ঢাকা   শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
English
ই-পেপার
ইছামতি

বাংলাদেশ-ইরান সম্পর্ক জোরদার ও মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ঐক্যের আহ্বান / রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬: বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতে দুই দেশের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত ও আঞ্চলিক শান্তি-স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা হয়।সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিভিন্ন দিক উঠে আসে। একই সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। সাম্প্রতিক সময়ে অঞ্চলটির সংঘাত ঘিরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ বাড়ার প্রেক্ষাপটে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংকট নিরসন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ইরানের রাষ্ট্রদূত এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা করেছেন।রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সংলাপ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন বলে জানা গেছে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় ঢাকা-তেহরান সম্পর্কের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নিয়েও বাংলাদেশের অবস্থান ও কূটনৈতিক যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে জ্বালানি, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে। চলতি মাসের শুরুতেও ইরানের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহ ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন।বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত হিসেবে ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি দায়িত্ব পালন করছেন। ইরানের ঢাকাস্থ দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।কূটনৈতিক মহলের দৃষ্টিতে, রাষ্ট্রপতি ও ইরানের রাষ্ট্রদূতের এই বৈঠক দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যে শান্তি, সংলাপ ও মুসলিম দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টিও নতুন করে গুরুত্ব পেল এই সাক্ষাতে।

শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম

নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সাহস, সংগ্রাম, ত্যাগ ও সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগ দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, এমপি।শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি এ বছর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাজধানীতে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।আলোচনা সভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ছাড়াও দলের জাতীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতারা, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় বক্তারা বিএনপির দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন, দলের নেতাকর্মীদের ত্যাগ-সংগ্রাম এবং দেশের রাজনীতিতে বিএনপির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে দলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মকৌশল ও দেশ পরিচালনায় বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করা হয়।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজনকে ঘিরে কেআইবি মিলনায়তন ও আশপাশের এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। দলীয় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান ও ব্যানার-ফেস্টুনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে অংশ নেন।উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দলটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সাহস, সংগ্রাম, ত্যাগ ও সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগ দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, এমপি।শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি এ বছর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাজধানীতে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।আলোচনা সভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ছাড়াও দলের জাতীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতারা, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় বক্তারা বিএনপির দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন, দলের নেতাকর্মীদের ত্যাগ-সংগ্রাম এবং দেশের রাজনীতিতে বিএনপির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে দলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মকৌশল ও দেশ পরিচালনায় বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করা হয়।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজনকে ঘিরে কেআইবি মিলনায়তন ও আশপাশের এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। দলীয় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান ও ব্যানার-ফেস্টুনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে অংশ নেন।উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দলটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সাহস, সংগ্রাম, ত্যাগ ও সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগ দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, এমপি।শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি এ বছর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাজধানীতে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।আলোচনা সভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ছাড়াও দলের জাতীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতারা, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় বক্তারা বিএনপির দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন, দলের নেতাকর্মীদের ত্যাগ-সংগ্রাম এবং দেশের রাজনীতিতে বিএনপির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে দলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মকৌশল ও দেশ পরিচালনায় বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করা হয়।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজনকে ঘিরে কেআইবি মিলনায়তন ও আশপাশের এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। দলীয় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান ও ব্যানার-ফেস্টুনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে অংশ নেন।উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দলটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে ২৫ বাংলাদেশি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ; উন্মুক্ত শ্রমবাজারের দাবিতে অনিশ্চয়তা

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে ২৫ বাংলাদেশি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ; উন্মুক্ত শ্রমবাজারের দাবিতে অনিশ্চয়তা

চামড়া সংরক্ষণে  বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

সাগরপথে ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসন বন্ধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর

সাগরপথে ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসন বন্ধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর

যাত্রাশিল্প উন্নয়ন পরিষদের মতবিনিময় সভা

যাত্রাশিল্প উন্নয়ন পরিষদের মতবিনিময় সভা

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

যাত্রাজগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র আনসার উল্লাহর মৃত্যুতে বাংলাদেশ যাত্রাশিল্পী কল্যাণ পরিষদের গভীর শোক

যাত্রাজগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র আনসার উল্লাহর মৃত্যুতে বাংলাদেশ যাত্রাশিল্পী কল্যাণ পরিষদের গভীর শোক

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সাংবাদিকদের দাবি সমাবেশ

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সাংবাদিকদের দাবি সমাবেশ

চাচা-ভাতিজির অনৈতিক সম্পর্কে ভাতিজির বিবাহ বিচ্ছেদ, এলাকায় তোলপাড়

চাচা-ভাতিজির অনৈতিক সম্পর্কে ভাতিজির বিবাহ বিচ্ছেদ, এলাকায় তোলপাড়

লালবাগ রাজস্ব সার্কেলে জনবান্ধব সেবার নতুন দিগন্ত

লালবাগ রাজস্ব সার্কেলে জনবান্ধব সেবার নতুন দিগন্ত

অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!

অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!

বাংলাদেশ-ইরান সম্পর্ক জোরদার ও মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ঐক্যের আহ্বান / রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬: বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতে দুই দেশের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত ও আঞ্চলিক শান্তি-স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা হয়।সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিভিন্ন দিক উঠে আসে। একই সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। সাম্প্রতিক সময়ে অঞ্চলটির সংঘাত ঘিরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ বাড়ার প্রেক্ষাপটে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংকট নিরসন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ইরানের রাষ্ট্রদূত এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা করেছেন।রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সংলাপ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন বলে জানা গেছে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় ঢাকা-তেহরান সম্পর্কের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নিয়েও বাংলাদেশের অবস্থান ও কূটনৈতিক যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে জ্বালানি, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে। চলতি মাসের শুরুতেও ইরানের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহ ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন।বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত হিসেবে ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি দায়িত্ব পালন করছেন। ইরানের ঢাকাস্থ দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।কূটনৈতিক মহলের দৃষ্টিতে, রাষ্ট্রপতি ও ইরানের রাষ্ট্রদূতের এই বৈঠক দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যে শান্তি, সংলাপ ও মুসলিম দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টিও নতুন করে গুরুত্ব পেল এই সাক্ষাতে।

বাংলাদেশ-ইরান সম্পর্ক জোরদার ও মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ঐক্যের আহ্বান / রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬: বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতে দুই দেশের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত ও আঞ্চলিক শান্তি-স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা হয়।সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিভিন্ন দিক উঠে আসে। একই সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। সাম্প্রতিক সময়ে অঞ্চলটির সংঘাত ঘিরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ বাড়ার প্রেক্ষাপটে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংকট নিরসন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ইরানের রাষ্ট্রদূত এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা করেছেন।রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সংলাপ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন বলে জানা গেছে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় ঢাকা-তেহরান সম্পর্কের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নিয়েও বাংলাদেশের অবস্থান ও কূটনৈতিক যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে জ্বালানি, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে। চলতি মাসের শুরুতেও ইরানের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহ ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন।বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত হিসেবে ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি দায়িত্ব পালন করছেন। ইরানের ঢাকাস্থ দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।কূটনৈতিক মহলের দৃষ্টিতে, রাষ্ট্রপতি ও ইরানের রাষ্ট্রদূতের এই বৈঠক দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যে শান্তি, সংলাপ ও মুসলিম দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টিও নতুন করে গুরুত্ব পেল এই সাক্ষাতে।

সব বিভাগের খবর

ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের / ৬৬৬ কোটি টাকার করের ধাক্কা!

