ঢাকা   মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
English
ই-পেপার
ইছামতী

দুই দিন বন্ধ থাকবে সারা দেশের এলপিজি গ্যাসের দোকান, ১৫ ও ১৬ অক্টোবর কর্মবিরতির ঘোষণা



দুই দিন বন্ধ থাকবে সারা দেশের এলপিজি গ্যাসের দোকান, ১৫ ও ১৬ অক্টোবর কর্মবিরতির ঘোষণা
ছবি:সংগৃহীত

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হয়রানি বন্ধ, পরিবেশকদের কমিশন পুনর্নির্ধারণ এবং অব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার পুনরায় বাজারজাত করার দাবিতে আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারা দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

সোমবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন এলপিজি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি সেলিম খান।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার (১৫ ও ১৬ অক্টোবর) সারা দেশের এলপিজি বিক্রয়কেন্দ্র ও দোকান বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছেন পরিবেশকেরা। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনায় বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা, কমিশনসংক্রান্ত অসন্তোষ এবং গ্যাস সিলিন্ডার বাজারজাতকরণে জটিলতার কারণে তাঁরা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হয়রানির কারণে তাঁদের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে নিরাপদ ও স্বাভাবিক ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

এ ছাড়া এলপিজি ব্যবসায়ীদের কমিশন পুনর্নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে। তাঁদের মতে, ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় ও বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনায় কমিশন কাঠামো পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার পুনরায় বাজারে ছাড়ার সুযোগ নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, এসব সমস্যার সমাধান না হলে এলপিজি সরবরাহ ও বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং দাবিগুলো আদায়ের লক্ষ্যে দুই দিনের এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

এদিকে, দুই দিন এলপিজি বিক্রির দোকান বন্ধ থাকলে বাসাবাড়ি, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গ্যাসের সিলিন্ডার কেনাকাটায় ভোগান্তির আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে যেসব পরিবার রান্নার কাজে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল, তাদের প্রয়োজনীয় সিলিন্ডার আগেই সংগ্রহ করে রাখার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া জরুরি হতে পারে।

তবে ঘোষিত কর্মসূচির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং দাবিগুলোর বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হবে।

ব্যবসায়ীদের দাবিগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান হলে এলপিজি সরবরাহ ও বিপণন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

ইছামতী

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


দুই দিন বন্ধ থাকবে সারা দেশের এলপিজি গ্যাসের দোকান, ১৫ ও ১৬ অক্টোবর কর্মবিরতির ঘোষণা

প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হয়রানি বন্ধ, পরিবেশকদের কমিশন পুনর্নির্ধারণ এবং অব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার পুনরায় বাজারজাত করার দাবিতে আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারা দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।


সোমবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন এলপিজি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি সেলিম খান।


ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার (১৫ ও ১৬ অক্টোবর) সারা দেশের এলপিজি বিক্রয়কেন্দ্র ও দোকান বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছেন পরিবেশকেরা। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনায় বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা, কমিশনসংক্রান্ত অসন্তোষ এবং গ্যাস সিলিন্ডার বাজারজাতকরণে জটিলতার কারণে তাঁরা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।


ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হয়রানির কারণে তাঁদের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে নিরাপদ ও স্বাভাবিক ব্যবসার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।


এ ছাড়া এলপিজি ব্যবসায়ীদের কমিশন পুনর্নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে। তাঁদের মতে, ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় ও বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনায় কমিশন কাঠামো পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার পুনরায় বাজারে ছাড়ার সুযোগ নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।


ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, এসব সমস্যার সমাধান না হলে এলপিজি সরবরাহ ও বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং দাবিগুলো আদায়ের লক্ষ্যে দুই দিনের এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।


এদিকে, দুই দিন এলপিজি বিক্রির দোকান বন্ধ থাকলে বাসাবাড়ি, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গ্যাসের সিলিন্ডার কেনাকাটায় ভোগান্তির আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে যেসব পরিবার রান্নার কাজে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল, তাদের প্রয়োজনীয় সিলিন্ডার আগেই সংগ্রহ করে রাখার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া জরুরি হতে পারে।


তবে ঘোষিত কর্মসূচির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং দাবিগুলোর বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হবে।


ব্যবসায়ীদের দাবিগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান হলে এলপিজি সরবরাহ ও বিপণন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


ইছামতী

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আরমান চৌধুরী
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ইছামতী