ঢাকা   শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
English
ই-পেপার
ইছামতি

অবৈধ সংযোগে ব্যাটারিচালিত রিকশা-ই-বাইক চার্জ,গ্যাস সংকটের নেপথ্যে এফএসআরইউ দুর্ঘটনা

রাত ১২টার পরও ১৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদা!


অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

রাত ১২টার পরও ১৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদা!
ছবি:সংগৃহীত

দেশে বিদ্যুতের ব্যবহারের ধরন দ্রুত বদলে যাওয়ায় রাত গভীর হওয়ার পরও বিদ্যুতের চাহিদা আশঙ্কাজনকভাবে বেশি থাকছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাত ১২টার পরও দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট থাকছে। এর পেছনে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ই-বাইকের ব্যাপক ব্যবহার এবং রাতে এসব যানবাহনের ব্যাটারি চার্জ দেওয়াকে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টারে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা: জরুরি অগ্রাধিকারসমূহ এবং একটি টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যতের পথ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

অবৈধ সংযোগে বিদ্যুতের অপচয়

মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিপুলসংখ্যক ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ই-বাইক রাতের বেলায় চার্জ দেওয়া হয়। এসব যানবাহনের একটি বড় অংশের চার্জিং কার্যক্রম অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। ফলে একদিকে যেমন বিদ্যুতের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে সরকার বৈধভাবে সরবরাহ করা বিদ্যুতের হিসাব ও ব্যবস্থাপনাতেও সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে।

তিনি জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছে সরকার। তবে কিছু স্থানে অভিযান পরিচালনার সময় বাধার সম্মুখীন হওয়ার কথাও জানান তিনি।

গভীর রাতেও কেন এত বিদ্যুতের চাহিদা?

সাধারণত রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুতের চাহিদা কমে আসে। কিন্তু ব্যাটারিচালিত যানবাহনের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সেই প্রচলিত চিত্র বদলে যাচ্ছে। দিনের বেলায় চলাচলের পর রাতেই এসব রিকশা ও ই-বাইকের বড় অংশ চার্জে বসানো হয়।

ফলে আবাসিক ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের পাশাপাশি রাতের চার্জিং চাহিদাও জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে। বিশেষ করে অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে পরিচালিত চার্জিং কেন্দ্রগুলো এই সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলছে বলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে উঠে এসেছে।

মহেশখালীর এফএসআরইউ দুর্ঘটনায় গ্যাস সংকট

এদিকে দেশে চলমান গ্যাস সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউতে (Floating Storage and Regasification Unit) ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডের কথা উল্লেখ করেছেন জ্বালানিমন্ত্রী।

এর আগে গত ২১ জুলাই মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত এফএসআরইউতে অগ্নিকাণ্ডের পর টার্মিনালটির কার্যক্রমে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। এর ফলে আমদানি করা এলএনজি খালাস ও পুনঃগ্যাসীকরণে সমস্যা তৈরি হয় এবং দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি আরও চাপে পড়ে।

মন্ত্রী বলেন, কারিগরি ত্রুটি ও অগ্নিকাণ্ডের পরপরই পাশের একটি এলএনজিবাহী জাহাজ দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। সময়মতো জাহাজটি সরিয়ে নেওয়ার কারণে সম্ভাব্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

গ্যাস সরবরাহে ধাক্কা, বাড়ছে জ্বালানি চাপ

এলএনজি সরবরাহ ব্যবস্থায় এই ধরনের আকস্মিক বিঘ্ন দেশের সামগ্রিক জ্বালানি ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলে। কারণ আমদানিকৃত এলএনজি বর্তমানে দেশের গ্যাস সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর সরবরাহ কমে গেলে রান্নার গ্যাসের চাপ থেকে শুরু করে শিল্পকারখানা ও গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র—সব ক্ষেত্রেই এর প্রভাব পড়তে পারে।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট গ্যাস সরবরাহের প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ এলএনজি থেকে আসে। ফলে কোনো একটি এলএনজি টার্মিনালে দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা দেখা দিলে জাতীয় গ্যাস ব্যবস্থায় তার প্রভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

জ্বালানি নিরাপত্তায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজন

বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ার পাশাপাশি আমদানিনির্ভরতা, অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় আকস্মিক বিঘ্ন—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের জ্বালানি খাত এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে।

এ অবস্থায় শুধু তাৎক্ষণিক সংকট মোকাবিলা নয়, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের উৎপাদন ও সরবরাহ সক্ষমতা বাড়ানো, অবৈধ সংযোগ বন্ধ করা, ব্যাটারিচালিত যানবাহনের চার্জিং ব্যবস্থাকে নিয়মের মধ্যে আনা এবং বিকল্প ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

সরকার এরই মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে নতুন এলএনজি অবকাঠামো বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। ২০২৯ সালের মধ্যে আরও তিনটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী।

সব মিলিয়ে, রাত গভীর হওয়ার পরও ১৮ হাজার মেগাওয়াটের মতো উচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা এবং একই সময়ে গ্যাস সরবরাহে চাপ—দুটি বিষয়ই বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার বন্ধের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদন, সঞ্চালন ও জ্বালানি সরবরাহ অবকাঠাম

আপনার মতামত লিখুন

ইছামতি

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রাত ১২টার পরও ১৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদা!