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে—এমন রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। কর পরিশোধ না করার বিষয়ে দায়ের করা রিটের রুল খারিজ করে আদালত এ নির্দেশ দেন। প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিন অর্থবছরের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের ওপর মোট ৬৬৬ কোটি টাকা করের দাবি রয়েছে।তিন অর্থবছরের কর নিয়ে আইনি লড়াইগ্রামীণ কল্যাণের কর-সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এনবিআরের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির আইনি বিরোধ চলে আসছে। এনবিআরের দাবি করা করের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।এর আগে ২০২৪ সালের আগস্টেও একই কর বিরোধে হাইকোর্টের একটি রায়ে গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সে সময় আদালত তিন মাসের মধ্যে ওই অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিল বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।তবে পরবর্তীতে ওই রায় প্রত্যাহারের খবরও প্রকাশিত হয়েছিল। ফলে ৬৬৬ কোটি টাকার কর নিয়ে গ্রামীণ কল্যাণের সঙ্গে এনবিআরের আইনি লড়াই নতুন করে আলোচনায় আসে।৬৬৬ কোটি টাকার কর কেন এত আলোচিত?গ্রামীণ কল্যাণ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত একটি প্রতিষ্ঠান। আর ড. ইউনূস বাংলাদেশে অন্যতম আলোচিত অর্থনৈতিক ও সামাজিক উদ্যোক্তা। ফলে তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শত শত কোটি টাকার কর দাবির বিষয়টি শুরু থেকেই ব্যাপক রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।এনবিআরের দাবি এবং প্রতিষ্ঠানের অবস্থানের মধ্যে পার্থক্য নিয়েই মূলত দীর্ঘ আইনি লড়াই হয়েছে। সর্বশেষ হাইকোর্টের রায় আবারও বিষয়টিকে জাতীয় পর্যায়ের আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।এখন নজর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপেহাইকোর্টের এই রায়ের পর গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে পরবর্তী কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয় কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়। একই সঙ্গে ৬৬৬ কোটি টাকার কর দাবির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি কোন পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেও নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।৬৬৬ কোটি টাকার এই কর বিরোধ শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক দায়ের প্রশ্ন নয়; এটি দেশের করব্যবস্থা, কর আদায়ের সক্ষমতা এবং প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানগুলোর কর-জবাবদিহি নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন সামনে এনেছে।

জ্বালানি নিরাপত্তায় সরকারের মহাপরিকল্পনা

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন উদ্যোগ ও পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব উদ্যোগের কথা তুলে ধরে জানান, দীর্ঘদিনের অপর্যাপ্ত গ্যাস অনুসন্ধান ও অতিরিক্ত আমদানিনির্ভরতার কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে সরকার সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, সরকারের কর্মপরিকল্পনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধি। এ লক্ষ্যে নতুন কূপ খনন ও পুরোনো কূপে ওয়ার্কওভারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ গ্যাসের সম্ভাবনা যাচাইয়ে সাইসমিক জরিপ জোরদার এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে।জ্বালানি সরবরাহের উৎস বহুমুখীকরণেও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এ ক্ষেত্রে নতুন প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট (PSC) ও বিডিং প্রক্রিয়া, এলএনজি অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে একক কোনো উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল করার লক্ষ্য রয়েছে।একই সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনকে উৎসাহিত করতে আগামী ছয় মাসের মধ্যে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে সরকার কেনার পরিকল্পনার কথাও সংসদে জানানো হয়েছে।সরকারের পরিকল্পনায় জ্বালানি ব্যবহারে দক্ষতা বাড়ানো এবং অপচয় কমানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।সরকারের নেওয়া এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়বে, আমদানিনির্ভরতা কমবে এবং বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতে জ্বালানি সরবরাহ আরও স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে একটি বহুমুখী, টেকসই ও নিরাপদ জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে সংসদে তুলে ধরা হয়েছে।

দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদ-নদী এবং একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, নাব্যতা ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিতকরণ এবং বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।সভায় রাজধানীর চারপাশের নদ-নদীর বর্তমান পরিস্থিতি, দূষণের উৎস, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নদীর নাব্যতা রক্ষা এবং নৌপথের উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি এ খাতে এ পর্যন্ত নেওয়া বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উদ্যোগের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও দূষণমুক্ত নদী ও একটি বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব কেবল সরকারের নয়; সমাজের প্রতিটি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানেরও এ ক্ষেত্রে দায়িত্ব রয়েছে।তিনি বলেন, পরিবেশ ও নদ-নদী রক্ষায় শুধু সরকারি নির্দেশনার অপেক্ষায় না থেকে ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেই সবাইকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করা, সঠিকভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা এবং পরিবেশের ক্ষতি হয়—এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।রাজধানীর চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে এ পর্যন্ত গৃহীত পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।একই সঙ্গে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার মধ্যে যথাযথ সমন্বয় নিশ্চিত করে পরিকল্পিতভাবে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।সভায় নদ-নদীর পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা, নাব্যতা ফিরিয়ে আনা, বর্জ্য অপসারণ ও দূষণের উৎস নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি রাজধানী ঘিরে বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নের বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, নদী ও পরিবেশ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি বিদ্যমান সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নিতে হবে। সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন এবং পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা | ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রোববার

সমস্যার সমাধান চাই বলেই রাস্তায় নেমেছি

কুমিল্লা প্রতিনিধি:জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের সাধারণ মানুষ নানা মৌলিক সমস্যা ও দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন। বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ, কৃষকের সময়মতো সার পাওয়া, ব্যবসায়ীদের চাঁদাবাজিমুক্ত পরিবেশ এবং দুর্নীতির মতো সমস্যার সমাধান জরুরি।কুমিল্লার ঐতিহাসিক টাউন হল মাঠে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আপনারা কি ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি পান? কৃষকরা কি সময়মতো সার পান? ব্যবসায়ীরা কি চাঁদাবাজমুক্ত পরিবেশে ব্যবসা করতে পারেন?’তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত এসব সমস্যার সমাধান না হলে শুধু উন্নয়নের কথা বলে মানুষের দুর্ভোগ দূর করা সম্ভব নয়।কুমিল্লার পরিস্থিতি তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, ‘কুমিল্লায় দুর্নীতি আছে কি না—আছে।’ দুর্নীতি, অনিয়ম, চাঁদাবাজি ও জনদুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে মানুষের জন্য একটি জবাবদিহিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাজনীতির উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের সেবা করা। জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা, কৃষক ও ব্যবসায়ীদের নিরাপদ পরিবেশ দেওয়া এবং দুর্নীতি-অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।তিনি আরও বলেন, ‘এসব সমস্যার সমাধান চান বলেই আমরা রাস্তায় নেমেছি।’ জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা ও দেশের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধানের দাবিতে তাঁদের রাজনৈতিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।নির্বাচনী জনসভাকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতিএর আগে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ডা. শফিকুর রহমানের কুমিল্লা সফরকে কেন্দ্র করে টাউন হল মাঠের জনসভা সফল করতে সাংগঠনিক, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলাসহ বিভিন্ন প্রস্তুতি নেওয়া হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করা হয়েছিল।জনসভাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা নগরীতে জামায়াতে ইসলামী ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। ডা. শফিকুর রহমানের আগমন উপলক্ষে কুমিল্লা মহানগর জামায়াত স্বাগত মিছিলও করে।এর পরদিন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামেও ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ডা. শফিকুর রহমান। সেখানে তিনি বিভাজন ও বৈষম্যের রাজনীতির অবসান এবং জনগণের সেবাকে সরকারের মূল লক্ষ্য করার কথা বলেন।কুমিল্লার টাউন হলের জনসভায় ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যে বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানি সংকট, কৃষকের সারপ্রাপ্তি, ব্যবসায়ীদের চাঁদাবাজির শিকার হওয়া এবং দুর্নীতির মতো বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়। তাঁর বক্তব্যে এসব সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার রাজনৈতিক বার্তাও উঠে আসে।

