ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীনের বিশাল জয়,ব্যবধান ১ লাখ ৩১ হাজার ভোট
তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৪৫৩ ভোট। ফলে দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৩৩৬।
বৃহস্পতিবার রাতে ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম মির্জা ফয়সল আমীনকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন। নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া ১৮৫টি কেন্দ্রের ফলাফলে তাঁর বড় ব্যবধানে জয়ের বিষয়টি উঠে এসেছে।
পাঁচ প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাঁদের মধ্যে বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন ও জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেনের মধ্যে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়।
অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ মো. খাদেমুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ২৮৮ ভোট। বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী বটগাছ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৩৬ ভোট এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক ডাব প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪৯ ভোট।
সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ভোটগ্রহণ
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। এরপর কেন্দ্রভিত্তিক ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী এলাকা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ছিলেন পাঁচ লাখের বেশি। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী অংশ নেন।
আসনটির রাজনৈতিক গুরুত্ব
ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি স্থানীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে পরিচিত। এ আসনের উপনির্বাচনে মির্জা ফয়সল আমীনের বড় ব্যবধানের জয় বিএনপির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ছিল এক লাখের বেশি।
তবে প্রকাশিত ফলাফলটি বেসরকারি। নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে চূড়ান্ত ফলাফল নিশ্চিত হবে।
আপনার মতামত লিখুন