ঢাকা   মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
English
ই-পেপার
ইছামতী

নিরাপদ অভিবাসনে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির


অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

নিরাপদ অভিবাসনে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দেশের অভিবাসন খাতকে আরও আধুনিক, নিরাপদ ও জবাবদিহিমূলক করার ওপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের প্রতারণা বা মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) এক বার্তায় রাষ্ট্রপতি নিরাপদ অভিবাসন, মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কর্মীদের সার্বিক অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে এই আহ্বান জানান।


রাষ্ট্রপতি বলেন, অভিবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতির অন্যতম মূল চালিকাশক্তি। তবে শুধু বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনই শেষ কথা নয়; অভিবাসনের প্রতিটি পদক্ষেপে কর্মীর মর্যাদা, অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি প্রাধান্য পেতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, অভিবাসন ব্যয় কমাতে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে রিক্রুটিং এজেন্সি, সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতর এবং দূতাবাসগুলোকে সমন্বিত ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন:

 বিদেশে কর্মী পাঠানোর তথ্য, ভিসা প্রক্রিয়া এবং চাকরির শর্তাবলীতে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা থাকতে হবে।

মধ্যস্বত্বভোগী বা দালাল চক্রের শোষণ থেকে প্রবাসগামীদের রক্ষায় কার্যকর আইনগত নজরদারি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

 সাধারণ কর্মীরা যাতে কম খরচে নিরাপদে বিদেশ যেতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈশ্বিক চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে প্রবাসগামীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জোর দেওয়ার বার্তা দেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, শুধু অদক্ষ শ্রমশক্তি না পাঠিয়ে আধুনিক কারিগরি শিক্ষা, ভাষাগত দক্ষতা এবং গন্তব্য দেশের আইন-কানুন সম্পর্কে সঠিক প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মী পাঠালে তাদের কাজের মর্যাদা এবং উপার্জনের পরিমাণ বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

বার বার্তায় রাষ্ট্রপতি নারী অভিবাসী কর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। নারী প্রবাসীদের কর্মস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কর্ম পরিবেশ মনিটরিং করার জন্য বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া, বিদেশে অবস্থানকালে যেকোনো বিপদে প্রবাসীদের দ্রুত আইনি ও মানবিক সহায়তা প্রদান এবং তাদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ জানান তিনি।

অভিবাসন খাতকে একটি সুশৃঙ্খল ও কাঠামোগত রূপ দিতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, "নিরাপদ, ন্যায়সংগত ও সুশৃঙ্খল শ্রম অভিবাসন নিশ্চিত করা আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার হতে হবে।" সকল বাধা দূর করে একটি জবাবদিহিমূলক অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য তিনি রিক্রুটিং এজেন্সি, সুশীল সমাজ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন

ইছামতী

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


নিরাপদ অভিবাসনে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

দেশের অভিবাসন খাতকে আরও আধুনিক, নিরাপদ ও জবাবদিহিমূলক করার ওপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের প্রতারণা বা মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) এক বার্তায় রাষ্ট্রপতি নিরাপদ অভিবাসন, মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কর্মীদের সার্বিক অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে এই আহ্বান জানান।


রাষ্ট্রপতি বলেন, অভিবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতির অন্যতম মূল চালিকাশক্তি। তবে শুধু বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনই শেষ কথা নয়; অভিবাসনের প্রতিটি পদক্ষেপে কর্মীর মর্যাদা, অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি প্রাধান্য পেতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, অভিবাসন ব্যয় কমাতে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে রিক্রুটিং এজেন্সি, সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতর এবং দূতাবাসগুলোকে সমন্বিত ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন:

 বিদেশে কর্মী পাঠানোর তথ্য, ভিসা প্রক্রিয়া এবং চাকরির শর্তাবলীতে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা থাকতে হবে।

মধ্যস্বত্বভোগী বা দালাল চক্রের শোষণ থেকে প্রবাসগামীদের রক্ষায় কার্যকর আইনগত নজরদারি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

 সাধারণ কর্মীরা যাতে কম খরচে নিরাপদে বিদেশ যেতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈশ্বিক চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে প্রবাসগামীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জোর দেওয়ার বার্তা দেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, শুধু অদক্ষ শ্রমশক্তি না পাঠিয়ে আধুনিক কারিগরি শিক্ষা, ভাষাগত দক্ষতা এবং গন্তব্য দেশের আইন-কানুন সম্পর্কে সঠিক প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মী পাঠালে তাদের কাজের মর্যাদা এবং উপার্জনের পরিমাণ বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

বার বার্তায় রাষ্ট্রপতি নারী অভিবাসী কর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। নারী প্রবাসীদের কর্মস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কর্ম পরিবেশ মনিটরিং করার জন্য বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া, বিদেশে অবস্থানকালে যেকোনো বিপদে প্রবাসীদের দ্রুত আইনি ও মানবিক সহায়তা প্রদান এবং তাদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ জানান তিনি।

অভিবাসন খাতকে একটি সুশৃঙ্খল ও কাঠামোগত রূপ দিতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, "নিরাপদ, ন্যায়সংগত ও সুশৃঙ্খল শ্রম অভিবাসন নিশ্চিত করা আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার হতে হবে।" সকল বাধা দূর করে একটি জবাবদিহিমূলক অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য তিনি রিক্রুটিং এজেন্সি, সুশীল সমাজ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।


ইছামতী

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আরমান চৌধুরী
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ইছামতী