ্ড ক্লান্তি ও অসুস্থতা বোধ করেন। হাঁটার শক্তি হারিয়ে ফেলায় তিনি পাশে থাকা একটি খালি চেয়ারে সামান্য সময়ের জন্য বসার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেখানে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা তাঁকে বসার অনুমতি না দিয়ে অত্যন্ত অমানবিক আচরণ করে বাধা প্রদান করে।​এ সময় ওমর ফারুক তাঁর স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা ও মানবিক দিক বিবেচনা করে মাত্র কয়েক মিনিট বসার জন্য আকুল মিনতি ও বারবার অনুরোধ করেন। কিন্তু এতে বিন্দুমাত্র দয়া না দেখিয়ে উল্টো তীব্র ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে দায়িত্বরত আনসার সদস্য রহিদুল। ​বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে আনসার সদস্য রহিদুল সম্পূর্ণ বেপরোয়া হয়ে ওঠে। সে মানবাধিকার কর্মী ওমর ফারুকের কোলে থাকা  ১৩ মাসের নিষ্পাপ শিশুটির ওপর চড়াও হয় এবং শিশুসহ বাবার গায়ে সজোরে থাপ্পড় মারে। শুধু তা-ই নয়, অসুস্থ স্ত্রীর সামনেই ওমর ফারুকের জামার কলার ধরে হিঁচড়ে ও ধাক্কাধাক্কি করে একটি বন্ধ কামরায় নিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা চালায়। ​এ সময় শিশুর আর্তচিৎকার ও বাবার আকুতিতে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আশপাশে থাকা সাধারণ রোগী, স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা দ্রুত এগিয়ে এসে আনসারের অমানবিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানান এবং ভুক্ত ভোগী পরিবারটিকে উদ্ধার করেন। ​ঘটনার সময় উপস্থিত সচেতন সাধারণ মানুষ পুরো ন্যক্কারজনক দৃশ্যটি নিজেদের মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। পরবর্তীতে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে নেটিজেনদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় ওঠে। ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে চ্যানেল আই নিউজসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় একাধিক জাতীয় গণমাধ্যম ও অনলাইন পোর্টালে প্রচারিত ও প্রকাশিত হয়।​ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি উত্তরা পূর্ব থানা পুলিশের নজরে আসে। উত্তরা পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অনতিবিলম্বে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে থানায় ডেকে পাঠান। ভুক্তভোগী ওমর ফারুক থানায় উপস্থিত হয়ে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ ও লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন। ওসি বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক ও নজিরবিহীন আখ্যা দিয়ে আশ্বস্ত করেন যে, অপরাধী আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।​তবে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, ঘটনার পর থানা পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা বিষয়টি সম্পূর্ণ এড়িয়ে যায়। প্রশাসনিকভাবে কোনো ধরনের সহযোগিতা তো দূরে থাক, উল্টো ঘটনার গুরুত্ব অনুধাবন না করে পুরো বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।​সরকারি একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে এমন নির্মম নির্যাতন ও অবোধ শিশুর ওপর হামলার ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। সাধারণ সেবাপ্রার্থীরা প্রশ্ন তুলেছেন—সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ও সেবার নামে যদি এভাবে সাধারণ মানুষকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়, তবে মানুষ যাবে কোথায় ভুক্তভোগী পরিবার এবং সচেতন নাগরিক সমাজ অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষী আনসার সদস্য রহিদুলসহ সংশ্লিষ্টদের চাকরিচ্যুত করা এবং কঠোর আইনগত শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন।

জাতীয় সংসদের বিদ্যমান সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়ন ও প্রতিস্থাপনের লক্ষ্যে উচ্চপর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত সমাধান উপস্থাপন করা হয়। / জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নে উচ্চপর্যায়ের সভা

চা শিল্পের সংকট সমাধানে বড় উদ্যোগ, বিশেষ কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা: যোগ্যতাই হোক পদোন্নতির মাপকাঠি

রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক দায়মুক্তি রয়েছে, আদালতে মামলা গ্রহণযোগ্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কোন পোস্ট নেই !
কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে আনসারের তণ্ডব: অসুস্থ স্ত্রীর সামনেই স্বামী ও ১৩ মাসের শিশুকে মারধরের অভিযোগ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে আনসারের তণ্ডব: অসুস্থ স্ত্রীর সামনেই স্বামী ও ১৩ মাসের শিশুকে মারধরের অভিযোগ

রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে গিয়ে চরম হেনস্তা, মানসিক নির্যাতন ও শারীরিক হামলার শিকার হয়েছেন এক মানবাধিকার কর্মী ও তাঁর পরিবার। গত ২১ জুলাই (মঙ্গলবার) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এই ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে। এমনকি মায়ের কোলে থাকা মাত্র ১৩ মাস বয়সী এক শিশুর গায়েও হাত তোলার অভিযোগ উঠেছে সেখানে দায়িত্বরত এক আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে। এই নির্মম ঘটনায় সাধারণ রোগী ও পথচারীদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।​ভুক্তভোগী মানবাধিকার কর্মী ওমর ফারুক মিল্লাত জানান, গত মঙ্গলবার দুপুরে তিনি তাঁর স্ত্রী ও ১৩ মাস বয়সী অসুস্থ শিশুকে নিয়ে কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান। ডাক্তার দেখানো শেষে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর স্ত্রী হঠাৎ প্রচণ্ড ক্লান্তি ও অসুস্থতা বোধ করেন। হাঁটার শক্তি হারিয়ে ফেলায় তিনি পাশে থাকা একটি খালি চেয়ারে সামান্য সময়ের জন্য বসার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেখানে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা তাঁকে বসার অনুমতি না দিয়ে অত্যন্ত অমানবিক আচরণ করে বাধা প্রদান করে।​এ সময় ওমর ফারুক তাঁর স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা ও মানবিক দিক বিবেচনা করে মাত্র কয়েক মিনিট বসার জন্য আকুল মিনতি ও বারবার অনুরোধ করেন। কিন্তু এতে বিন্দুমাত্র দয়া না দেখিয়ে উল্টো তীব্র ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে দায়িত্বরত আনসার সদস্য রহিদুল। ​বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে আনসার সদস্য রহিদুল সম্পূর্ণ বেপরোয়া হয়ে ওঠে। সে মানবাধিকার কর্মী ওমর ফারুকের কোলে থাকা  ১৩ মাসের নিষ্পাপ শিশুটির ওপর চড়াও হয় এবং শিশুসহ বাবার গায়ে সজোরে থাপ্পড় মারে। শুধু তা-ই নয়, অসুস্থ স্ত্রীর সামনেই ওমর ফারুকের জামার কলার ধরে হিঁচড়ে ও ধাক্কাধাক্কি করে একটি বন্ধ কামরায় নিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা চালায়। ​এ সময় শিশুর আর্তচিৎকার ও বাবার আকুতিতে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আশপাশে থাকা সাধারণ রোগী, স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা দ্রুত এগিয়ে এসে আনসারের অমানবিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানান এবং ভুক্ত ভোগী পরিবারটিকে উদ্ধার করেন। ​ঘটনার সময় উপস্থিত সচেতন সাধারণ মানুষ পুরো ন্যক্কারজনক দৃশ্যটি নিজেদের মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। পরবর্তীতে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে নেটিজেনদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় ওঠে। ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে চ্যানেল আই নিউজসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় একাধিক জাতীয় গণমাধ্যম ও অনলাইন পোর্টালে প্রচারিত ও প্রকাশিত হয়।​ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি উত্তরা পূর্ব থানা পুলিশের নজরে আসে। উত্তরা পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অনতিবিলম্বে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে থানায় ডেকে পাঠান। ভুক্তভোগী ওমর ফারুক থানায় উপস্থিত হয়ে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ ও লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন। ওসি বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক ও নজিরবিহীন আখ্যা দিয়ে আশ্বস্ত করেন যে, অপরাধী আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।​তবে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, ঘটনার পর থানা পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা বিষয়টি সম্পূর্ণ এড়িয়ে যায়। প্রশাসনিকভাবে কোনো ধরনের সহযোগিতা তো দূরে থাক, উল্টো ঘটনার গুরুত্ব অনুধাবন না করে পুরো বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।​সরকারি একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে এমন নির্মম নির্যাতন ও অবোধ শিশুর ওপর হামলার ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। সাধারণ সেবাপ্রার্থীরা প্রশ্ন তুলেছেন—সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ও সেবার নামে যদি এভাবে সাধারণ মানুষকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়, তবে মানুষ যাবে কোথায় ভুক্তভোগী পরিবার এবং সচেতন নাগরিক সমাজ অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষী আনসার সদস্য রহিদুলসহ সংশ্লিষ্টদের চাকরিচ্যুত করা এবং কঠোর আইনগত শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন।

কোন পোস্ট নেই !

সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে গণমাধ্যমের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

১৬ জুন: গণমাধ্যমকে দলীয় পক্ষপাত বা সরকারের তোষামোদ থেকে বেরিয়ে এসে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, “সত্যকে সত্য হিসেবেই জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। গণমাধ্যমের মূল দায়িত্ব হলো নিরপেক্ষভাবে তথ্য পরিবেশন করা।”সোমবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও বার্তা সম্পাদকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ইতিবাচক পরিবর্তন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনস্বার্থ রক্ষায় গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এ ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি গণমাধ্যমকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।সভায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান ও মাহদী আমিনসহ বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।মতবিনিময় সভায় টেলিভিশন শিল্পের বর্তমান সংকট, সাংবাদিকদের পেশাগত চ্যালেঞ্জ, চাকরির নিরাপত্তা, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা টেলিভিশন শিল্পকে একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্পখাত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানান।বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব আবু আবদুল্লাহ এম. ছালেহ (সালেহ শিবলী) জানান, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতেও গণমাধ্যমের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও জানান, আগামী ১৮ জুন এ বিষয়ে অংশীজনদের নিয়ে একটি সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা দ্রুত একটি কার্যকর গণমাধ্যম কমিশন গঠন, চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

দুদকের মামলায় ইন্টারপোলের সহায়তা / দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই সিটি পুলিশ। বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।রোববার (১৪ জুন) পুলিশ সদর দপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইন্টারপোলের সহায়তায় সাবেক এই আইজিপিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, গত ১২ জুন পাঠানো একটি চিঠির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানানো হয়েছে।তবে বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনা বা তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।