বিশ্বে খেলাপি ঋণে শীর্ষে বাংলাদেশ

ঢাকা: দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আবারও ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। একই সঙ্গে খেলাপি ঋণের হারের দিক থেকে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে শীর্ষে অবস্থান করছে। জুন ২০২৬ শেষে দেশের ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা মোট ঋণের প্রায় ৩২ দশমিক ৮ শতাংশই খেলাপি হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ হয়েছে। অর্থাৎ ব্যাংক থেকে বিতরণ করা প্রতি ১০০ টাকা ঋণের প্রায় ৩৩ টাকাই এখন খেলাপি।বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জুন শেষে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৬৫৫ কোটি টাকা। মাত্র তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে প্রায় ১৭ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা। মার্চ ২০২৬ শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা এবং তখন খেলাপি ঋণের হার ছিল ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ।বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থানসাম্প্রতিক তথ্যের তুলনায় খেলাপি ঋণের অনুপাতে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের পর রয়েছে চাদ, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, আলজেরিয়া ও ঘানা। চাদের সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী খেলাপি ঋণের হার ৩১ দশমিক ৫১ শতাংশ এবং ইকুয়েটোরিয়াল গিনিতে তা প্রায় ৩০ শতাংশ। তবে বিভিন্ন দেশের তথ্যের সময়কাল এক নয়—এ কারণে আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিং তুলনায় এই বিষয়টি বিবেচনায় রাখা জরুরি।এর আগে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন বিশ্বে সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের হারের দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। দেশটি পুরোনো খেলাপি ঋণ অবলোপন, ঋণ আদায় ও পুনর্গঠন এবং ভালো মানের নতুন ঋণ বাড়ানোর মাধ্যমে খেলাপি ঋণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে। ফলে বাংলাদেশের বর্তমান অনুপাত আন্তর্জাতিক তুলনায় শীর্ষে উঠে এসেছে।দুই বছরে তিন গুণের কাছাকাছি বৃদ্ধিবাংলাদেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের দ্রুত বৃদ্ধি বিশেষভাবে উদ্বেগ তৈরি করেছে। ২০২৪ সালের জুন শেষে খেলাপি ঋণ ছিল প্রায় ২ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা। দুই বছরের ব্যবধানে তা বেড়ে ২০২৬ সালের জুনে ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। তবে এর পুরোটাই নতুন করে সৃষ্ট ঋণ নয়; আগের সময়ে আড়ালে থাকা অনিয়মিত, পুনঃশ্রেণিবিন্যাসযোগ্য ও বিতর্কিত ঋণ পরবর্তী সময়ে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।কেন বাড়ছে খেলাপি ঋণ?ব্যাংক খাতের বিশ্লেষণে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির পেছনে দুর্বল তদারকি, রাজনৈতিক প্রভাবিত ঋণ বিতরণ, অনিয়ম ও জালিয়াতি, ঋণ আদায়ে ধীরগতি এবং ব্যবসায়িক মন্দাসহ বিভিন্ন কারণ উঠে এসেছে। বিশ্বব্যাংকও বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে দুর্বল করপোরেট সুশাসন, নিয়ন্ত্রক দুর্বলতা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ঋণ দেওয়ার মতো সমস্যার কথা উল্লেখ করেছে।বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, মার্চ ২০২৬ শেষে বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে এনপিএল অনুপাত ছিল ৩২ দশমিক ৬ শতাংশ, যেখানে দক্ষিণ এশিয়ার ব্যাংকগুলোর গড় ছিল মাত্র ৭ দশমিক ৯ শতাংশ। একই সময়ে দেশের ব্যাংক খাতের আর্থিক সক্ষমতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।খেলাপি ঋণ কমাতে উদ্যোগখেলাপি ঋণ কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ, ঋণ আদায়ে জোরদার পদক্ষেপ, তদারকি বৃদ্ধি এবং আইনি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। জুন ২০২৬-এ বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণ মোকাবিলায় একটি মধ্যমেয়াদি রোডম্যাপও ঘোষণা করে। এর আওতায় ঋণ আদায় দ্রুত করা, ব্যাংক তদারকি শক্তিশালী করা এবং আন্তর্জাতিক মানের ঋণ ক্ষতি নিরূপণ পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ রয়েছে।তবে নতুন উদ্যোগের পরও জুন প্রান্তিকে খেলাপি ঋণ প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংক খাতে সংকট কতটা গভীর, তা নতুন করে সামনে এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে, শুধু পুনঃতফসিল বা হিসাবের পদ্ধতি পরিবর্তন নয়—ঋণ বিতরণে জবাবদিহি, প্রভাবমুক্ত ব্যাংকিং ব্যবস্থা, কার্যকর তদারকি এবং দ্রুত ঋণ আদায় নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

নবম পে-স্কেল অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক:দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।বিকেল ৫টার দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরে নবম জাতীয় পে-স্কেলের চূড়ান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হলো।নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতি, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এর আগে সংশ্লিষ্ট সচিব কমিটি নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের কৌশল নিয়ে আলোচনা করে তা মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য চূড়ান্ত করে।প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী নতুন বেতন স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছিল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই অর্থবছরে কয়েক ধাপে বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে একসঙ্গে বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি না হয়।এদিকে নতুন পে-স্কেল কার্যকরের তারিখ, গ্রেডভিত্তিক বেতন, বেতন বৃদ্ধির হার এবং বকেয়া কীভাবে পরিশোধ করা হবে—এসব বিষয়ে সরকারি প্রজ্ঞাপনে বিস্তারিত নির্দেশনা আসবে। সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারির কথা রয়েছে।নবম পে-স্কেল অনুমোদনের খবর সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে স্বস্তি ও প্রত্যাশা তৈরি করেছে। নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়িত হলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধার ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।তবে কোন গ্রেডে কত টাকা মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে, কোন তারিখ থেকে তা কার্যকর হবে এবং ধাপে ধাপে কীভাবে বেতন বৃদ্ধি করা হবে—এসব বিষয়ে চূড়ান্ত তথ্য সরকারি প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরই নিশ্চিতভাবে জানা যাবে।

ক্যাঙ্গারু শিকার করে ইতিহাসের পাতায় টাইগাররা! অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়

