ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
ইছামতি

বাণিজ্য-বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনা, বেইজিংয়ে মুখোমুখি দুই প্রধানমন্ত্রী


আব্দুর রাজ্জাক
আব্দুর রাজ্জাক

বাণিজ্য-বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনা, বেইজিংয়ে মুখোমুখি দুই প্রধানমন্ত্রী

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক Great Hall of the People-এ অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী Li Qiang বৈঠকে নেতৃত্ব দেন।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় শুরু হওয়া এই বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বাগত জানায় চীন। অভিবাদন মঞ্চে চীনের সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পাশাপাশি তোপধ্বনির মাধ্যমে সম্মান জানানো হয় বাংলাদেশ সরকারপ্রধানকে। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী সামরিক কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং উভয় দেশের প্রতিনিধিদলের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ হাসান আল মাহমুদ তিতুমীর এবং শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে তিয়ানআনমেন স্কয়ার সংলগ্ন গ্রেট হল অব দ্য পিপল ও আশপাশের সড়ক বাংলাদেশ ও চীনের জাতীয় পতাকায় সজ্জিত করা হয়, যা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

এ সফরের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত World Economic Forum Annual Meeting of the New Champions-এ অংশ নেন। সেখানে বিভিন্ন কর্মসূচি শেষ করে তিনি বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছান।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর। তবে চীনের সঙ্গে তার পরিচয়ের ইতিহাস দীর্ঘদিনের। ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী Khaleda Zia-এর সফরসঙ্গী হিসেবে তিনি চীন সফর করেছিলেন এবং একই গ্রেট হলে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনায় উপস্থিত ছিলেন।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতায় আরও শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করবে।

আপনার মতামত লিখুন

ইছামতি

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬


বাণিজ্য-বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনা, বেইজিংয়ে মুখোমুখি দুই প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬

featured Image

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক Great Hall of the People-এ অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী Li Qiang বৈঠকে নেতৃত্ব দেন।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় শুরু হওয়া এই বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বাগত জানায় চীন। অভিবাদন মঞ্চে চীনের সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পাশাপাশি তোপধ্বনির মাধ্যমে সম্মান জানানো হয় বাংলাদেশ সরকারপ্রধানকে। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী সামরিক কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং উভয় দেশের প্রতিনিধিদলের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ হাসান আল মাহমুদ তিতুমীর এবং শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে তিয়ানআনমেন স্কয়ার সংলগ্ন গ্রেট হল অব দ্য পিপল ও আশপাশের সড়ক বাংলাদেশ ও চীনের জাতীয় পতাকায় সজ্জিত করা হয়, যা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

এ সফরের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত World Economic Forum Annual Meeting of the New Champions-এ অংশ নেন। সেখানে বিভিন্ন কর্মসূচি শেষ করে তিনি বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছান।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর। তবে চীনের সঙ্গে তার পরিচয়ের ইতিহাস দীর্ঘদিনের। ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী Khaleda Zia-এর সফরসঙ্গী হিসেবে তিনি চীন সফর করেছিলেন এবং একই গ্রেট হলে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনায় উপস্থিত ছিলেন।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতায় আরও শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করবে।


ইছামতি

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আরমান চৌধুরী
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ইছামতি