ঢাকা   সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
English
ই-পেপার
ইছামতী

শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে সংঘাত: মিরপুর ও গাজীপুরে চার হাজার থেকে শুরু করে হাজার হাজার আসামি ও গ্রেপ্তার



শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে সংঘাত: মিরপুর ও গাজীপুরে চার হাজার থেকে শুরু করে হাজার হাজার আসামি ও গ্রেপ্তার

তৈরি পোশাকখাতের শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবি এবং পরবর্তী সহিংসতা ও ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একাধিক মামলা দায়ের করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, এসব মামলায় হাজার হাজার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে এবং অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


  • মামলা ও আসামি: গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনের সময় অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও সহিংসতার ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে তিনটি মামলা দায়ের করেছে। এসব মামলায় মোট ৪ হাজার জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

  • গ্রেপ্তার: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাড়াশি অভিযানে এখন পর্যন্ত এই তিন মামলা থেকে অন্তত ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

  • মামলার বিবরণ: রাজধানীর মিরপুর ও পল্লবী এলাকায় শ্রমিক বিক্ষোভ, ট্রাফিক পুলিশ বক্সে ভাঙচুর, পুলিশের গাড়িতে আগুন এবং সংঘর্ষের ঘটনায় মোট চারটি মামলা হয়েছে।

  • আসামির সংখ্যা: এই মামলাগুলোতে সুনির্দিষ্ট ও অজ্ঞাত মিলিয়ে মোট সাড়ে ১০ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে মিরপুর মডেল থানায় ট্রাফিক বক্স ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় একটি মামলায় ৩ হাজার এবং পল্লবী থানায় পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও হামলার ঘটনায় ৩টি মামলায় আরও সাড়ে ৭ হাজার (প্রতিটিতে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার করে) অজ্ঞাত আসামি রয়েছে।

  • গ্রেপ্তার ও কারাদণ্ড: মিরপুরের এসব ঘটনায় পুলিশ ইতোমধ্যে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। এর মধ্যে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তারকৃত ২৬ জনকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গোয়েন্দা ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পোশাকশ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দলের (আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ) কিছু নেতাকর্মী অনলাইন গ্রুপের মাধ্যমে সংগঠিত হয়ে মিরপুর ও আশপাশের এলাকায় বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল। মিরপুরে আটককৃতদের মধ্যে এমন বেশ কয়েকজনকে পাওয়া গেছে, যারা প্রকৃত পোশাকশ্রমিক নন বরং বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে আন্দোলনের আড়ালে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছিলেন।

উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ, দাঙ্গা দমন যান ও জলকামান প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া নাশকতা ও সহিংসতা এড়াতে শিল্পাঞ্চলগুলোতে কঠোর নজরদারি বজায় রেখেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

আপনার মতামত লিখুন

ইছামতী

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে সংঘাত: মিরপুর ও গাজীপুরে চার হাজার থেকে শুরু করে হাজার হাজার আসামি ও গ্রেপ্তার

প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

তৈরি পোশাকখাতের শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবি এবং পরবর্তী সহিংসতা ও ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একাধিক মামলা দায়ের করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, এসব মামলায় হাজার হাজার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে এবং অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


  • মামলা ও আসামি: গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনের সময় অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও সহিংসতার ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে তিনটি মামলা দায়ের করেছে। এসব মামলায় মোট ৪ হাজার জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

  • গ্রেপ্তার: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাড়াশি অভিযানে এখন পর্যন্ত এই তিন মামলা থেকে অন্তত ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

  • মামলার বিবরণ: রাজধানীর মিরপুর ও পল্লবী এলাকায় শ্রমিক বিক্ষোভ, ট্রাফিক পুলিশ বক্সে ভাঙচুর, পুলিশের গাড়িতে আগুন এবং সংঘর্ষের ঘটনায় মোট চারটি মামলা হয়েছে।

  • আসামির সংখ্যা: এই মামলাগুলোতে সুনির্দিষ্ট ও অজ্ঞাত মিলিয়ে মোট সাড়ে ১০ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে মিরপুর মডেল থানায় ট্রাফিক বক্স ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় একটি মামলায় ৩ হাজার এবং পল্লবী থানায় পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও হামলার ঘটনায় ৩টি মামলায় আরও সাড়ে ৭ হাজার (প্রতিটিতে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার করে) অজ্ঞাত আসামি রয়েছে।

  • গ্রেপ্তার ও কারাদণ্ড: মিরপুরের এসব ঘটনায় পুলিশ ইতোমধ্যে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। এর মধ্যে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তারকৃত ২৬ জনকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গোয়েন্দা ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পোশাকশ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দলের (আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ) কিছু নেতাকর্মী অনলাইন গ্রুপের মাধ্যমে সংগঠিত হয়ে মিরপুর ও আশপাশের এলাকায় বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল। মিরপুরে আটককৃতদের মধ্যে এমন বেশ কয়েকজনকে পাওয়া গেছে, যারা প্রকৃত পোশাকশ্রমিক নন বরং বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে আন্দোলনের আড়ালে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছিলেন।

উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ, দাঙ্গা দমন যান ও জলকামান প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া নাশকতা ও সহিংসতা এড়াতে শিল্পাঞ্চলগুলোতে কঠোর নজরদারি বজায় রেখেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।


ইছামতী

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আরমান চৌধুরী
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ইছামতী