ক্যাঙ্গারু শিকার করে ইতিহাসের পাতায় টাইগাররা! অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো তাদের মাটিতে টেস্ট জয়ের ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমে স্বাগতিকদের ৯ উইকেটে হারিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল টাইগাররা। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এটি নিঃসন্দেহে অন্যতম স্মরণীয় ও গৌরবের দিন।ডারউইনের মারারা ওভালে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯৮ রানে অলআউট হয়। জবাবে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়ে বাংলাদেশ। তরুণ ওপেনার তানজিদ হাসান করেন ঐতিহাসিক ১০১ রান—অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্টে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারের এটি প্রথম শতক। তাঁর সঙ্গে দলের অন্য ব্যাটারদের কার্যকর অবদানে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রান তুলে ২২৮ রানের বিশাল লিড নেয়।দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ক্যামেরন গ্রিন ১০৪ রানের দুর্দান্ত শতক তুলে লড়াই ফেরানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে শেষ পর্যন্ত ২৮৪ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ফলে বাংলাদেশের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৫৭ রান।শেষ ইনিংসে অবশ্য শুরুতেই তানজিদ হাসানকে হারায় বাংলাদেশ। তবে এরপর আর কোনো বিপদ হতে দেননি শাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক। মাত্র ১৪.২ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। মুমিনুলের ব্যাট থেকে আসে জয়সূচক রান।বাংলাদেশের জয়ে বল হাতে বড় অবদান রাখেন হাসান মাহমুদ। ম্যাচে মোট ৯ উইকেট নিয়ে তিনি হন ম্যাচসেরা। অন্যদিকে মেহেদী হাসান মিরাজ দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধসিয়ে দেন। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্টে পাঁচ উইকেট নেওয়া প্রথম বাংলাদেশি স্পিনার হিসেবে রেকর্ড গড়েন মিরাজ।এই জয় শুধু একটি ম্যাচের জয় নয়—এটি বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের ২৬ বছরের ইতিহাসে এক বড় মাইলফলক। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এর আগে কোনো টেস্ট জয়ের স্বাদ পায়নি বাংলাদেশ। প্রথম টেস্টেই সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন বার্তা দিল টাইগাররা।দুই ম্যাচের সিরিজে এখন বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে ২২ আগস্ট, ম্যাকে গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায়। ঐতিহাসিক এই জয়ের পর এখন টাইগারদের সামনে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জয়ের হাতছানি।অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাঘের গর্জন—এ জয় বাংলাদেশের ক্রিকেটের, এ জয় কোটি টাইগার-ভক্তের!

ফাইনালে ওঠার রাতে দ্বিমুকুট: স্পেনকে টপকে ফের ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে আর্জেন্টিনা

ফাইনালে ওঠার রাতে দ্বিমুকুট: স্পেনকে টপকে ফের ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে আর্জেন্টিনা

মাঠের পারফরম্যান্সে যেমন অপ্রতিরোধ্য, মাঠের বাইরের কাগজ-কলমের লড়াইয়েও আবারও সেরা প্রমাণিত হলো আলবিসেলেস্তেরা। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার পাশাপাশি ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর সিংহাসন পুনরুদ্ধার করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।বুধবার (১৫ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে পরাজিত করে ফাইনাল নিশ্চিত করে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। আর এই জয়েই এসেছে ডাবল বোনাস—শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার।২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার সময়ও ১ হাজার ৮৭৪.৮১ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে এক নম্বরেই ছিল আর্জেন্টিনা। তবে টুর্নামেন্ট চলাকালীন গত ২ জুলাই প্রকাশিত লাইভ র‌্যাঙ্কিংয়ের হালনাগাদে ১ হাজার ৯১৬.২৪ পয়েন্ট নিয়ে আর্জেন্টিনাকে টপকে শীর্ষে উঠে গিয়েছিল ফ্রান্স। ফরাসিরা বিশ্বকাপ শুরুর আগে তৃতীয় স্থানে থাকলেও সেমিফাইনাল পর্যন্ত নিজেদের দাপট বজায় রেখে এক নম্বর স্থানটি ধরে রাখে।তবে ভাগ্য বদলায় সেমিফাইনালে। অপর সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে যাওয়ায় শীর্ষস্থান থেকে ছিটকে যায় দিদিয়ের দেশমের ফ্রান্স। অপরদিকে, শক্তিশালী ইংল্যান্ডকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা পায় মূল্যবান ২৬.৯০ রেটিং পয়েন্ট। ফলে মোট ১ হাজার ৯৭০.৩৭ পয়েন্ট নিয়ে আবারও টেবিলের সবার উপরে জায়গা করে নেয় আর্জেন্টিনা।ফ্রান্সকে বিদায় করে ফাইনালে পা রাখা স্পেনও র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ দিয়েছে। সেমিফাইনালে জয়ের সুবাদে তারা ৩০.৮২ রেটিং পয়েন্ট অর্জন করে মোট ১ হাজার ৯৬৫.৬১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ফলে ফাইনালে কেবল ট্রফির লড়াই-ই হচ্ছে না, এটি মূলত র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দুই দলের মধ্যকার শ্রেষ্ঠত্বের মহালড়াই হতে যাচ্ছে।মেসির চোট ও দলের ফর্ম নিয়ে বিশ্বকাপের শুরুতে বেশ কিছু শঙ্কা থাকলেও, নকআউট পর্বের ধারাবাহিকতা প্রমাণ করেছে কেন এই দলটি বিশ্বসেরা। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি আলবিসেলেস্তে সমর্থকরা এখন দ্বিগুণ উৎসাহে মেগা ফাইনালের অপেক্ষা করছেন, যেখানে ট্রফি ধরে রাখার পাশাপাশি র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি আরও মজবুত করার মিশন নিয়ে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা

ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর, পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে নতুন ইতিহাস

ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর, পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে নতুন ইতিহাস

দেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো শক্তিশালী পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জয় এবং ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২০ মে) এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা জানান।বুধবার সিলেটে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করে টাইগাররা। এর আগে মিরপুরে প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ ১০৪ রানের জয় তুলে নেয়। ফলে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ।এই ঐতিহাসিক জয়ের ফলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় ভারতকে পেছনে ফেলে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের অর্জন ৫৮.৩৩ শতাংশ পয়েন্ট, যেখানে ভারতের রয়েছে ৪৮.১৫ শতাংশ পয়েন্ট।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের এই সাফল্য ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং দেশের তরুণ প্রজন্ম খেলাধুলার প্রতি আরও বেশি উৎসাহিত হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দলীয় ঐক্য, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস ধরে রেখে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বিশ্বমঞ্চে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে।তিনি খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ 

এআই-রোবোটিক্স ও সেমিকন্ডাক্টরে সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে: প্রধানমন্ত্রী

দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উচ্চমূল্য সংযোজনভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে অন্যতম প্রধান খাত হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।তিনি বলেছেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং বিশ্ব প্রযুক্তি বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে সেমিকন্ডাক্টরসহ বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও রোবোটিক্স খাতের বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ নভোথিয়েটারে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম এবং বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স, এআই ও রোবোটিক্স (BEAR) সামিট ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী এ সামিটের আয়োজন করা হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প শুধু প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির বিকাশেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে না, বরং এ খাত দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য উচ্চ দক্ষতাভিত্তিক ও উচ্চমূল্য সংযোজনসম্পন্ন কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি ও সরবরাহ শৃঙ্খলে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আরও জোরদার হবে।তিনি জানান, দেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বিকাশে সরকার বিনিয়োগবান্ধব নীতি প্রণয়ন, কর ও শুল্ক সুবিধা প্রদান, স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী উদ্যোগে সহায়তা, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করছে। এ খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার পাশাপাশি গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্ব অর্থনীতিতে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশকে শুধু প্রযুক্তির ব্যবহারকারী হিসেবে নয়, বরং প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও উৎপাদনের সক্ষমতাসম্পন্ন দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গবেষক ও তরুণ উদ্যোক্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই দিনব্যাপী ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম এবং BEAR সামিট ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।পরে তিনি সামিটে স্থাপিত বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। এ সময় আধুনিক সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি, বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও রোবোটিক্সের সর্বশেষ উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা, প্রযুক্তিবিদ ও অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।আয়োজকরা জানান, সামিটে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের সম্ভাবনা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, বিনিয়োগের সুযোগ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, সেমিকন্ডাক্টর, এআই, রোবোটিক্স, ইলেকট্রনিক্স ও বায়োটেকনোলজির মতো উদীয়মান প্রযুক্তিখাতে বিনিয়োগ ও দক্ষতা উন্নয়নে জোর দেওয়া গেলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে পারে। একই সঙ্গে তরুণদের জন্য তৈরি হতে পারে বৈশ্বিক শ্রমবাজারের উপযোগী উচ্চ দক্ষতার কর্মসংস্থান।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ (Ministry of Water Resources MOWR Job Circular 2026) পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইটে ১৪ মে ২০২৬ ইং প্রকাশিত হয়েছে।MOWR Job Circular 2026 এর স্নারক নম্বর: ৪২.০০.০০০০.০০০.০৩২.১১.০০১৩.২৬.৭৪, তারিখ ১৩ মে ২০২৬ ইং।পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এই জব সার্কুলারের মাধ্যমে মোট ৩৭ জন যোগ্যতা সম্পন্ন নারী ও পুরুষকে ০৪টি চাকরির ক্যাটাগরিতে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ দিবে। নির্বাচিত প্রার্থীদের ১৩, ১৬ ও ২০তম বেতন গ্রেড প্রদান করা হবে।নিচে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ বা MOWR Job Circular 2026 এর পদবিবরণ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, বেতন স্কেল ও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সার্কুলারের গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচিবিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ১২ মে ২০২৬ ইং।বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন: ১৪ মে ২০২৬ ইং।আবেদন শুরুর দিন: ১৯ মে ২০২৬ ইং, সকাল ১০:০০ ঘটিকা।আবেদনের শেষ দিন: ০৮ জুন ২০২৬ ইং, বিকেল ৫:০০ ঘটিকায়।১সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর (গ্রেড-১৩)১০ জন১১,০০০ – ২৬,৫৯০/-২কম্পিউটার অপারেটর (গ্রেড-১৩)০২ জন১১,০০০ – ২৬,৫৯০/-৩অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (গ্রেড-১৬)০৯ জন৯,৩০০ – ২২,৪৯০/-৪অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০)১৬ জন৮,২৫০ – ২০,০১০/-০১সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটরস্নাতক বা সমমান।কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সাঁটলিপিতে ইংরেজিতে ৭০ ও বাংলায় ৪৫ শব্দ/মিনিট; কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে ইংরেজিতে ৩০ ও বাংলায় ২৫ শব্দ/মিনিট; Word Processing, ই-মেইল ও ফ্যাক্স পরিচালনায় দক্ষতা০২কম্পিউটার অপারেটর বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক (সম্মান) বা সমমান।কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে বাংলায় ২৫ ও ইংরেজিতে ৩০ শব্দ/মিনিট; Standard Aptitude Test-এ উত্তীর্ণ০৩অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিকস্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক বা সমমান।কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত; মুদ্রাক্ষরে বাংলায় ২০ ও ইংরেজিতে ২০ শব্দ/মিনিট; Word Processing, ই-মেইল ও ফ্যাক্স পরিচালনায় দক্ষতা থাকা লাগবে।০৪অফিস সহায়কমাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমান পাস।কোন অভিজ্ঞতা প্রয়োজন নেই।পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬নিদিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে ০৪টি জব ক্যাটাগরিতে ৩৭ জন নারী ও পুরুষকে নিয়োগের জন্য বাংলাদেশের নির্দিষ্ট জেলার নাগরিককে চাকরিতে আবেদন করার জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় আহ্বান করেছে।পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরিতে আবেদন করার গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হচ্ছে আপনাকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে ও পদের প্রয়োজনে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়োগ ২০২৬ এ শুধুমাত্র ০১ মে ২০২৬ ইং তারিখে বাংলাদেশী ১৮ (আঠারো) বৎসরের ঊর্ধ্বে  ও ৩২ (বত্রিশ) বৎসরের মধ্যে নারী ও পুরুষ (Female & Male)  শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পদের অজ্ঞিতা অনুযায়ী আবেদন করতে পারবে।পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরির আবেদনের ক্ষেত্রে কিছু পদের জন্য অভিজ্ঞতা (Experience) প্রয়োজন রয়েছে আবার কিছু পদের জন্য অভিজ্ঞতার কোন প্রয়োজন নেই।পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়োগ ২০২৬কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসারে, এই পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরির আবেদন শুধুমাত্র অনলাইনে গ্রহণ করবে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরির অনলাইন আবেদন নির্দিষ্ট সময় ব্যাপী চলমান থাকবে।এই সময়ের ভিতরেই https://mowr.teletalk.com.bd প্রবেশ করে সকল শিক্ষাগত সার্টিফিকেটের তথ্য, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, রঙিন ছবি, (Passport Size Photo) স্বাক্ষরের ছবি দিয়ে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরির আবেদন সম্পূর্ণ করার জন্য টেলিটক প্রিপেইড (Teletalk Pre-Paid) মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে ০২টি এসএমএস (SMS) এর মাধ্যমে পদ অনুযায়ী নিচের আবেদন ফি জমা দিতে হবে।পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরির আবেদন ফরম জমা দেওয়ার পর ৭২ ঘণ্টার চাকরির আবেদন ফি জমা দিতে হবে। তা না হলে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরির আবেদন অটোমেটিক বাতিল হয়ে যাবে।পদ অনুযায়ী পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরির আবেদন ফি পদ সংখ্যা / গ্রুপমূল ফিসার্ভিস চার্জমোট ফি১ – ৩ নং পদ১০০/-+ ১২/-১১২/-৪ নং পদ৫০/-+ ৬/-৫৬/-প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও তৃতীয় লিঙ্গ৫০/-০৬/-৫৬/-নিচের টেবিলে ‍MOWR সার্কুলারের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো ধাপে ধাপে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানার জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় জব সার্কুলার 2026 এর নিচের টেবিল মনোযোগ দিয়ে দেখুন।বিষয়গুরুত্বপূর্ণ তথ্যনিয়োগকর্তার নামপানি সম্পদ মন্ত্রণালয়।সংস্থার ধরনসরকারি।চাকরির ধরনসরকারি চাকরি।চাকরিরর সময়ফুল-টাইম।মোট পদ ক্যাটাগরি০৪টি।মোট নিয়োগ সংখ্যা৩৭ জন।জাতীয়তাবাংলাদেশি নাগরিক।জেন্ডারনারী ও পুরষ।শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি/সমমান পাশ, এইচএসসি/সমমান পাশ, স্নাতক বা সমমান পাশ লাগবে চাকরির পদ অনুযায়ী।অভিজ্ঞতানতুনরা ও অভিজ্ঞতা যাদের আছে উভয় আবেদন করতে পারবে, চাকরির পদ অনুযায়ী।বয়সসীমা০১ মে ২০২৬ ইং হিসাব করে, সাধারণ প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩২ বৎসর লাগবে।বেতন স্কেল৮,২৫০/- থেকে ২৬,৫৯০/- টাকা।অতিরিক্ত সুবিধাসরকারি ভাতা, উৎসব বোনাস, পেনশন সুবিধা।আবেদনের পদ্ধতিঅনলাইনে করতে হবে।আবেদনের লিংকhttps://mowr.teletalk.com.bd।আবেদন ফি৫৬ ও ১১২/- টাকা, পদ অনুযায়ী।ফি জমার পদ্ধতিটেলিটক প্রিপেইড (Teletalk Pre-Paid) মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে ‍SMS এর মাধ্যমে।ফি জমার সময়সীমাআবেদনের পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে।পরীক্ষার ধরনলিখিত, মৌখিক ও কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা পরীক্ষা। (পদ অনুযায়ী)প্রবেশপত্রএসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে।জারির দিন১৩ মে ২০২৬।বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ১৪ মে ২০২৬।আবেদন শুরু১৯ মে ২০২৬, সকাল ১০:০০টা।আবেদনের শেষ তারিখ০৮ জুন ২০২৬, বিকেল ৫:০০টা।অফিশিয়াল ওয়েবসাইটhttps://mowr.gov.bd/ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ অফিসিয়াল ইমেজ/PDFপানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরির বিজ্ঞপ্তির সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানার জন্য অফিশিয়াল চাকরি সার্কুলার ইমেজ অবশ্যই পড়া লাগবে।আপনি খুব সহজেই পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় শূন্য পদের নাম, শূন্য পদের সংখ্যা চাকরির বেতন, আবেদনের শিক্ষাগত যোগ্যতা, আবেদন করার বয়স, অভিজ্ঞতা, আবেদন করার নিয়মসহ, সকল প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিচের সংযুক্ত করা অফিশিয়াল সার্কুলার ইমেজ থেকে জানতে পারবেন।আমরা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় চাকরিপ্রার্থীদের সুবিধার্থে নিচে অফিসিয়াল জব সার্কুলার ইমেজ সংযুক্ত করে দিয়েছি, যাতে করে একজন চাকরিপ্রার্থী এখান থেকে তার চাকরির সম্পর্কিত সকল প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে আবেদন করতে পারে।

