ঢাকা   মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
English
ই-পেপার
ইছামতী

কবরের পাশে মেলা ও রাইড চৌগাছার বলুহ মেলায় বিতর্ক


মোঃ সাব্বির হোসেন
মোঃ সাব্বির হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

কবরের পাশে মেলা ও রাইড চৌগাছার বলুহ মেলায় বিতর্ক

যশোরের চৌগাছা উপজেলার হাজরাখানা গ্রামে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী বলুহ দেওয়ানের মেলা।
প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো এই মেলাকে ঘিরে প্রতি বছরই স্থানীয়দের পাশাপাশি দূর-দূরান্তের মানুষের সমাগম ঘটে।
মেলায় বসেছে বিভিন্ন ধরনের দোকানপাট ও বিনোদনের আয়োজন।
শিশুদের বিনোদনের জন্য রাখা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের খেলনা ও রাইড।
তবে এবার মেলার একটি আয়োজন নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, একটি কবরের চতুর্পাশে শিশুদের বিনোদনের জন্য খেলনা ট্রেন চালু করা হয়েছে।
কবরের পাশে এ ধরনের বিনোদনমূলক স্থাপনা বসানো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয়দের একাংশ বলছেন, কবর একটি ধর্মীয়ভাবে সম্মানিত ও পবিত্র স্থান।
তাই কবরের আশপাশে বিনোদনের আয়োজন করা কতটা যুক্তিসংগত, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
তাদের দাবি, মেলার আনন্দ ও বিনোদনের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকলেও কবরের পাশে খেলনা ট্রেন বসানো উচিত হয়নি।
এতে কবরের পরিবেশ ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তারা মনে করছেন।
স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা বিষয়টি মেলা কর্তৃপক্ষের নজরে আনার আহ্বান জানিয়েছেন।
একই সঙ্গে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিষয়টি সরেজমিনে দেখার দাবি উঠেছে।
তাদের মতে, ঐতিহ্যবাহী মেলার আয়োজন অবশ্যই শৃঙ্খলা ও সামাজিক মূল্যবোধের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে করা উচিত।
বিশেষ করে ধর্মীয় স্থান, কবরস্থান ও মাজারের আশপাশে কোনো আয়োজন করার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
এদিকে মেলায় অশালীনতা বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি হচ্ছে কি না, সেটিও নজরদারির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তাদের অভিযোগ, বড় ধরনের মেলায় বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হওয়ায় কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তাই মেলা চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত নজরদারি প্রয়োজন বলে তারা মনে করছেন।
স্থানীয়দের কেউ কেউ বলছেন, মেলা ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ হলেও ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
কবরের পাশ থেকে খেলনা ট্রেনসহ বিনোদনমূলক স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
একই সঙ্গে মেলার পরিবেশ সুন্দর ও শৃঙ্খলাপূর্ণ রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, মেলার আয়োজনে শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থা থাকতেই পারে।
তবে সেই আয়োজন যেন কোনো ধর্মীয় স্থান বা কবরের মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ না করে, সেদিকে নজর রাখা জরুরি।
তারা মনে করছেন, বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা হলে মেলা নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কও কমবে।
এ বিষয়ে মেলা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
কবরের পাশে খেলনা ট্রেন স্থাপনের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়।
এছাড়া সংশ্লিষ্ট কবরটি মেলার নির্ধারিত এলাকার মধ্যে কীভাবে পড়েছে, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা প্রশাসনের সরেজমিন পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তাদের প্রত্যাশা, মেলার ঐতিহ্য বজায় রাখার পাশাপাশি ধর্মীয় অনুভূতি ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রতিও সম্মান দেখানো হবে।
এদিকে মেলায় আগত দর্শনার্থীদেরও কবর ও ধর্মীয় স্থানের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, বিনোদনের নামে কোনোভাবেই ধর্মীয় পরিবেশ নষ্ট করা উচিত নয়।
তারা বলছেন, মেলা আনন্দের জায়গা হলেও এর সঙ্গে স্থানীয় মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক অনুভূতিও জড়িত।
তাই মেলা কর্তৃপক্ষকে আরও সতর্কতার সঙ্গে বিভিন্ন বিনোদনমূলক স্থাপনা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
প্রশাসনের পক্ষ থেকেও মেলার সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
বিশেষ করে কবর, মাজার ও অন্যান্য ধর্মীয় স্থাপনার আশপাশে কোনো আয়োজন থাকলে তা যাচাই করার দাবি উঠেছে।
স্থানীয়দের বক্তব্য, সমস্যা দেখা দেওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার চেয়ে আগে থেকেই বিষয়গুলো নজরে রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
এতে মেলার পরিবেশ যেমন সুন্দর থাকবে, তেমনি কোনো ধর্মীয় অনুভূতিতেও আঘাত লাগার আশঙ্কা কমবে।
বলুহ দেওয়ানের মেলা দীর্ঘদিন ধরে চৌগাছার ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।
এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে মেলা পরিচালনায় স্থানীয়দের অংশগ্রহণ ও মতামতকেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন অনেকে।
কবরের পাশে খেলনা ট্রেন বসানো নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে মেলার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তাদের প্রত্যাশা, মেলা কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে।
কবরের মর্যাদা রক্ষা এবং মেলার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে—এমনটাই আশা স্থানীয় সচেতন মহলের।
তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও মেলা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়াই হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয়দের পক্ষ থেকে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট ও শেয়ার করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
সব মিলিয়ে ঐতিহ্যবাহী বলুহ দেওয়ানের মেলায় আনন্দ-উৎসবের পাশাপাশি ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার দাবি উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন

ইছামতী

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


কবরের পাশে মেলা ও রাইড চৌগাছার বলুহ মেলায় বিতর্ক

প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

যশোরের চৌগাছা উপজেলার হাজরাখানা গ্রামে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী বলুহ দেওয়ানের মেলা।
প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো এই মেলাকে ঘিরে প্রতি বছরই স্থানীয়দের পাশাপাশি দূর-দূরান্তের মানুষের সমাগম ঘটে।
মেলায় বসেছে বিভিন্ন ধরনের দোকানপাট ও বিনোদনের আয়োজন।
শিশুদের বিনোদনের জন্য রাখা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের খেলনা ও রাইড।
তবে এবার মেলার একটি আয়োজন নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, একটি কবরের চতুর্পাশে শিশুদের বিনোদনের জন্য খেলনা ট্রেন চালু করা হয়েছে।
কবরের পাশে এ ধরনের বিনোদনমূলক স্থাপনা বসানো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয়দের একাংশ বলছেন, কবর একটি ধর্মীয়ভাবে সম্মানিত ও পবিত্র স্থান।
তাই কবরের আশপাশে বিনোদনের আয়োজন করা কতটা যুক্তিসংগত, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
তাদের দাবি, মেলার আনন্দ ও বিনোদনের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকলেও কবরের পাশে খেলনা ট্রেন বসানো উচিত হয়নি।
এতে কবরের পরিবেশ ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তারা মনে করছেন।
স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা বিষয়টি মেলা কর্তৃপক্ষের নজরে আনার আহ্বান জানিয়েছেন।
একই সঙ্গে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিষয়টি সরেজমিনে দেখার দাবি উঠেছে।
তাদের মতে, ঐতিহ্যবাহী মেলার আয়োজন অবশ্যই শৃঙ্খলা ও সামাজিক মূল্যবোধের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে করা উচিত।
বিশেষ করে ধর্মীয় স্থান, কবরস্থান ও মাজারের আশপাশে কোনো আয়োজন করার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
এদিকে মেলায় অশালীনতা বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি হচ্ছে কি না, সেটিও নজরদারির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তাদের অভিযোগ, বড় ধরনের মেলায় বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হওয়ায় কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তাই মেলা চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত নজরদারি প্রয়োজন বলে তারা মনে করছেন।
স্থানীয়দের কেউ কেউ বলছেন, মেলা ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ হলেও ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
কবরের পাশ থেকে খেলনা ট্রেনসহ বিনোদনমূলক স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
একই সঙ্গে মেলার পরিবেশ সুন্দর ও শৃঙ্খলাপূর্ণ রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, মেলার আয়োজনে শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থা থাকতেই পারে।
তবে সেই আয়োজন যেন কোনো ধর্মীয় স্থান বা কবরের মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ না করে, সেদিকে নজর রাখা জরুরি।
তারা মনে করছেন, বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা হলে মেলা নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কও কমবে।
এ বিষয়ে মেলা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
কবরের পাশে খেলনা ট্রেন স্থাপনের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়।
এছাড়া সংশ্লিষ্ট কবরটি মেলার নির্ধারিত এলাকার মধ্যে কীভাবে পড়েছে, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা প্রশাসনের সরেজমিন পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তাদের প্রত্যাশা, মেলার ঐতিহ্য বজায় রাখার পাশাপাশি ধর্মীয় অনুভূতি ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রতিও সম্মান দেখানো হবে।
এদিকে মেলায় আগত দর্শনার্থীদেরও কবর ও ধর্মীয় স্থানের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, বিনোদনের নামে কোনোভাবেই ধর্মীয় পরিবেশ নষ্ট করা উচিত নয়।
তারা বলছেন, মেলা আনন্দের জায়গা হলেও এর সঙ্গে স্থানীয় মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক অনুভূতিও জড়িত।
তাই মেলা কর্তৃপক্ষকে আরও সতর্কতার সঙ্গে বিভিন্ন বিনোদনমূলক স্থাপনা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
প্রশাসনের পক্ষ থেকেও মেলার সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
বিশেষ করে কবর, মাজার ও অন্যান্য ধর্মীয় স্থাপনার আশপাশে কোনো আয়োজন থাকলে তা যাচাই করার দাবি উঠেছে।
স্থানীয়দের বক্তব্য, সমস্যা দেখা দেওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার চেয়ে আগে থেকেই বিষয়গুলো নজরে রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
এতে মেলার পরিবেশ যেমন সুন্দর থাকবে, তেমনি কোনো ধর্মীয় অনুভূতিতেও আঘাত লাগার আশঙ্কা কমবে।
বলুহ দেওয়ানের মেলা দীর্ঘদিন ধরে চৌগাছার ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।
এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে মেলা পরিচালনায় স্থানীয়দের অংশগ্রহণ ও মতামতকেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন অনেকে।
কবরের পাশে খেলনা ট্রেন বসানো নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে মেলার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তাদের প্রত্যাশা, মেলা কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে।
কবরের মর্যাদা রক্ষা এবং মেলার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে—এমনটাই আশা স্থানীয় সচেতন মহলের।
তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও মেলা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়াই হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয়দের পক্ষ থেকে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট ও শেয়ার করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
সব মিলিয়ে ঐতিহ্যবাহী বলুহ দেওয়ানের মেলায় আনন্দ-উৎসবের পাশাপাশি ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার দাবি উঠেছে।


ইছামতী

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আরমান চৌধুরী
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ইছামতী