প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

দেশে বিদ্যুতের ব্যবহারের ধরন দ্রুত বদলে যাওয়ায় রাত গভীর হওয়ার পরও বিদ্যুতের চাহিদা আশঙ্কাজনকভাবে বেশি থাকছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাত ১২টার পরও দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট থাকছে। এর পেছনে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ই-বাইকের ব্যাপক ব্যবহার এবং রাতে এসব যানবাহনের ব্যাটারি চার্জ দেওয়াকে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টারে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা: জরুরি অগ্রাধিকারসমূহ এবং একটি টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যতের পথ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

অবৈধ সংযোগে বিদ্যুতের অপচয়

মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিপুলসংখ্যক ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ই-বাইক রাতের বেলায় চার্জ দেওয়া হয়। এসব যানবাহনের একটি বড় অংশের চার্জিং কার্যক্রম অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। ফলে একদিকে যেমন বিদ্যুতের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে সরকার বৈধভাবে সরবরাহ করা বিদ্যুতের হিসাব ও ব্যবস্থাপনাতেও সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে।

তিনি জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছে সরকার। তবে কিছু স্থানে অভিযান পরিচালনার সময় বাধার সম্মুখীন হওয়ার কথাও জানান তিনি।

গভীর রাতেও কেন এত বিদ্যুতের চাহিদা?

সাধারণত রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুতের চাহিদা কমে আসে। কিন্তু ব্যাটারিচালিত যানবাহনের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সেই প্রচলিত চিত্র বদলে যাচ্ছে। দিনের বেলায় চলাচলের পর রাতেই এসব রিকশা ও ই-বাইকের বড় অংশ চার্জে বসানো হয়।

ফলে আবাসিক ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের পাশাপাশি রাতের চার্জিং চাহিদাও জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে। বিশেষ করে অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে পরিচালিত চার্জিং কেন্দ্রগুলো এই সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলছে বলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে উঠে এসেছে।

মহেশখালীর এফএসআরইউ দুর্ঘটনায় গ্যাস সংকট

এদিকে দেশে চলমান গ্যাস সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউতে (Floating Storage and Regasification Unit) ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডের কথা উল্লেখ করেছেন জ্বালানিমন্ত্রী।

এর আগে গত ২১ জুলাই মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত এফএসআরইউতে অগ্নিকাণ্ডের পর টার্মিনালটির কার্যক্রমে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। এর ফলে আমদানি করা এলএনজি খালাস ও পুনঃগ্যাসীকরণে সমস্যা তৈরি হয় এবং দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি আরও চাপে পড়ে।

মন্ত্রী বলেন, কারিগরি ত্রুটি ও অগ্নিকাণ্ডের পরপরই পাশের একটি এলএনজিবাহী জাহাজ দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। সময়মতো জাহাজটি সরিয়ে নেওয়ার কারণে সম্ভাব্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

গ্যাস সরবরাহে ধাক্কা, বাড়ছে জ্বালানি চাপ

এলএনজি সরবরাহ ব্যবস্থায় এই ধরনের আকস্মিক বিঘ্ন দেশের সামগ্রিক জ্বালানি ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলে। কারণ আমদানিকৃত এলএনজি বর্তমানে দেশের গ্যাস সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর সরবরাহ কমে গেলে রান্নার গ্যাসের চাপ থেকে শুরু করে শিল্পকারখানা ও গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র—সব ক্ষেত্রেই এর প্রভাব পড়তে পারে।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট গ্যাস সরবরাহের প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ এলএনজি থেকে আসে। ফলে কোনো একটি এলএনজি টার্মিনালে দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা দেখা দিলে জাতীয় গ্যাস ব্যবস্থায় তার প্রভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

জ্বালানি নিরাপত্তায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজন

বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ার পাশাপাশি আমদানিনির্ভরতা, অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় আকস্মিক বিঘ্ন—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের জ্বালানি খাত এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে।

এ অবস্থায় শুধু তাৎক্ষণিক সংকট মোকাবিলা নয়, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের উৎপাদন ও সরবরাহ সক্ষমতা বাড়ানো, অবৈধ সংযোগ বন্ধ করা, ব্যাটারিচালিত যানবাহনের চার্জিং ব্যবস্থাকে নিয়মের মধ্যে আনা এবং বিকল্প ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

সরকার এরই মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে নতুন এলএনজি অবকাঠামো বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। ২০২৯ সালের মধ্যে আরও তিনটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী।

সব মিলিয়ে, রাত গভীর হওয়ার পরও ১৮ হাজার মেগাওয়াটের মতো উচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা এবং একই সময়ে গ্যাস সরবরাহে চাপ—দুটি বিষয়ই বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার বন্ধের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদন, সঞ্চালন ও জ্বালানি সরবরাহ অবকাঠাম


ইছামতি

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আরমান চৌধুরী
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ইছামতি