মোট ১৮ ঘণ্টা ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে

মোট ১৮ ঘণ্টা ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে

গ্যাস পাইপলাইন প্রতিস্থাপন কাজের জন্য আগামী রোববার (১৭ মে) রাত ১১টা থেকে ১৮ মে (সোমবার) বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ১৮ ঘণ্টা ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।শনিবার (১৬ মে) দুপুরে তিতাস গ্যাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।তিতাস জানায়, এ সময় আমিনবাজার ডিআরএস (ডিস্ট্রিক্ট রেগুলেটিং স্টেশন) থেকে নবীনগর পর্যন্ত মহাসড়কের উভয় পাশের এলাকা, বলিয়ারপুর, হেমায়েতপুর, চামড়া শিল্পনগরী, সিংগাইর রোড, ফুলবাড়িয়া, নবীনগর, সাভার পৌর এলাকা, সাভার ক্যান্টনমেন্ট, আশুলিয়া বাজার, গৌরীপুর, কুমকুমারী, রাজাশন, কলমা ও তৎসংলগ্ন এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।এছাড়াও আশপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে। সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকীতে শিল্পকলায় ‘পুত্র’ নাটক মঞ্চস্থ

সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকীতে শিল্পকলায় ‘পুত্র’ নাটক মঞ্চস্থ

নাট্যাচার্য, প্রখ্যাত নাট্যকার ও নাট্যতাত্ত্বিক সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশেষ স্মরণ অনুষ্ঠান, সেমিনার ও নাট্য প্রদর্শনী। শনিবার (২৯ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সেলিম আল দীনের নাট্যচর্চা, দর্শন ও বাংলা নাটকে তাঁর অনন্য অবদান স্মরণ করা হয়।বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এবং নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক দীপক কুমার গোস্বামী। তাঁর বক্তব্যে সেলিম আল দীনের নাট্যভাবনা, দেশীয় সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্ক এবং বাংলাদেশের মঞ্চনাটকে তাঁর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বিকেলে জাতীয় নাট্যশালা ভবনের সেমিনার কক্ষে ‘দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্বের পরিধি’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে সেলিম আল দীনের শিল্পভাবনা ও নাট্যতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেন নাট্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা।মঞ্চে ‘পুত্র’সন্ধ্যা ৭টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে মঞ্চস্থ হয় নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন রচিত আলোচিত নাটক ‘পুত্র’। নাটকটি পরিবেশন করে ঠাকুরগাঁওয়ের নাট্যদল নিশ্চিন্তপুর থিয়েটার। নাটকটির নির্দেশনায় ছিলেন সৈয়দ জাকির হোসেন ইমন।‘পুত্র’ নাটকের কাহিনিতে উঠে এসেছে সন্তান হারানোর গভীর বেদনা, শোক, স্মৃতি ও মানুষের মানসিক টানাপোড়েন। যমুনাপাড়ের দম্পতি মাইট্টাল সিরাজ ও আবছারের পুত্র মানিক আত্মহত্যা করার পর প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী তাকে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই মাটিতে সমাহিত করা হয় এবং যে আমগাছে সে আত্মহত্যা করেছিল, সেটিও কেটে ফেলা হয়। দুই বছর পর শীতের রাতে উষ্ণতার জন্য সেই গাছের শেকড় তুলে আগুন জ্বালালে দম্পতির মনে আবারও জেগে ওঠে সন্তান হারানোর অসহনীয় বেদনা। একপর্যায়ে তারা পোড়াতে থাকা গাছের শেকড়কেই নিজেদের সন্তান মানিক হিসেবে ভাবতে শুরু করে।সেলিম আল দীন: বাংলা নাটকের এক অনন্য নামসেলিম আল দীন ১৯৪৯ সালের ১৮ আগস্ট ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সেনেরখিল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলা নাটকের নিজস্ব ভাষা, লোকজ ঐতিহ্য ও শেকড়ের সঙ্গে আধুনিক নাট্যচর্চার সমন্বয় ঘটিয়ে একটি স্বতন্ত্র নাট্যধারা নির্মাণ করেন। ‘কীত্তনখোলা’, ‘কেরামতমঙ্গল’, ‘চাকা’, ‘হাত হদাই’, ‘যৈবতী কন্যার মন’, ‘বনপাংশুল’, ‘ধাবমান’, ‘স্বর্ণবোয়াল’ ও ‘পুত্র’সহ অসংখ্য নাটকে তাঁর সৃজনশীলতার অনন্য স্বাক্ষর রয়েছে।২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তবে তাঁর সৃষ্টিশীলতা, নাট্যভাবনা ও বাংলা নাটকের প্রতি তাঁর অবদান আজও দেশের নাট্যাঙ্গনে গভীরভাবে প্রভাব বিস্তার করে চলেছে।সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিল্পকলায় আয়োজিত এ স্মরণ অনুষ্ঠান ও ‘পুত্র’ নাটকের প্রদর্শনী তাঁর সৃষ্টিশীল কর্মকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি বাংলা নাটকের শেকড় ও নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতি নতুন করে আগ্রহ সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ-ইরান সম্পর্ক জোরদার ও মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ঐক্যের আহ্বান / রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬: বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতে দুই দেশের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত ও আঞ্চলিক শান্তি-স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা হয়।সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিভিন্ন দিক উঠে আসে। একই সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। সাম্প্রতিক সময়ে অঞ্চলটির সংঘাত ঘিরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ বাড়ার প্রেক্ষাপটে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংকট নিরসন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ইরানের রাষ্ট্রদূত এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিয়ে আলোচনা করেছেন।রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সংলাপ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন বলে জানা গেছে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় ঢাকা-তেহরান সম্পর্কের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নিয়েও বাংলাদেশের অবস্থান ও কূটনৈতিক যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে জ্বালানি, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে। চলতি মাসের শুরুতেও ইরানের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহ ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন।বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত হিসেবে ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি দায়িত্ব পালন করছেন। ইরানের ঢাকাস্থ দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।কূটনৈতিক মহলের দৃষ্টিতে, রাষ্ট্রপতি ও ইরানের রাষ্ট্রদূতের এই বৈঠক দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যে শান্তি, সংলাপ ও মুসলিম দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টিও নতুন করে গুরুত্ব পেল এই সাক্ষাতে।

