ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
ইছামতি

সচিবালয়ে গিয়ে ফিরল ১১ দল, সরকারের প্রতিনিধি না আসায় নতুন কর্মসূচির হুঁশিয়ারি


অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

সচিবালয়ে গিয়ে ফিরল ১১ দল, সরকারের প্রতিনিধি না আসায় নতুন কর্মসূচির হুঁশিয়ারি
ছবি:সংগৃহীত

জ্বালানি সংকট, বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সচিবালয় অভিমুখে পদযাত্রা করে ১১ দলীয় জোট। তবে সচিবালয়ের সামনে পৌঁছানোর পর পুলিশের ব্যারিকেডের মুখে তাদের অগ্রযাত্রা থেমে যায়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও সরকারের কোনো প্রতিনিধি সাক্ষাৎ করতে না আসায় নেতারা সেখান থেকে ফিরে যান এবং ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচির ইঙ্গিত দেন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি শেষে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সচিবালয়ের উদ্দেশে রওনা দেন জোটের নেতাকর্মীরা। জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করার পর সচিবালয়ের প্রবেশমুখে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকে দেয়।

এরপর সচিবালয়ের সামনেই অবস্থান নিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জনগণের দাবিদাওয়া সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছে শান্তিপূর্ণভাবে পৌঁছে দিতেই তারা সেখানে এসেছেন, কোনো ধরনের সংঘাত বা অসম্মান প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে নয়।

তিনি আরও বলেন, সরকারের কোনো মন্ত্রী বা দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি এসে স্মারকলিপি গ্রহণ করলে সেটিই হবে গণমানুষের দাবির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের বহিঃপ্রকাশ। অন্যথায় জনগণের অধিকার আদায়ে আন্দোলন আরও বেগবান হবে এবং ধারাবাহিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের বক্তব্য পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রায় ৪৫ মিনিটের বেশি সময় সচিবালয়ের সামনে অপেক্ষা করেও সরকারের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত না হওয়ায় দুপুর দেড়টার দিকে ১১ দলীয় জোটের নেতারা কর্মসূচি স্থগিত করে সেখান থেকে চলে যান।

জ্বালানি তেল ও গ্যাসের সংকট, বিদ্যুতের 'ভূতুড়ে বিল', আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে জোটভুক্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। কর্মসূচিতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

ইছামতি

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬


সচিবালয়ে গিয়ে ফিরল ১১ দল, সরকারের প্রতিনিধি না আসায় নতুন কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

জ্বালানি সংকট, বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সচিবালয় অভিমুখে পদযাত্রা করে ১১ দলীয় জোট। তবে সচিবালয়ের সামনে পৌঁছানোর পর পুলিশের ব্যারিকেডের মুখে তাদের অগ্রযাত্রা থেমে যায়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও সরকারের কোনো প্রতিনিধি সাক্ষাৎ করতে না আসায় নেতারা সেখান থেকে ফিরে যান এবং ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচির ইঙ্গিত দেন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি শেষে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সচিবালয়ের উদ্দেশে রওনা দেন জোটের নেতাকর্মীরা। জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করার পর সচিবালয়ের প্রবেশমুখে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকে দেয়।

এরপর সচিবালয়ের সামনেই অবস্থান নিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জনগণের দাবিদাওয়া সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছে শান্তিপূর্ণভাবে পৌঁছে দিতেই তারা সেখানে এসেছেন, কোনো ধরনের সংঘাত বা অসম্মান প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে নয়।

তিনি আরও বলেন, সরকারের কোনো মন্ত্রী বা দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি এসে স্মারকলিপি গ্রহণ করলে সেটিই হবে গণমানুষের দাবির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের বহিঃপ্রকাশ। অন্যথায় জনগণের অধিকার আদায়ে আন্দোলন আরও বেগবান হবে এবং ধারাবাহিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের বক্তব্য পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রায় ৪৫ মিনিটের বেশি সময় সচিবালয়ের সামনে অপেক্ষা করেও সরকারের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত না হওয়ায় দুপুর দেড়টার দিকে ১১ দলীয় জোটের নেতারা কর্মসূচি স্থগিত করে সেখান থেকে চলে যান।

জ্বালানি তেল ও গ্যাসের সংকট, বিদ্যুতের 'ভূতুড়ে বিল', আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে জোটভুক্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। কর্মসূচিতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


ইছামতি

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আরমান চৌধুরী
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ইছামতি