ঢাকা   মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
English
ই-পেপার
ইছামতী

পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন-পুনঃখননের লক্ষ্য সরকারের



পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন-পুনঃখননের লক্ষ্য সরকারের
ছবি:সংগৃহীত

ভূগর্ভস্থ পানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমানো, পানির স্তর রক্ষা, কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বাড়ানো এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এ তথ্য জানিয়েছেন।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন ও চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পর্যায়ক্রমে এসব খাল খনন ও পুনঃখননের কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এরই অংশ হিসেবে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় জুন ২০২৬ পর্যন্ত পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারাদেশে ১ হাজার ২০৪ কিলোমিটার খাল খনন বা পুনঃখননের কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পলি জমে অনেক খাল নাব্যতা হারিয়েছে। কোথাও কোথাও দখল ও ভরাটের কারণে পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে পানি সংকটও দেখা দিচ্ছে। খালগুলো পুনরুজ্জীবিত করা গেলে একদিকে যেমন বর্ষার পানি দ্রুত নিষ্কাশনের সুযোগ তৈরি হবে, অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে পানি ধরে রাখা সম্ভব হবে।

ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে

দেশের বিভিন্ন এলাকায় কৃষি, শিল্প ও গৃহস্থালির কাজে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার দীর্ঘদিন ধরে বেড়ে চলেছে। অতিরিক্ত পানি উত্তোলনের ফলে কিছু অঞ্চলে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানো এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের সুযোগ তৈরি করাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে সরকার।

জাতীয় সংসদে দেওয়া তথ্যে পানিসম্পদ মন্ত্রী জানিয়েছেন, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে বিকল্প পানির উৎস ব্যবহারের পাশাপাশি পানি সংকটাপন্ন এলাকা চিহ্নিতকরণ, অ্যাকুইফার ম্যাপিং এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির পরিমাণ, গুণগত মান ও নিরাপদ উত্তোলনসীমা নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন-পুনঃখননের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব

খাল খননের ফলে কৃষিকাজে সেচের পানির প্রাপ্যতা বাড়ার পাশাপাশি বর্ষার অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণের সুযোগ তৈরি হবে। এতে শুষ্ক মৌসুমে কৃষকদের পানির সংকট কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে খালগুলোতে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক হলে দেশীয় মাছের প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্রও বাড়তে পারে। খালকেন্দ্রিক মাছ চাষ ও মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনার সুযোগ তৈরি হলে গ্রামীণ মানুষের আয় বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় বাজার ও অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেছেন, খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচিতে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। স্থানীয় শ্রমজীবী মানুষের হাতে অর্থ পৌঁছালে তা স্থানীয় বাজারে ব্যয় হবে এবং এর মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যবসা-বাণিজ্যও গতিশীল হবে।

জলাবদ্ধতা কমানোর পাশাপাশি পানি সংরক্ষণ

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি খাল শুধু পানি প্রবাহের পথ নয়; এটি একই সঙ্গে পানি নিষ্কাশন, পানি সংরক্ষণ, কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক অবকাঠামো। খাল ভরাট বা দখল হয়ে গেলে বর্ষায় পানি নিষ্কাশনের পথ সংকুচিত হয়। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে।

অন্যদিকে খাল পুনঃখননের মাধ্যমে বর্ষার পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানো গেলে অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশনের পাশাপাশি প্রয়োজনের সময় সেই পানি কৃষিকাজে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। দীর্ঘমেয়াদে এটি ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতেও সহায়ক হতে পারে।

অনিয়ম ও দখলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান

খাল খনন কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে দখলমুক্ত রাখা, সঠিকভাবে খনন করা এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পানিসম্পদ মন্ত্রী এর আগে খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা জানিয়েছেন। খাল খননের কাজে কোনো ধরনের অনিয়মও বরদাশত করা হবে না বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

সরকারের এই বৃহৎ কর্মসূচির আওতায় কোথায় কোন খাল বেশি গুরুত্বপূর্ণ, কোন এলাকায় পানি সংকট বা জলাবদ্ধতা বেশি এবং কোথায় কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে—এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

দীর্ঘমেয়াদে সুফল পাওয়ার প্রত্যাশা

আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের পানি ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানো, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমানো, কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করার সুযোগ তৈরি হবে।

তবে এই উদ্যোগের কাঙ্ক্ষিত সুফল পেতে শুধু খাল খনন করলেই হবে না; খালগুলোকে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, দখল ও দূষণমুক্ত রাখা এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করাও জরুরি। সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পিতভাবে এসব কাজ করা গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ দেশের পানি নিরাপত্তা ও পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

