ঢাকা   মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
English
ই-পেপার
ইছামতী

সংবিধান সংশোধন নিয়ে বিশেষ কমিটির অষ্টম বৈঠক অনুষ্ঠিত,আলোচনায় অনুচ্ছেদ ৭০ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা



সংবিধান সংশোধন নিয়ে বিশেষ কমিটির অষ্টম বৈঠক অনুষ্ঠিত,আলোচনায় অনুচ্ছেদ ৭০ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
ছবি:সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির অষ্টম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর ২০২৬) জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে সংবিধান সংশোধন, জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন, সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ ও ভোটদানের অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যপরিধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সংবিধানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ সংশোধনের বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত ও প্রস্তাবও পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, জয়নুল আবেদীন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এবং সাকিলা ফারজানা অংশগ্রহণ করেন।

এ ছাড়া দেশের বিশিষ্ট সংবিধান বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির তালিকাভুক্ত অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপকেরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ৪৪ জন তাঁদের লিখিত ও মৌখিক মতামত এবং প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা

বৈঠকে সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর নীতি, বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়। সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে মৌলিক সাংবিধানিক নীতিমালা কীভাবে সংরক্ষণ করা যায় এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা কীভাবে আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব, সে বিষয়ে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরা হয়।

একই সঙ্গে বিচারক নিয়োগের জন্য পৃথক আইন প্রণয়ন এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা ও স্বতন্ত্র কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।

অনুচ্ছেদ ৭০ সংশোধনের প্রস্তাব

বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় ছিল সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭০ সংশোধন। এ বিষয়ে উত্থাপিত প্রস্তাবে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ ও ভোটদানের সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, আস্থা ভোট, অর্থবিল, সংবিধান সংশোধন এবং জাতীয় নিরাপত্তা বা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি—এই চারটি ক্ষেত্র ছাড়া অন্যান্য বিষয়ে সংসদ সদস্যদের নিজস্ব বিবেচনায় মতামত প্রকাশ ও ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখার বিষয়টি আলোচনা করা হয়।

এ ধরনের সংশোধনের সম্ভাব্য প্রভাব, সংসদীয় দলীয় শৃঙ্খলা এবং সংসদ সদস্যদের স্বাধীন ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মতামত উপস্থাপন করা হয়। তবে আলোচনায় উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা গৃহীত সংশোধনী হিসেবে গণ্য হবে না; এগুলো কমিটির পর্যালোচনার অংশ।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য

রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্ব পায়। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।

পাশাপাশি সংবিধিবদ্ধ সংস্থাগুলোর স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্র ও কার্যপরিধি নির্ধারণের বিষয়েও আলোচনা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা আলোচনায় উঠে আসে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটি

বৈঠকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করা হয়। এ ক্ষেত্রে উচ্চকক্ষের অংশগ্রহণের ধরন, সাংবিধানিক কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

এ ছাড়া সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭৬ অনুযায়ী সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদে বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের মনোনয়নের বিষয়টি আলোচনায় আসে। সংসদীয় কার্যক্রমে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং কমিটিগুলোর কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এ ধরনের ব্যবস্থার সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে মতামত দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতামত পর্যালোচনা

বৈঠকে অংশ নেওয়া ৪৪ জন আমন্ত্রিত বিশেষজ্ঞ সংবিধান সংশোধনের বিভিন্ন দিক নিয়ে তাঁদের লিখিত ও মৌখিক মতামত তুলে ধরেন। তাঁদের প্রস্তাবে সংবিধানের মৌলিক নীতিমালা সংরক্ষণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতার ভারসাম্য, সংসদীয় গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো স্থান পায়।

জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন এবং সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ সংশোধনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রস্তাবের সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাব বিবেচনার বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন

ইছামতী

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


সংবিধান সংশোধন নিয়ে বিশেষ কমিটির অষ্টম বৈঠক অনুষ্ঠিত,আলোচনায় অনুচ্ছেদ ৭০ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা

প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির অষ্টম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর ২০২৬) জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে সংবিধান সংশোধন, জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন, সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ ও ভোটদানের অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যপরিধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সংবিধানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ সংশোধনের বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত ও প্রস্তাবও পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, জয়নুল আবেদীন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এবং সাকিলা ফারজানা অংশগ্রহণ করেন।

এ ছাড়া দেশের বিশিষ্ট সংবিধান বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির তালিকাভুক্ত অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপকেরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ৪৪ জন তাঁদের লিখিত ও মৌখিক মতামত এবং প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা

বৈঠকে সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর নীতি, বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়। সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে মৌলিক সাংবিধানিক নীতিমালা কীভাবে সংরক্ষণ করা যায় এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা কীভাবে আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব, সে বিষয়ে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরা হয়।

একই সঙ্গে বিচারক নিয়োগের জন্য পৃথক আইন প্রণয়ন এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা ও স্বতন্ত্র কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।

অনুচ্ছেদ ৭০ সংশোধনের প্রস্তাব

বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় ছিল সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭০ সংশোধন। এ বিষয়ে উত্থাপিত প্রস্তাবে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ ও ভোটদানের সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, আস্থা ভোট, অর্থবিল, সংবিধান সংশোধন এবং জাতীয় নিরাপত্তা বা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি—এই চারটি ক্ষেত্র ছাড়া অন্যান্য বিষয়ে সংসদ সদস্যদের নিজস্ব বিবেচনায় মতামত প্রকাশ ও ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখার বিষয়টি আলোচনা করা হয়।

এ ধরনের সংশোধনের সম্ভাব্য প্রভাব, সংসদীয় দলীয় শৃঙ্খলা এবং সংসদ সদস্যদের স্বাধীন ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মতামত উপস্থাপন করা হয়। তবে আলোচনায় উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা গৃহীত সংশোধনী হিসেবে গণ্য হবে না; এগুলো কমিটির পর্যালোচনার অংশ।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য

রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্ব পায়। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।

পাশাপাশি সংবিধিবদ্ধ সংস্থাগুলোর স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্র ও কার্যপরিধি নির্ধারণের বিষয়েও আলোচনা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা আলোচনায় উঠে আসে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটি

বৈঠকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করা হয়। এ ক্ষেত্রে উচ্চকক্ষের অংশগ্রহণের ধরন, সাংবিধানিক কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

এ ছাড়া সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭৬ অনুযায়ী সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদে বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের মনোনয়নের বিষয়টি আলোচনায় আসে। সংসদীয় কার্যক্রমে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং কমিটিগুলোর কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এ ধরনের ব্যবস্থার সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে মতামত দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতামত পর্যালোচনা

বৈঠকে অংশ নেওয়া ৪৪ জন আমন্ত্রিত বিশেষজ্ঞ সংবিধান সংশোধনের বিভিন্ন দিক নিয়ে তাঁদের লিখিত ও মৌখিক মতামত তুলে ধরেন। তাঁদের প্রস্তাবে সংবিধানের মৌলিক নীতিমালা সংরক্ষণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতার ভারসাম্য, সংসদীয় গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো স্থান পায়।

জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন এবং সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ সংশোধনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রস্তাবের সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাব বিবেচনার বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




ইছামতী

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আরমান চৌধুরী
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ইছামতী