ঢাকা   মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
English
ই-পেপার
ইছামতী

বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন: কুয়েটের উদ্ভাবনী প্রকল্প দেখলেন প্রধানমন্ত্রী,বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস



বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন: কুয়েটের উদ্ভাবনী প্রকল্প দেখলেন প্রধানমন্ত্রী,বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস
ছবি:সংগৃহীত

১০ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার: মানববর্জ্য, পয়ঃশোধনাগারের বর্জ্য, রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট এবং কৃষিজ অবশিষ্টাংশ ব্যবহার করে জ্বালানি তেল উৎপাদনের উদ্ভাবনী গবেষণা প্রকল্পের প্রদর্শনী পরিদর্শন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রকল্পটির বাণিজ্যিক সম্ভাবনা বিবেচনায় এর বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

শনিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) গবেষকেরা তাঁদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি, দীর্ঘদিনের গবেষণার অগ্রগতি এবং বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের সম্ভাব্যতা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ তথ্য জানান। প্রকল্পটি পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী এর প্রযুক্তিগত কার্যক্রম, গবেষণার ফলাফল এবং ভবিষ্যৎ বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন। গবেষণার ফলাফলকে বাস্তবমুখী উৎপাদনব্যবস্থায় রূপান্তরের সম্ভাবনাও এ সময় গুরুত্ব পায়।

প্রায় এক দশকের গবেষণায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি

প্রকল্পটির গবেষক কুয়েটের অধ্যাপক ড. মো. খালেকুজ্জামান প্রধানমন্ত্রীকে বর্জ্য থেকে জৈব অপরিশোধিত তেল বা ‘বায়োক্রুড’ উৎপাদনের প্রযুক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেন। প্রায় ১০ বছর ধরে পরিচালিত এ গবেষণায় ‘হাইড্রোথার্মাল লিকুইফ্যাকশন’ (Hydrothermal Liquefaction—HTL) প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের জৈব বর্জ্য থেকে তেল উৎপাদনের কাজ চলছে।

এ প্রযুক্তিতে নিয়ন্ত্রিত তাপ ও উচ্চচাপের পরিবেশে ভেজা জৈব বর্জ্যকে প্রক্রিয়াজাত করে জৈব অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করা হয়। ফলে প্রচলিতভাবে ফেলে দেওয়া বর্জ্যকে সম্ভাবনাময় জ্বালানির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়।

গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, পরীক্ষাগারে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে বর্জ্য থেকে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বায়োক্রুড উৎপাদনের ফল পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ডিজেলসমৃদ্ধ বায়োক্রুড উৎপাদনেও অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। তবে পরীক্ষাগারের এ ফলাফলকে বাণিজ্যিক উৎপাদনের চূড়ান্ত সক্ষমতা হিসেবে বিবেচনা করার আগে বৃহৎ পরিসরে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা ও উৎপাদন ব্যয় যাচাই করা প্রয়োজন।

প্রতিদিন ১ থেকে ৩ টন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের পরিকল্পনা

গবেষণার পরবর্তী ধাপে প্রতিদিন ১ থেকে ৩ টন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণে সক্ষম একটি পাইলট প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাবিত প্ল্যান্টে প্রযুক্তিটির বাস্তব কার্যকারিতা, উৎপাদিত তেলের গুণগত মান, পরিচালন ব্যয় এবং বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণের সম্ভাবনা যাচাই করা হবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, এ পাইলট প্ল্যান্ট স্থাপনে আনুমানিক ১০০ থেকে ১২০ কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে। এ পর্যায়ের সফল বাস্তবায়ন গবেষণাগারে অর্জিত ফলাফলকে শিল্প পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রকল্পটি পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী এর কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। সম্ভাবনাময় এ প্রযুক্তিকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমানোর সম্ভাবনা