ইছামতী

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন-পুনঃখননের লক্ষ্য সরকারের

প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ভূগর্ভস্থ পানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমানো, পানির স্তর রক্ষা, কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বাড়ানো এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এ তথ্য জানিয়েছেন।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন ও চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পর্যায়ক্রমে এসব খাল খনন ও পুনঃখননের কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এরই অংশ হিসেবে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় জুন ২০২৬ পর্যন্ত পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারাদেশে ১ হাজার ২০৪ কিলোমিটার খাল খনন বা পুনঃখননের কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পলি জমে অনেক খাল নাব্যতা হারিয়েছে। কোথাও কোথাও দখল ও ভরাটের কারণে পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে পানি সংকটও দেখা দিচ্ছে। খালগুলো পুনরুজ্জীবিত করা গেলে একদিকে যেমন বর্ষার পানি দ্রুত নিষ্কাশনের সুযোগ তৈরি হবে, অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে পানি ধরে রাখা সম্ভব হবে।

ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে

দেশের বিভিন্ন এলাকায় কৃষি, শিল্প ও গৃহস্থালির কাজে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার দীর্ঘদিন ধরে বেড়ে চলেছে। অতিরিক্ত পানি উত্তোলনের ফলে কিছু অঞ্চলে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানো এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের সুযোগ তৈরি করাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে সরকার।

জাতীয় সংসদে দেওয়া তথ্যে পানিসম্পদ মন্ত্রী জানিয়েছেন, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে বিকল্প পানির উৎস ব্যবহারের পাশাপাশি পানি সংকটাপন্ন এলাকা চিহ্নিতকরণ, অ্যাকুইফার ম্যাপিং এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির পরিমাণ, গুণগত মান ও নিরাপদ উত্তোলনসীমা নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন-পুনঃখননের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব

খাল খননের ফলে কৃষিকাজে সেচের পানির প্রাপ্যতা বাড়ার পাশাপাশি বর্ষার অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণের সুযোগ তৈরি হবে। এতে শুষ্ক মৌসুমে কৃষকদের পানির সংকট কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে খালগুলোতে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক হলে দেশীয় মাছের প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্রও বাড়তে পারে। খালকেন্দ্রিক মাছ চাষ ও মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনার সুযোগ তৈরি হলে গ্রামীণ মানুষের আয় বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় বাজার ও অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেছেন, খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচিতে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। স্থানীয় শ্রমজীবী মানুষের হাতে অর্থ পৌঁছালে তা স্থানীয় বাজারে ব্যয় হবে এবং এর মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যবসা-বাণিজ্যও গতিশীল হবে।

জলাবদ্ধতা কমানোর পাশাপাশি পানি সংরক্ষণ

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি খাল শুধু পানি প্রবাহের পথ নয়; এটি একই সঙ্গে পানি নিষ্কাশন, পানি সংরক্ষণ, কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক অবকাঠামো। খাল ভরাট বা দখল হয়ে গেলে বর্ষায় পানি নিষ্কাশনের পথ সংকুচিত হয়। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে।

অন্যদিকে খাল পুনঃখননের মাধ্যমে বর্ষার পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানো গেলে অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশনের পাশাপাশি প্রয়োজনের সময় সেই পানি কৃষিকাজে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। দীর্ঘমেয়াদে এটি ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতেও সহায়ক হতে পারে।

অনিয়ম ও দখলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান

খাল খনন কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে দখলমুক্ত রাখা, সঠিকভাবে খনন করা এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পানিসম্পদ মন্ত্রী এর আগে খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা জানিয়েছেন। খাল খননের কাজে কোনো ধরনের অনিয়মও বরদাশত করা হবে না বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

সরকারের এই বৃহৎ কর্মসূচির আওতায় কোথায় কোন খাল বেশি গুরুত্বপূর্ণ, কোন এলাকায় পানি সংকট বা জলাবদ্ধতা বেশি এবং কোথায় কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে—এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

দীর্ঘমেয়াদে সুফল পাওয়ার প্রত্যাশা

আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের পানি ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানো, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমানো, কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করার সুযোগ তৈরি হবে।

তবে এই উদ্যোগের কাঙ্ক্ষিত সুফল পেতে শুধু খাল খনন করলেই হবে না; খালগুলোকে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, দখল ও দূষণমুক্ত রাখা এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করাও জরুরি। সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পিতভাবে এসব কাজ করা গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ দেশের পানি নিরাপত্তা ও পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


ইছামতী

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আরমান চৌধুরী
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ইছামতী