প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনায় বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনায় বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় এক প্রবাসী পরিবারের কাছ থেকে স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগে বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ৩০ আগস্ট (রোববার) পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।মো. রিপন (২৭): সভাপতি, বিমানবন্দর থানা ছাত্রদল আল-আমিন শান্ত (২৭): সাধারণ সম্পাদক, বিমানবন্দর থানা ছাত্রদল আব্দুর রউফ (৪০): সভাপতি, বিমানবন্দর সাংগঠনিক ইউনিট বিএনপিমামলার এজাহার সূত্রের বরাতে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট ভুক্তভোগী মো. সুমন নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় মামলাটি (মামলা নম্বর: ৪৬) দায়ের করেন। সুমন জানান, তার বড় ভাই কাউসার দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়া প্রবাসী। বোনের বিয়ে ও পারিবারিক ব্যবহারের জন্য তার ভাই দেশ থেকে ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার এক পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে দেশে পাঠান। সেই স্বর্ণালংকার সংগ্রহ করে বিমানবন্দর এলাকা পার হওয়ার সময় বলাকা ভবনের বিপরীত পাশের মহাসড়কে পৌঁছালে আসামিরা তাদের পথ রোধ করে। আসামিরা ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি দেখাতে রাজনৈতিক তকমা ব্যবহার করে বলে, "আমরা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ করি, আমাদের কাছে বোমা আছে"— এ কথা বলে তারা এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও মারধর শুরু করে। মারধরের একপর্যায়ে তারা ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় এক পথচারী পুরো বিষয়টি নিজের মোবাইল ফোনে ধারণ করেন এবং স্থানীয়রা ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে।ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মির্জা তারেক বেগ জানান, প্রবাসীর ভাইয়ের দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে তদন্ত চালিয়ে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা নিশ্চিত হয়ে পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে।ঘটনায় জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার এবং ছিনতাই হওয়া স্বর্ণ উদ্ধারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

কোন পোস্ট নেই !
প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনায় বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনায় বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় এক প্রবাসী পরিবারের কাছ থেকে স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগে বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ৩০ আগস্ট (রোববার) পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।মো. রিপন (২৭): সভাপতি, বিমানবন্দর থানা ছাত্রদল আল-আমিন শান্ত (২৭): সাধারণ সম্পাদক, বিমানবন্দর থানা ছাত্রদল আব্দুর রউফ (৪০): সভাপতি, বিমানবন্দর সাংগঠনিক ইউনিট বিএনপিমামলার এজাহার সূত্রের বরাতে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট ভুক্তভোগী মো. সুমন নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় মামলাটি (মামলা নম্বর: ৪৬) দায়ের করেন। সুমন জানান, তার বড় ভাই কাউসার দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়া প্রবাসী। বোনের বিয়ে ও পারিবারিক ব্যবহারের জন্য তার ভাই দেশ থেকে ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার এক পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে দেশে পাঠান। সেই স্বর্ণালংকার সংগ্রহ করে বিমানবন্দর এলাকা পার হওয়ার সময় বলাকা ভবনের বিপরীত পাশের মহাসড়কে পৌঁছালে আসামিরা তাদের পথ রোধ করে। আসামিরা ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি দেখাতে রাজনৈতিক তকমা ব্যবহার করে বলে, "আমরা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ করি, আমাদের কাছে বোমা আছে"— এ কথা বলে তারা এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও মারধর শুরু করে। মারধরের একপর্যায়ে তারা ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় এক পথচারী পুরো বিষয়টি নিজের মোবাইল ফোনে ধারণ করেন এবং স্থানীয়রা ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে।ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মির্জা তারেক বেগ জানান, প্রবাসীর ভাইয়ের দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে তদন্ত চালিয়ে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা নিশ্চিত হয়ে পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে।ঘটনায় জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার এবং ছিনতাই হওয়া স্বর্ণ উদ্ধারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

কোন পোস্ট নেই !

সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকীতে শিল্পকলায় ‘পুত্র’ নাটক মঞ্চস্থ

নাট্যাচার্য, প্রখ্যাত নাট্যকার ও নাট্যতাত্ত্বিক সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশেষ স্মরণ অনুষ্ঠান, সেমিনার ও নাট্য প্রদর্শনী। শনিবার (২৯ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সেলিম আল দীনের নাট্যচর্চা, দর্শন ও বাংলা নাটকে তাঁর অনন্য অবদান স্মরণ করা হয়।বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এবং নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক দীপক কুমার গোস্বামী। তাঁর বক্তব্যে সেলিম আল দীনের নাট্যভাবনা, দেশীয় সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্ক এবং বাংলাদেশের মঞ্চনাটকে তাঁর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বিকেলে জাতীয় নাট্যশালা ভবনের সেমিনার কক্ষে ‘দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্বের পরিধি’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে সেলিম আল দীনের শিল্পভাবনা ও নাট্যতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেন নাট্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা।মঞ্চে ‘পুত্র’সন্ধ্যা ৭টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে মঞ্চস্থ হয় নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন রচিত আলোচিত নাটক ‘পুত্র’। নাটকটি পরিবেশন করে ঠাকুরগাঁওয়ের নাট্যদল নিশ্চিন্তপুর থিয়েটার। নাটকটির নির্দেশনায় ছিলেন সৈয়দ জাকির হোসেন ইমন।‘পুত্র’ নাটকের কাহিনিতে উঠে এসেছে সন্তান হারানোর গভীর বেদনা, শোক, স্মৃতি ও মানুষের মানসিক টানাপোড়েন। যমুনাপাড়ের দম্পতি মাইট্টাল সিরাজ ও আবছারের পুত্র মানিক আত্মহত্যা করার পর প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী তাকে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই মাটিতে সমাহিত করা হয় এবং যে আমগাছে সে আত্মহত্যা করেছিল, সেটিও কেটে ফেলা হয়। দুই বছর পর শীতের রাতে উষ্ণতার জন্য সেই গাছের শেকড় তুলে আগুন জ্বালালে দম্পতির মনে আবারও জেগে ওঠে সন্তান হারানোর অসহনীয় বেদনা। একপর্যায়ে তারা পোড়াতে থাকা গাছের শেকড়কেই নিজেদের সন্তান মানিক হিসেবে ভাবতে শুরু করে।সেলিম আল দীন: বাংলা নাটকের এক অনন্য নামসেলিম আল দীন ১৯৪৯ সালের ১৮ আগস্ট ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সেনেরখিল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলা নাটকের নিজস্ব ভাষা, লোকজ ঐতিহ্য ও শেকড়ের সঙ্গে আধুনিক নাট্যচর্চার সমন্বয় ঘটিয়ে একটি স্বতন্ত্র নাট্যধারা নির্মাণ করেন। ‘কীত্তনখোলা’, ‘কেরামতমঙ্গল’, ‘চাকা’, ‘হাত হদাই’, ‘যৈবতী কন্যার মন’, ‘বনপাংশুল’, ‘ধাবমান’, ‘স্বর্ণবোয়াল’ ও ‘পুত্র’সহ অসংখ্য নাটকে তাঁর সৃজনশীলতার অনন্য স্বাক্ষর রয়েছে।২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তবে তাঁর সৃষ্টিশীলতা, নাট্যভাবনা ও বাংলা নাটকের প্রতি তাঁর অবদান আজও দেশের নাট্যাঙ্গনে গভীরভাবে প্রভাব বিস্তার করে চলেছে।সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিল্পকলায় আয়োজিত এ স্মরণ অনুষ্ঠান ও ‘পুত্র’ নাটকের প্রদর্শনী তাঁর সৃষ্টিশীল কর্মকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি বাংলা নাটকের শেকড় ও নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতি নতুন করে আগ্রহ সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