বাংলাদেশে জ্বালানি চাহিদা পূরণে আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো, বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় এবং বিকল্প জ্বালানির উৎস সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এ ধরনের গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের মাধ্যমে একদিকে যেমন জ্বালানি উৎপাদনের নতুন পথ তৈরি হতে পারে, অন্যদিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চাপ কমাতেও সহায়তা মিলতে পারে।

বিশেষ করে মানববর্জ্য, পয়ঃশোধনাগারের বর্জ্য, রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশের বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জৈব বর্জ্যের কার্যকর ব্যবহার বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তবে এ প্রযুক্তির বাণিজ্যিক সাফল্য নির্ভর করবে উৎপাদিত তেলের গুণগত মান, পরিশোধন ও ব্যবহারযোগ্যতা, প্রতি একক জ্বালানি উৎপাদনের ব্যয়, পরিবেশগত প্রভাব এবং বৃহৎ পরিসরে প্রযুক্তিটির নির্ভরযোগ্যতার ওপর। এসব বিষয় পাইলট প্ল্যান্টের পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা গেলে ভবিষ্যতে শিল্প পর্যায়ে সম্প্রসারণের পথ আরও সুস্পষ্ট হতে পারে।

গবেষণা থেকে শিল্পায়নের পথে নতুন সম্ভাবনা

কুয়েটের গবেষকদের এ উদ্যোগ দেশের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জ্বালানি খাতে দেশীয় উদ্ভাবনের সম্ভাবনাকে সামনে এনেছে। গবেষণাগারে অর্জিত সাফল্যকে কার্যকর উৎপাদনব্যবস্থায় রূপান্তর করা সম্ভব হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বিকল্প জ্বালানি উৎপাদন এবং পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা, অর্থনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা ও পরিবেশগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া গেলে এটি বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে একটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাস এ গবেষণাকে পরবর্তী পর্যায়ে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হতে পারে। এখন পাইলট প্ল্যান্ট স্থাপন, প্রয়োজনীয় অর্থায়ন, প্রযুক্তিগত যাচাই এবং বাণিজ্যিক উৎপাদনের বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা প্রণয়নই হবে প্রকল্পটির পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

স্থান: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, তেজগাঁও, ঢাকা

তারিখ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার

আপনার মতামত লিখুন

ইছামতী

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন: কুয়েটের উদ্ভাবনী প্রকল্প দেখলেন প্রধানমন্ত্রী,বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস

প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

১০ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার: মানববর্জ্য, পয়ঃশোধনাগারের বর্জ্য, রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট এবং কৃষিজ অবশিষ্টাংশ ব্যবহার করে জ্বালানি তেল উৎপাদনের উদ্ভাবনী গবেষণা প্রকল্পের প্রদর্শনী পরিদর্শন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রকল্পটির বাণিজ্যিক সম্ভাবনা বিবেচনায় এর বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

শনিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) গবেষকেরা তাঁদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি, দীর্ঘদিনের গবেষণার অগ্রগতি এবং বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের সম্ভাব্যতা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ তথ্য জানান। প্রকল্পটি পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী এর প্রযুক্তিগত কার্যক্রম, গবেষণার ফলাফল এবং ভবিষ্যৎ বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন। গবেষণার ফলাফলকে বাস্তবমুখী উৎপাদনব্যবস্থায় রূপান্তরের সম্ভাবনাও এ সময় গুরুত্ব পায়।

প্রায় এক দশকের গবেষণায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি

প্রকল্পটির গবেষক কুয়েটের অধ্যাপক ড. মো. খালেকুজ্জামান প্রধানমন্ত্রীকে বর্জ্য থেকে জৈব অপরিশোধিত তেল বা ‘বায়োক্রুড’ উৎপাদনের প্রযুক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেন। প্রায় ১০ বছর ধরে পরিচালিত এ গবেষণায় ‘হাইড্রোথার্মাল লিকুইফ্যাকশন’ (Hydrothermal Liquefaction—HTL) প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের জৈব বর্জ্য থেকে তেল উৎপাদনের কাজ চলছে।

এ প্রযুক্তিতে নিয়ন্ত্রিত তাপ ও উচ্চচাপের পরিবেশে ভেজা জৈব বর্জ্যকে প্রক্রিয়াজাত করে জৈব অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করা হয়। ফলে প্রচলিতভাবে ফেলে দেওয়া বর্জ্যকে সম্ভাবনাময় জ্বালানির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়।

গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, পরীক্ষাগারে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে বর্জ্য থেকে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বায়োক্রুড উৎপাদনের ফল পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ডিজেলসমৃদ্ধ বায়োক্রুড উৎপাদনেও অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। তবে পরীক্ষাগারের এ ফলাফলকে বাণিজ্যিক উৎপাদনের চূড়ান্ত সক্ষমতা হিসেবে বিবেচনা করার আগে বৃহৎ পরিসরে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা ও উৎপাদন ব্যয় যাচাই করা প্রয়োজন।

প্রতিদিন ১ থেকে ৩ টন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের পরিকল্পনা

গবেষণার পরবর্তী ধাপে প্রতিদিন ১ থেকে ৩ টন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণে সক্ষম একটি পাইলট প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাবিত প্ল্যান্টে প্রযুক্তিটির বাস্তব কার্যকারিতা, উৎপাদিত তেলের গুণগত মান, পরিচালন ব্যয় এবং বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণের সম্ভাবনা যাচাই করা হবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, এ পাইলট প্ল্যান্ট স্থাপনে আনুমানিক ১০০ থেকে ১২০ কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে। এ পর্যায়ের সফল বাস্তবায়ন গবেষণাগারে অর্জিত ফলাফলকে শিল্প পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রকল্পটি পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী এর কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। সম্ভাবনাময় এ প্রযুক্তিকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমানোর সম্ভাবনা

বাংলাদেশে জ্বালানি চাহিদা পূরণে আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো, বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় এবং বিকল্প জ্বালানির উৎস সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এ ধরনের গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের মাধ্যমে একদিকে যেমন জ্বালানি উৎপাদনের নতুন পথ তৈরি হতে পারে, অন্যদিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চাপ কমাতেও সহায়তা মিলতে পারে।

বিশেষ করে মানববর্জ্য, পয়ঃশোধনাগারের বর্জ্য, রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশের বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জৈব বর্জ্যের কার্যকর ব্যবহার বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তবে এ প্রযুক্তির বাণিজ্যিক সাফল্য নির্ভর করবে উৎপাদিত তেলের গুণগত মান, পরিশোধন ও ব্যবহারযোগ্যতা, প্রতি একক জ্বালানি উৎপাদনের ব্যয়, পরিবেশগত প্রভাব এবং বৃহৎ পরিসরে প্রযুক্তিটির নির্ভরযোগ্যতার ওপর। এসব বিষয় পাইলট প্ল্যান্টের পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা গেলে ভবিষ্যতে শিল্প পর্যায়ে সম্প্রসারণের পথ আরও সুস্পষ্ট হতে পারে।

গবেষণা থেকে শিল্পায়নের পথে নতুন সম্ভাবনা

কুয়েটের গবেষকদের এ উদ্যোগ দেশের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জ্বালানি খাতে দেশীয় উদ্ভাবনের সম্ভাবনাকে সামনে এনেছে। গবেষণাগারে অর্জিত সাফল্যকে কার্যকর উৎপাদনব্যবস্থায় রূপান্তর করা সম্ভব হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বিকল্প জ্বালানি উৎপাদন এবং পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা, অর্থনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা ও পরিবেশগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া গেলে এটি বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে একটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাস এ গবেষণাকে পরবর্তী পর্যায়ে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হতে পারে। এখন পাইলট প্ল্যান্ট স্থাপন, প্রয়োজনীয় অর্থায়ন, প্রযুক্তিগত যাচাই এবং বাণিজ্যিক উৎপাদনের বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা প্রণয়নই হবে প্রকল্পটির পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

স্থান: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, তেজগাঁও, ঢাকা

তারিখ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার


ইছামতী

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আরমান চৌধুরী
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ইছামতী