যাত্রাশিল্প উন্নয়ন পরিষদের মতবিনিময় সভা

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী লোকসংস্কৃতির অন্যতম প্রধান ধারক ও বাহক যাত্রাশিল্পকে আরও সমৃদ্ধ, গতিশীল ও সংগঠিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ যাত্রাশিল্প উন্নয়ন পরিষদের ঢাকা জেলা ও মহানগর শাখার আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবদের উপস্থিতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (২৬ জুলাই ২০২৬) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত এ সভায় যাত্রাশিল্পের উন্নয়ন, শিল্পীদের কল্যাণ, সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যবাহী যাত্রাশিল্পকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।সভায় বাংলাদেশ যাত্রাশিল্প উন্নয়ন পরিষদ, ঢাকা জেলার আহ্বায়ক আব্দুল গফুর এবং সদস্য সচিব আব্দুল আজিজ ফকির উপস্থিত ছিলেন।এছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার আহ্বায়ক দুলাল মিয়া ও সদস্য সচিব সাগর, এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার আহ্বায়ক তানসেন ও সদস্য সচিব সানাউল্লাহ উপস্থিত থেকে সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ যাত্রাশিল্পী কল্যাণ পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মানিত সভাপতি বাদশাহ গাজী এবং সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলমসহ কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, যাত্রাশিল্পী, সংগঠক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।বক্তারা বলেন, যাত্রাশিল্প বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আধুনিক বিনোদনের নানা মাধ্যমের ভিড়ে ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে শিল্পীদের যথাযথ মূল্যায়ন, প্রশিক্ষণ, সামাজিক মর্যাদা ও পেশাগত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের যাত্রাশিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।সভায় যাত্রাশিল্পের সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে শিল্পীদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করা, সাংগঠনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করা এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাত্রাশিল্পের চর্চা ও প্রসার বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, সম্মিলিত উদ্যোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী যাত্রাশিল্পকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তোলা সম্ভব হবে এবং জাতীয় সংস্কৃতির বিকাশে এ শিল্প আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যাত্রাশিল্পের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সভাটি পারস্পরিক মতবিনিময় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয়।

হজ ক্যাম্পের প্রাণকেন্দ্রে ‘এভিয়েশন মার্কেট’,ব্যবসা ও সেবার নতুন ঠিকানা

রাজধানীর হজ ক্যাম্প,আশকোনা এলাকায় ব্যস্ততম ও গুরুত্বপূর্ণ একটি বাণিজ্যিক স্থাপনা হিসেবে গড়ে উঠেছে ‘এভিয়েশন মার্কেট’। বিমানবন্দরসংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকায় দেশি-বিদেশি মানুষের নিয়মিত যাতায়াতকে কেন্দ্র করে মার্কেটটিতে তৈরি হয়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সম্ভাবনাময় পরিবেশ।হজ ক্যাম্প,আশকোনার কৌশলগত অবস্থানের কারণে এভিয়েশন মার্কেটে রয়েছে ঢাকা বিমানবন্দর প্রেস ক্লাব,বিভিন্ন বেসরকারি অফিস, দেশি-বিদেশি ট্রাভেল এজেন্সি,বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুম,রেস্টুরেন্ট ও নামী-দামি খাবারের প্রতিষ্ঠানসহ নানা ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।ফলে প্রতিদিন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আনাগোনা দেখা যায় এ এলাকায়।যাত্রী ও ক্রেতাদের জন্য সুবিধাজনক অবস্থানআশকোনা ও হজ ক্যাম্প এলাকা রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগকেন্দ্র। বিমানবন্দরসংলগ্ন হওয়ায় প্রতিদিন এখানে যাত্রী, ব্যবসায়ী,চাকরিজীবী,বিদেশগামী ব্যক্তি,প্রবাসী পরিবারের সদস্য এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চলাচল রয়েছে।এই বিপুল মানুষের চলাচলকে কেন্দ্র করে এভিয়েশন মার্কেটের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের পণ্য ও সেবা আরও বড় পরিসরে প্রচারের সুযোগ পাচ্ছে। বিশেষ করে ট্রাভেল ও ট্যুরিজম-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এ এলাকার অবস্থান বাড়তি সুবিধা তৈরি করেছে।সম্ভাবনার নতুন দ্বারসব মিলিয়ে হজ ক্যাম্প,আশকোনার ব্যস্ত পরিবেশ ও বিমানবন্দরকেন্দ্রিক মানুষের চলাচল এভিয়েশন মার্কেটের জন্য বড় সম্ভাবনা তৈরি করেছে। সঠিক পরিকল্পনা,সমন্বিত মার্কেটিং এবং নিয়মিত প্রোমোশন কার্যক্রমের মাধ্যমে মার্কেটটির ব্যবসায়িক পরিচিতি আরও বিস্তৃত করা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।ঠিকানা: হজ ক্যাম্প, আশকোনা, ঢাকা।

সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে গণমাধ্যমের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

১৬ জুন: গণমাধ্যমকে দলীয় পক্ষপাত বা সরকারের তোষামোদ থেকে বেরিয়ে এসে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, “সত্যকে সত্য হিসেবেই জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। গণমাধ্যমের মূল দায়িত্ব হলো নিরপেক্ষভাবে তথ্য পরিবেশন করা।”সোমবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও বার্তা সম্পাদকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ইতিবাচক পরিবর্তন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনস্বার্থ রক্ষায় গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এ ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি গণমাধ্যমকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।সভায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান ও মাহদী আমিনসহ বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।মতবিনিময় সভায় টেলিভিশন শিল্পের বর্তমান সংকট, সাংবাদিকদের পেশাগত চ্যালেঞ্জ, চাকরির নিরাপত্তা, ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা টেলিভিশন শিল্পকে একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্পখাত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানান।বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব আবু আবদুল্লাহ এম. ছালেহ (সালেহ শিবলী) জানান, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতেও গণমাধ্যমের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও জানান, আগামী ১৮ জুন এ বিষয়ে অংশীজনদের নিয়ে একটি সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা দ্রুত একটি কার্যকর গণমাধ্যম কমিশন গঠন, চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।